
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নতুনভাবে এবং ভিন্ন কৌশলে দেশে ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আর কোনো স্বৈরতান্ত্রিক শক্তি নতুন অবয়বে ফিরে আসতে না পারে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে। নতুনভাবে, নতুন কায়দায়, নতুন অবয়বে কেউ যেন স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি দাবি করেন, গত ১৬–১৭ বছরে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। ভোটের দিন যে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকার কথা, তা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন মানেই জনগণের অধিকার প্রয়োগের উৎসব, কিন্তু বিগত সময়ে ভোটকেন্দ্র দখল ও ভয়ভীতির মাধ্যমে সেই পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে রিজভী বলেন, রাজনৈতিক নিপীড়নের সময় অনেক ঘটনা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন সাংবাদিকরা। এতে বহু নেতাকর্মীর জীবন রক্ষা পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, অনেক সময় গভীর রাতে নেতাকর্মীদের তুলে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অস্বীকার করলেও সাংবাদিকরা তা প্রকাশ করেছেন। এতে অনেকেই রক্ষা পেয়েছেন।
রিজভী আরও বলেন, সম্প্রতি কিছু ঘটনায় দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে অসভ্য ও উগ্র আচরণ বাড়ছে, যা ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। ধর্মকে ব্যবহার করে যদি কোনো শক্তি স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়, তবে তা আরও ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং গণতন্ত্রকামী শক্তির প্রতিফলন ঘটবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নির্বাচন একটি অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসলাম জবিউল্লাহ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন প্রমুখ।

নতুনভাবে এবং ভিন্ন কৌশলে দেশে ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আর কোনো স্বৈরতান্ত্রিক শক্তি নতুন অবয়বে ফিরে আসতে না পারে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে। নতুনভাবে, নতুন কায়দায়, নতুন অবয়বে কেউ যেন স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি দাবি করেন, গত ১৬–১৭ বছরে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। ভোটের দিন যে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকার কথা, তা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন মানেই জনগণের অধিকার প্রয়োগের উৎসব, কিন্তু বিগত সময়ে ভোটকেন্দ্র দখল ও ভয়ভীতির মাধ্যমে সেই পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে রিজভী বলেন, রাজনৈতিক নিপীড়নের সময় অনেক ঘটনা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন সাংবাদিকরা। এতে বহু নেতাকর্মীর জীবন রক্ষা পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, অনেক সময় গভীর রাতে নেতাকর্মীদের তুলে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অস্বীকার করলেও সাংবাদিকরা তা প্রকাশ করেছেন। এতে অনেকেই রক্ষা পেয়েছেন।
রিজভী আরও বলেন, সম্প্রতি কিছু ঘটনায় দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে অসভ্য ও উগ্র আচরণ বাড়ছে, যা ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। ধর্মকে ব্যবহার করে যদি কোনো শক্তি স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়, তবে তা আরও ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং গণতন্ত্রকামী শক্তির প্রতিফলন ঘটবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নির্বাচন একটি অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসলাম জবিউল্লাহ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন প্রমুখ।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে