
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির ব্যাপারে বিএনপির দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জাতীয় ঐক্য নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি দেশের সব মানুষকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে সবাই যেন একমত থাকতে পারি এজন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানাই।
নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে আজকে কোন আলোচনা হয়নি। কিন্তু আমরা যেটা আগে বলেছি নির্দিষ্ট কিছু সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি।
বিভিন্ন মহল থেকে ইসকন নিষিদ্ধের কথা ওঠেছে এ বিষয়ে আপনাদের অবস্থান কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু ইসকন না যারা জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। আগামীতে দেশে কিভাবে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে একটা কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্বাচনের দিকে আগানো যায় সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দেশে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কিভাবে জাতীয় ঐক্য করা যায়, প্রশাসনে কিভাবে গতি আনা যায় এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, জিনিসপত্রের উচ্চমূল্যে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এটা লাঘব করার জন্য আলোচনা হয়েছে। রমজান মাস আসছে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে এবিষয়ে আমরা পরামর্শ করেছি।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির ব্যাপারে বিএনপির দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জাতীয় ঐক্য নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি দেশের সব মানুষকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এজন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে সবাই যেন একমত থাকতে পারি এজন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানাই।
নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে আজকে কোন আলোচনা হয়নি। কিন্তু আমরা যেটা আগে বলেছি নির্দিষ্ট কিছু সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি।
বিভিন্ন মহল থেকে ইসকন নিষিদ্ধের কথা ওঠেছে এ বিষয়ে আপনাদের অবস্থান কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু ইসকন না যারা জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। আগামীতে দেশে কিভাবে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে একটা কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্বাচনের দিকে আগানো যায় সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দেশে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কিভাবে জাতীয় ঐক্য করা যায়, প্রশাসনে কিভাবে গতি আনা যায় এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, জিনিসপত্রের উচ্চমূল্যে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এটা লাঘব করার জন্য আলোচনা হয়েছে। রমজান মাস আসছে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে এবিষয়ে আমরা পরামর্শ করেছি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে