
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার অবসানের লক্ষ্যে দেশে এখনো নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাপ্তাহিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এসময় মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। গতবছরের এই দিনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ভোটারবিহীন প্রহসনের একটি ডামি নির্বাচন দেখিয়ে ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলো। গতবছরের এইদিনে তারা জনগণের ভোটাধিকার হাইজ্যাক করে মৌলিক ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছিলো।
ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরে দেশে আর কোন কালো অধ্যায় তৈরি যাতে না হয় সে জন্য কার্যকর সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দেশের মানুষ দলীয় পরিচয়ে নয় বরং সকল সরকারী ও বেসরকারী অফিস, আদালত, হসপিটালে নাগরিক হিসেবে ন্যায্য অধিকার নিয়ে বাঁচতে চায়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এছাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, কে এম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ, মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, আলহাজ্ব আবদুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতী হেদায়েতুল্লাহ কাসেমী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট হাফেজ মাওলানা হাছিবুল ইসলাম, জি এম রুহুল আমীন, শহিদুল ইসলাম কবির, এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খান, মুফতী মানসুর আহমাদ সাকী, ও মুফতি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার অবসানের লক্ষ্যে দেশে এখনো নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাপ্তাহিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এসময় মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। গতবছরের এই দিনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ভোটারবিহীন প্রহসনের একটি ডামি নির্বাচন দেখিয়ে ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলো। গতবছরের এইদিনে তারা জনগণের ভোটাধিকার হাইজ্যাক করে মৌলিক ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছিলো।
ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরে দেশে আর কোন কালো অধ্যায় তৈরি যাতে না হয় সে জন্য কার্যকর সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দেশের মানুষ দলীয় পরিচয়ে নয় বরং সকল সরকারী ও বেসরকারী অফিস, আদালত, হসপিটালে নাগরিক হিসেবে ন্যায্য অধিকার নিয়ে বাঁচতে চায়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এছাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, কে এম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ, মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, আলহাজ্ব আবদুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতী হেদায়েতুল্লাহ কাসেমী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট হাফেজ মাওলানা হাছিবুল ইসলাম, জি এম রুহুল আমীন, শহিদুল ইসলাম কবির, এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খান, মুফতী মানসুর আহমাদ সাকী, ও মুফতি মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি। আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা, যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ?’
১ দিন আগে
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘দলের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা করাই আমার মূল দায়িত্ব। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক কাজে জড়ালে এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১ দিন আগে
বিএনপি সরকার জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। সরকার গ্যাস ও জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ মোটা দাগে ২৯টি ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় দিয়েছে।
১ দিন আগে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন ‘সিন্ডিকেটে’র আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলগুলো বলছে, সরকারের একটি অসাধু চক্র দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। কোনো ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে
২ দিন আগে