
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি হ্যাক করে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামায়াতের আমির ডা শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত কয়েক দিনে আমার ওপর ‘মিসাইল’ (রাজনৈতিক আক্রমণ) নিক্ষেপ করা হয়েছে, তার জবাবে ‘এন্টি-মিসাইল’ ছুঁড়ব না। বরং আমি তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশকে গোলাম করে রাখতে চায় তারাই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে জামায়াতের সাইবার টিম শনাক্ত করেছে এবং জড়িতদের আটকও করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা জামায়াতের আমির, নওগাঁ ৪ মান্দা আসনের প্রার্থী খ ম আব্দুর রাকিব।
কৃষিপ্রধান জেলা নওগাঁ নিয়ে ডা শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মোট খাদ্যশস্যের উল্লেখযোগ্য অংশ এই জেলা থেকে সরবরাহ হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শহরের প্রধান সড়ক ফোরলেন করা, মানসম্পন্ন হাসপাতাল গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি। ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হলে নওগাঁর সার্বিক উন্নয়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, কৃষক ও খামারিরা তাড়াহুড়ো করে ফসল বিক্রি করায় ন্যায্যমূল্য পান না। এজন্য ধান ও ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং পুরো নর্থবেঙ্গলকে কৃষি শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। একাধিক কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার তৈরির ঘোষণাও দেন।
পর্যটন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, নওগাঁয় সম্ভাবনাময় অনেক দর্শনীয় স্থান আছে। অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে পর্যটন খাতে উন্নয়ন হয়নি। ক্ষমতায় গেলে নওগাঁর পর্যটন নিয়ে আলাদা করে কাজ করা হবে।
দুর্নীতিবাজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ ৫৫ বছরে বারবার শহীদ হয়েছে। যারা ক্ষমতায় গেছে তারা নিজেরা লুটেপুটে খেয়েছে, জনগণের টাকা চুরি ও লুণ্ঠন করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা চুরি হয়েছে। যারা টাকা বিদেশে পাচার করেছে, সেই পাচার করা অর্থ পেটে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনা হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে নতুন করে চুরি করতে দেওয়া হবে না।
বেকারদের প্রসঙ্গে ডা শফিকুর রহমান বলেন, আগস্টে যারা রাস্তায় নেমে সংগ্রাম করেছে তারা কখনো বেকার ভাতা চায়নি। আমরা তাদের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে গড়ে তুলবো। কাজ করো দেশ গড়ো, দেশ তোমরাই বদলে দাও।
নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, জুলাইয়ে মা বোনদের বিশেষ অবদান ছিল। আবু সাঈদ আমাদের অহংকার, জাতির অহংকার। তোমার জীবনের বিনিময়ে নতুন দেশ পেয়েছি। নারীদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। মায়ের অপমান কেউ সহ্য করবে না। মায়ের অপমান হলে যুবকরাই আবার গর্জে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এখানে কোনো মেজরিটি মাইনরিটি চলবে না, কোনো বৈষম্য থাকবে না। মুসলমান কেন ভয়ে থাকবে। সব অনিয়ম গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। ইনসাফের দাবি পূরণে অবহেলিত এলাকার আগে উন্নয়ন করা হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার মো এনামুল হক, মো মাহফুজুর রহমান, আবু সাদাত মো সায়েম, মো খবিরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন, আ স ম মামুন শাহিন, মাওলানা মুফতি ইসরাফিল আলম, আব্দুর রাকিব, শহীদ ফাহমিনের মা কাজী নুলুন মাখমিন।
এ সময় ৫ আগস্টে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি হ্যাক করে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামায়াতের আমির ডা শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত কয়েক দিনে আমার ওপর ‘মিসাইল’ (রাজনৈতিক আক্রমণ) নিক্ষেপ করা হয়েছে, তার জবাবে ‘এন্টি-মিসাইল’ ছুঁড়ব না। বরং আমি তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশকে গোলাম করে রাখতে চায় তারাই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে জামায়াতের সাইবার টিম শনাক্ত করেছে এবং জড়িতদের আটকও করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা জামায়াতের আমির, নওগাঁ ৪ মান্দা আসনের প্রার্থী খ ম আব্দুর রাকিব।
