
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ের পর ভিসা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যেসব দেশের উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত, সেসব দেশের অতিথিদের বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে তাবলিগ জামাত শুরাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সভার কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৪ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সিরিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, ইরাক, সোমালিয়া, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, লিবিয়া, চাদ, মালি, তিউনিসিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর অতিথিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কঠোরতা অবলম্বন করবেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব বিদেশি মেহমানদের তালিকা, নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ সব তথ্য আগামী ২০ ডিসেম্বরের আগে শুরায়ে নিজাম/তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ কর্তৃক এসবিকে সরবরাহ করতে হবে।
বিশ্ব ইজতেমায় আসা বিদেশি মেহমানদের অনুকূলে সাধারণভাবে ৩০ দিন পর্যন্ত ভিসা দেওয়া হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে তাবলিগ জামাতের সুপারিশের ভিত্তিতে এক চিল্লার জন্য ৫০ দিন এবং তিন চিল্লার জন্য ১৩০ দিন ভিসা দিতে হবে।
বিদেশি মেহমানদের ভিসা দেওয়ার আগে শুরায়ে নিজাম/তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমন্ত্রণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দেশের মারকাজের সুপারিশ যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে ভিসা প্রদান করতে হবে। টিআই ভিসা নিয়ে মিয়ানমারের নাগরিকরা ইজতেমায় আসতে পারবে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেসব দেশের উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে ওই সব দেশের মেহমানদের বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে তাবলিগ জামাত শুরা কর্তৃক নিরুৎসাহিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ভিসা অন-অ্যারাইবল দেওয়ার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ভিসা অন এ্যারাইভাল, প্রদেয় ভিসার মেয়াদ, নো ভিসা ফি রিকয়ার্ড, বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতির যোগাযোগ নাই এমন দেশের মুসল্লিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন) নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
গত ৩ ডিসেম্বর ইজতেমার বিদেশি অতিথিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্তের কথা উল্লেখ করে বিদেশে বাংলাদেশের সব মিশনে চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
সেখানে বলা হয়েছে, যে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে, সিরিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, ইরাক, সোমালিয়া, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, লিবিয়া, চাদ, মালি, তিউনিসিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর আবেদনকারীদের জমা দেওয়া প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যথাযথ যাচাইয়ের পর ভিসা দেওয়া যেতে পারে।
বিশ্ব ইজতেমা প্রথম পর্বে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাবলিগ জামাতের মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়েরের অনুসারীরা (শুরায়ী নেজাম) আয়োজন করবেন। আগামী ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদের অনুসারীরা আয়োজন করবেন। দুই গ্রুপেরই ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে হবে।

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাইয়ের পর ভিসা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যেসব দেশের উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত, সেসব দেশের অতিথিদের বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে তাবলিগ জামাত শুরাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। সভার কার্যপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৪ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সিরিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, ইরাক, সোমালিয়া, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, লিবিয়া, চাদ, মালি, তিউনিসিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর অতিথিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কঠোরতা অবলম্বন করবেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব বিদেশি মেহমানদের তালিকা, নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ সব তথ্য আগামী ২০ ডিসেম্বরের আগে শুরায়ে নিজাম/তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ কর্তৃক এসবিকে সরবরাহ করতে হবে।
বিশ্ব ইজতেমায় আসা বিদেশি মেহমানদের অনুকূলে সাধারণভাবে ৩০ দিন পর্যন্ত ভিসা দেওয়া হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে তাবলিগ জামাতের সুপারিশের ভিত্তিতে এক চিল্লার জন্য ৫০ দিন এবং তিন চিল্লার জন্য ১৩০ দিন ভিসা দিতে হবে।
বিদেশি মেহমানদের ভিসা দেওয়ার আগে শুরায়ে নিজাম/তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের আমন্ত্রণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দেশের মারকাজের সুপারিশ যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে ভিসা প্রদান করতে হবে। টিআই ভিসা নিয়ে মিয়ানমারের নাগরিকরা ইজতেমায় আসতে পারবে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেসব দেশের উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে ওই সব দেশের মেহমানদের বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে তাবলিগ জামাত শুরা কর্তৃক নিরুৎসাহিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ভিসা অন-অ্যারাইবল দেওয়ার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ভিসা অন এ্যারাইভাল, প্রদেয় ভিসার মেয়াদ, নো ভিসা ফি রিকয়ার্ড, বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতির যোগাযোগ নাই এমন দেশের মুসল্লিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের (নিরাপত্তা ও বহিরাগমন) নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
গত ৩ ডিসেম্বর ইজতেমার বিদেশি অতিথিদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্তের কথা উল্লেখ করে বিদেশে বাংলাদেশের সব মিশনে চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
সেখানে বলা হয়েছে, যে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে, সিরিয়া, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, ইরাক, সোমালিয়া, লেবানন, আফগানিস্তান, সুদান, লিবিয়া, চাদ, মালি, তিউনিসিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর আবেদনকারীদের জমা দেওয়া প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যথাযথ যাচাইয়ের পর ভিসা দেওয়া যেতে পারে।
বিশ্ব ইজতেমা প্রথম পর্বে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাবলিগ জামাতের মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়েরের অনুসারীরা (শুরায়ী নেজাম) আয়োজন করবেন। আগামী ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদের অনুসারীরা আয়োজন করবেন। দুই গ্রুপেরই ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে হবে।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচ
১৯ ঘণ্টা আগে
চরমোনাইর পিরসাহেব, ইসলামী আন্দোলনের আমির, উনি নির্বাচন করছেন না। সেই জায়গায় উনাদের যে নায়েবে আমির আছেন, ফয়জুল করীম সাহেব, আমরা তার জন্য আমাদের ক্যান্ডিডেটকে উইথড্র করবে। কারণ আমরা তো জোটে ছিলাম। সেই কন্ট্রিবিউশনের একটা সৌজন্যতার জন্য এ সিদ্ধান্ত।
১৯ ঘণ্টা আগে
নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে
২০ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে