
ঢাবি প্রতিনিধি

ছয় বছরের বিরতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন। উৎসবের আবহে শুরু হওয়া এ ভোটের চিত্র অবশ্য বেলা গড়াতে গড়াতে বদলে যেতে শুরু করেছে। ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত হলেও প্রার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
এরই মধ্যে এই নির্বাচনের আলোচিত প্রার্থীদের প্রায় সবাই নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে এসেছে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ। এসব অভিযোগ ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও এসেছে। ঢাবি কর্তৃপক্ষ আবার ব্যালটে কারচুপির অভিযোগের কথা বলেছে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় একযোগে আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে শুরু হয় ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এর আগে সকাল ৭টার দিকেই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন।
সকাল ৮টায় যখন ভোট শুরু হয়, ততক্ষণে প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে বড় লাইন তৈরি হয়ে যায়। এরপর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে ভোট গ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকে ভোটের হার ভালো হওয়ায় দুপুর নাগাদ কোথাও কোথাও ভোটারদের লাইনের দৈর্ঘ্য কমে আসতে শুরু করেছে।
এদিকে সকালের দিকে প্রথম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খোলেন এই নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিক ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ছাত্রদলের কয়েকজনকে আমরা দেখেছি ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে গিয়ে ভোটারদের কাছে স্লিপ দিয়েছে। এটি করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তাছাড়া কেন্দ্রের সামনে ডেস্ক বসাতে নিষেধ করা হয়েছিল। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমরা ডেস্কও বসাতে দেখেছি।
শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের পোলিং এজেন্টকে বের করে দিয়ে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টকে অ্যাকসেস দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আচরণ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। এর বিরুদ্ধে ইমিডিয়েট অ্যাকশন না নিয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দুঃখজনক।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। প্রথমে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। শিবিরপন্থি ভিপি ও জিএস প্রার্থী, যারা অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছে ও গণঅভ্যুত্থানের পর তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, তারাই এখন এ ধরনের অভিযোগ করছে। আমরা যদি মিথ্যা বলি, আপনারাই প্রমাণ করুন।
পরে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পালটা অভিযোগ করে ছাত্রশিবিরের নামে। আবিদ বলেন, প্রথম যে নিউজ করা হয়েছিল, সেটি আমাকে দেখানো হয়েছে, যা আসলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক।
আবিদ উলটো অভিযোগও করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে অসংখ্য প্রোপাগান্ডার শিকার করা হয়েছে। বারবার সব জায়গায় আমাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা। তিনি বলেন, অব্যবস্থাপনার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা কিন্তু বারবার সতর্ক করেছি, যেন তারা সতর্কতার সঙ্গে এই পদক্ষেপগুলো নেন।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার। তিনি বলেন, অমর একুশে হলের ভোটারদের ব্যালট বাক্স আগে থেকেই ভর্তি ছিল।
ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদের জিএস প্রার্থী মেঘমল্লার বসুও। তিনি বলেন, ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ (সিরিয়াস অ্যালিগেশন) পেয়েছি। করণীয় ঠিক করতে দ্রুত বৈঠকে বসছি আমরা। এরপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।
এদিকে ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষ কারচুপির অভিযোগ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম।
ডাকসুর ক্যারিয়ারবিষয়ক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গা অভিযোগ করেন, টিএসসি ভোটকেন্দ্রে একজন ভোটারের ব্যালটে শিবির সমর্থিত দুই প্রার্থী সাদিক কায়েম ও ফরহাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেওয়া ছিল।
সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম বলেন, দুজন প্রার্থীর নামে টিক দেওয়া ব্যালট পেয়েছেন বলে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছিল। তাকে পরে আরেকটি ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে।
এতসব অভিযোগের মধ্যেও ডাকসুতে ভোট পড়ছে বেশ দ্রুতগতিতেই। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেল, তারা একেকজন ভোটারের জন্য গড়ে ১০ মিনিট করে সময় বরাদ্দ করেছেন। তবে ভোটাররা বলছেন, ৬ থেকে ৮ মিনিটের মধ্যেই তারা ভোট দিতে পারছেন।
টিএসসি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা সকালে জানিয়েছিলেন, প্রথম ঘণ্টায় ওই কেন্দ্রে ভোট পড়ে ৭৬০টি। এই সংখ্যা কেন্দ্রটির মোট ভোটারের প্রায় ১৩ শতাংশ। সে হিসাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ করার আশাবাদ জানান তিনি।
অন্যদিকে ভূতত্ত্ব বিভাগ ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম তিন ঘণ্টায় সেখানে ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্য কেন্দ্রগুলোর অবস্থাও প্রায় একই।

ছয় বছরের বিরতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন। উৎসবের আবহে শুরু হওয়া এ ভোটের চিত্র অবশ্য বেলা গড়াতে গড়াতে বদলে যেতে শুরু করেছে। ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত হলেও প্রার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