কৃষিপ্রধান জেলা নওগাঁ নিয়ে ডা শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মোট খাদ্যশস্যের উল্লেখযোগ্য অংশ এই জেলা থেকে সরবরাহ হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শহরের প্রধান সড়ক ফোরলেন করা, মানসম্পন্ন হাসপাতাল গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি। ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হলে নওগাঁর সার্বিক উন্নয়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, কৃষক ও খামারিরা তাড়াহুড়ো করে ফসল বিক্রি করায় ন্যায্যমূল্য পান না। এজন্য ধান ও ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং পুরো নর্থবেঙ্গলকে কৃষি শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। একাধিক কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার তৈরির ঘোষণাও দেন।
পর্যটন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, নওগাঁয় সম্ভাবনাময় অনেক দর্শনীয় স্থান আছে। অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে পর্যটন খাতে উন্নয়ন হয়নি। ক্ষমতায় গেলে নওগাঁর পর্যটন নিয়ে আলাদা করে কাজ করা হবে।
দুর্নীতিবাজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ ৫৫ বছরে বারবার শহীদ হয়েছে। যারা ক্ষমতায় গেছে তারা নিজেরা লুটেপুটে খেয়েছে, জনগণের টাকা চুরি ও লুণ্ঠন করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা চুরি হয়েছে। যারা টাকা বিদেশে পাচার করেছে, সেই পাচার করা অর্থ পেটে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনা হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে নতুন করে চুরি করতে দেওয়া হবে না।
বেকারদের প্রসঙ্গে ডা শফিকুর রহমান বলেন, আগস্টে যারা রাস্তায় নেমে সংগ্রাম করেছে তারা কখনো বেকার ভাতা চায়নি। আমরা তাদের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে গড়ে তুলবো। কাজ করো দেশ গড়ো, দেশ তোমরাই বদলে দাও।
নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, জুলাইয়ে মা বোনদের বিশেষ অবদান ছিল। আবু সাঈদ আমাদের অহংকার, জাতির অহংকার। তোমার জীবনের বিনিময়ে নতুন দেশ পেয়েছি। নারীদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। মায়ের অপমান কেউ সহ্য করবে না। মায়ের অপমান হলে যুবকরাই আবার গর্জে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এখানে কোনো মেজরিটি মাইনরিটি চলবে না, কোনো বৈষম্য থাকবে না। মুসলমান কেন ভয়ে থাকবে। সব অনিয়ম গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। ইনসাফের দাবি পূরণে অবহেলিত এলাকার আগে উন্নয়ন করা হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির, অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার মো এনামুল হক, মো মাহফুজুর রহমান, আবু সাদাত মো সায়েম, মো খবিরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন, আ স ম মামুন শাহিন, মাওলানা মুফতি ইসরাফিল আলম, আব্দুর রাকিব, শহীদ ফাহমিনের মা কাজী নুলুন মাখমিন।
এ সময় ৫ আগস্টে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য সবসময় পেশিশক্তির প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় অন্যায়ের Political Cost বা রাজনৈতিক মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া।
৯ ঘণ্টা আগে
যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তরুণদের সঠিক শিক্ষা ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগতভাবে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে যোগ্য ও সম্মানজনক কাজ।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি ডামাডোল শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘বিদ্রোহী’দের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নিতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। অনেককে বহিষ্কার করেছে দল থেকে। এরপর কেউ কেউ দলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেনদলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কেউ কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলেও নিয়
১৩ ঘণ্টা আগে
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, আজ প্রমাণ করেছেন আপনারা সবাই একসঙ্গে আছেন। আপনাদের মূল্যবান সময় নিয়ে এখানে এসেছেন, আমাদের কথা শুনছেন এবং আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদের জানিয়েছেন। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সেগুলো আরও শুনবো, আরও জানবো।
১ দিন আগে