
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হলে তার জন্য ভারতিই দায়ী থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। এর পেছনে তাদের কাছে কিছু ব্যাখ্যা আছে। আমরা ভারতকে বলেছি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে। এটি একটি কূটনৈতিক বিষয়। কিন্তু শেখ হাসিনা যদি সেখান থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেন, ভারতে রাজনৈতিক সভা করেন, তাহলে এর জন্য ভারত সরকার দায়ী থাকবে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান মিলনায়তনে ‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বইটির লেখক প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব আহমেদ ফয়েজ।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ বই প্রসঙ্গে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, এটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের একটি প্রামাণ্য দলিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংবাদপত্রের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোনো কোনো পত্রিকা অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে, যা দুঃখজনক।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ছাত্র-জনতা ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে যেকোনো সম্ভাব্য নৈরাজ্যের জবাব দিতে রাজপথে থাকব। আমরা আমাদের প্রতিরোধ অব্যাহত রাখব। জনগণকে উদ্বিগ্ন করে আমাদের ঐক্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আমরা সব অবস্থায় প্রস্তুত রয়েছি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা পালনকারী সংবাদপত্রের সম্পাদকদের তাদের ভূমিকা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংবাদপত্রগুলো ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ভূমিকাই পালন করেছে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সংবাদপত্রগুলোক নির্ধারিত সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক সংবাদপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমর্থন করার জন্য বয়ান তৈরি করেছিল।
নাহিদ বলেন, ‘যাদের শাসকের ন্যারেটিভ প্রকাশ করতে বাধ্য করা হয়েছিল, জনগণের কাছে তাদের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। তা না হলে তারা বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।’ এ সময় দেশের কল্যাণের জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান উপদেষ্টা নাহিদ।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেউ তুলে ধরেছেন ছবির মাধ্যমে, আবার কেউ তুলে ধরেছেন গ্রাফিতি ও ভিডিওর মাধ্যমে। এ ছাড়া জাতীয় দৈনিকগুলোও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে তুলে ধরেছে স্বমহিমায়।
২৫টি জাতীয় দৈনিক থেকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সংকলিত ‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ গ্রন্থের মাধ্যমে মুক্তিকামী মানুষের লড়াই সংগ্রামের অবদান অম্লান হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন প্রেস সচিব।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, আদর্শ প্রকাশনীর প্রকাশক মাহবুবুর রহমান, লেখক ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্রসহ অন্যরা।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হলে তার জন্য ভারতিই দায়ী থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। এর পেছনে তাদের কাছে কিছু ব্যাখ্যা আছে। আমরা ভারতকে বলেছি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে। এটি একটি কূটনৈতিক বিষয়। কিন্তু শেখ হাসিনা যদি সেখান থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেন, ভারতে রাজনৈতিক সভা করেন, তাহলে এর জন্য ভারত সরকার দায়ী থাকবে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান মিলনায়তনে ‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বইটির লেখক প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব আহমেদ ফয়েজ।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ বই প্রসঙ্গে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, এটি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের একটি প্রামাণ্য দলিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংবাদপত্রের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোনো কোনো পত্রিকা অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে, যা দুঃখজনক।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ছাত্র-জনতা ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে যেকোনো সম্ভাব্য নৈরাজ্যের জবাব দিতে রাজপথে থাকব। আমরা আমাদের প্রতিরোধ অব্যাহত রাখব। জনগণকে উদ্বিগ্ন করে আমাদের ঐক্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আমরা সব অবস্থায় প্রস্তুত রয়েছি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা পালনকারী সংবাদপত্রের সম্পাদকদের তাদের ভূমিকা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংবাদপত্রগুলো ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ভূমিকাই পালন করেছে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সংবাদপত্রগুলোক নির্ধারিত সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক সংবাদপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষমতাসীন সরকারকে সমর্থন করার জন্য বয়ান তৈরি করেছিল।
নাহিদ বলেন, ‘যাদের শাসকের ন্যারেটিভ প্রকাশ করতে বাধ্য করা হয়েছিল, জনগণের কাছে তাদের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। তা না হলে তারা বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।’ এ সময় দেশের কল্যাণের জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান উপদেষ্টা নাহিদ।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেউ তুলে ধরেছেন ছবির মাধ্যমে, আবার কেউ তুলে ধরেছেন গ্রাফিতি ও ভিডিওর মাধ্যমে। এ ছাড়া জাতীয় দৈনিকগুলোও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে তুলে ধরেছে স্বমহিমায়।
২৫টি জাতীয় দৈনিক থেকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সংকলিত ‘সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান’ গ্রন্থের মাধ্যমে মুক্তিকামী মানুষের লড়াই সংগ্রামের অবদান অম্লান হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন প্রেস সচিব।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, আদর্শ প্রকাশনীর প্রকাশক মাহবুবুর রহমান, লেখক ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্রসহ অন্যরা।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।
৩ দিন আগে
প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৫ দিন আগে