এরই মধ্যে এই নির্বাচনের আলোচিত প্রার্থীদের প্রায় সবাই নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে এসেছে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ। এসব অভিযোগ ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও এসেছে। ঢাবি কর্তৃপক্ষ আবার ব্যালটে কারচুপির অভিযোগের কথা বলেছে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় একযোগে আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে শুরু হয় ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এর আগে সকাল ৭টার দিকেই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন।
সকাল ৮টায় যখন ভোট শুরু হয়, ততক্ষণে প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে বড় লাইন তৈরি হয়ে যায়। এরপর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে ভোট গ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকাল থেকে ভোটের হার ভালো হওয়ায় দুপুর নাগাদ কোথাও কোথাও ভোটারদের লাইনের দৈর্ঘ্য কমে আসতে শুরু করেছে।
এদিকে সকালের দিকে প্রথম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খোলেন এই নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিক ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ছাত্রদলের কয়েকজনকে আমরা দেখেছি ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে গিয়ে ভোটারদের কাছে স্লিপ দিয়েছে। এটি করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তাছাড়া কেন্দ্রের সামনে ডেস্ক বসাতে নিষেধ করা হয়েছিল। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমরা ডেস্কও বসাতে দেখেছি।
শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের পোলিং এজেন্টকে বের করে দিয়ে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টকে অ্যাকসেস দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আচরণ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। এর বিরুদ্ধে ইমিডিয়েট অ্যাকশন না নিয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দুঃখজনক।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। প্রথমে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। শিবিরপন্থি ভিপি ও জিএস প্রার্থী, যারা অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছে ও গণঅভ্যুত্থানের পর তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, তারাই এখন এ ধরনের অভিযোগ করছে। আমরা যদি মিথ্যা বলি, আপনারাই প্রমাণ করুন।
পরে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পালটা অভিযোগ করে ছাত্রশিবিরের নামে। আবিদ বলেন, প্রথম যে নিউজ করা হয়েছিল, সেটি আমাকে দেখানো হয়েছে, যা আসলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক।
আবিদ উলটো অভিযোগও করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে অসংখ্য প্রোপাগান্ডার শিকার করা হয়েছে। বারবার সব জায়গায় আমাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা। তিনি বলেন, অব্যবস্থাপনার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা কিন্তু বারবার সতর্ক করেছি, যেন তারা সতর্কতার সঙ্গে এই পদক্ষেপগুলো নেন।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার। তিনি বলেন, অমর একুশে হলের ভোটারদের ব্যালট বাক্স আগে থেকেই ভর্তি ছিল।
ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদের জিএস প্রার্থী মেঘমল্লার বসুও। তিনি বলেন, ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ (সিরিয়াস অ্যালিগেশন) পেয়েছি। করণীয় ঠিক করতে দ্রুত বৈঠকে বসছি আমরা। এরপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।
এদিকে ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষ কারচুপির অভিযোগ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম।
ডাকসুর ক্যারিয়ারবিষয়ক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গা অভিযোগ করেন, টিএসসি ভোটকেন্দ্রে একজন ভোটারের ব্যালটে শিবির সমর্থিত দুই প্রার্থী সাদিক কায়েম ও ফরহাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেওয়া ছিল।
সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম বলেন, দুজন প্রার্থীর নামে টিক দেওয়া ব্যালট পেয়েছেন বলে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছিল। তাকে পরে আরেকটি ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে।
এতসব অভিযোগের মধ্যেও ডাকসুতে ভোট পড়ছে বেশ দ্রুতগতিতেই। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেল, তারা একেকজন ভোটারের জন্য গড়ে ১০ মিনিট করে সময় বরাদ্দ করেছেন। তবে ভোটাররা বলছেন, ৬ থেকে ৮ মিনিটের মধ্যেই তারা ভোট দিতে পারছেন।
টিএসসি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা সকালে জানিয়েছিলেন, প্রথম ঘণ্টায় ওই কেন্দ্রে ভোট পড়ে ৭৬০টি। এই সংখ্যা কেন্দ্রটির মোট ভোটারের প্রায় ১৩ শতাংশ। সে হিসাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ করার আশাবাদ জানান তিনি।
অন্যদিকে ভূতত্ত্ব বিভাগ ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম তিন ঘণ্টায় সেখানে ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্য কেন্দ্রগুলোর অবস্থাও প্রায় একই।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশনগুলোর মেয়রদের পদচ্যুত করে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিল। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এবার ‘রাজনৈতিক’ প্রশাসক নিয়োগ দিল।
১ দিন আগে
সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বিএনপি সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ‘জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি অবিলম্বে এসব সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলের দাবি জানান।
২ দিন আগে
ইশরাকের ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণার আগে আসিফ মাহমুদেরও একই পদে ভোটে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে৷ তারা দুজনেই মেয়র পদে প্রার্থী হলে তা আগের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে আনবে, এ কথা বলাই যায়।
২ দিন আগে
দলীয় সূত্র ও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন সেলিমা রহমান। এরপর দ্রুত তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ দিন আগে