সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে 'নতুন বাংলাদেশ' গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ আমরা সবাই নিয়েছি। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী দিনগুলোতে দেশকে সত্যিকার অর্থে সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে কাজ করব।

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।

এদিন আরেকটি প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের দুঃখ, স্বাধীনতার এই দিনে দেশের আরেক সংগ্রামী নেত্রী, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

স্বাধীনতা দিবসে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৬ মার্চ ভোর ৫টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকেও জানানো হবে শ্রদ্ধা। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ও সারা দেশের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করা হবে।

৪ দিন আগে

নয়ছয় না করে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মাধ্যমে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

৫ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

৭ দিন আগে

বিএনপি যা বলে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে: দুলু

আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক

৭ দিন আগে