
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বুথ ছাড়া পুরো কেন্দ্র থাকবে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) আওতায়। শুধু তাই নয়, ভোট গণনাও হবে সিসি ক্যামেরার সামনে।
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সময় সাইবার বুলিং ও গুজব দমনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার থেকেই ক্যাম্পাসের প্রবেশমুখ ও ভেতরে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। তিন ধাপে কাজ করছে পুলিশ। বুথ ছাড়া পুরো ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভোট গণনাও সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে সম্পন্ন হবে।
সাইবার বুলিং বা অনলাইনে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন অধ্যাপক জসিম। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থিত আইবিএ হোস্টেল, লেদার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, কবি সুফিয়া কামাল হলসহ প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ।
অধ্যাপক জসিম বলেন, নির্বাচনের দিন শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতের জন্য নিউ মার্কেটের লেন উন্মুক্ত রাখা হবে। ভোটের দিন ২৫০ জন বিএনসিসি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং সহকারী প্রক্টরের সংখ্যা বাড়ানো হবে। নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও উপস্থিত ছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এ এস এম মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর, সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল তুষার।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের ডিসি মো. মাসুদ আলম, এনএসআইয়ের পরিচালক ফারুক আহমদ, শাহবাগ ও নিউ মার্কেট থানার ওসি, বিএনসিসির প্রতিনিধি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বুথ ছাড়া পুরো কেন্দ্র থাকবে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) আওতায়। শুধু তাই নয়, ভোট গণনাও হবে সিসি ক্যামেরার সামনে।
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সময় সাইবার বুলিং ও গুজব দমনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ডাকসু নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার থেকেই ক্যাম্পাসের প্রবেশমুখ ও ভেতরে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। তিন ধাপে কাজ করছে পুলিশ। বুথ ছাড়া পুরো ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভোট গণনাও সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে সম্পন্ন হবে।
সাইবার বুলিং বা অনলাইনে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন অধ্যাপক জসিম। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থিত আইবিএ হোস্টেল, লেদার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, কবি সুফিয়া কামাল হলসহ প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ।
অধ্যাপক জসিম বলেন, নির্বাচনের দিন শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতের জন্য নিউ মার্কেটের লেন উন্মুক্ত রাখা হবে। ভোটের দিন ২৫০ জন বিএনসিসি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং সহকারী প্রক্টরের সংখ্যা বাড়ানো হবে। নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও উপস্থিত ছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এ এস এম মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর, সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল তুষার।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের ডিসি মো. মাসুদ আলম, এনএসআইয়ের পরিচালক ফারুক আহমদ, শাহবাগ ও নিউ মার্কেট থানার ওসি, বিএনসিসির প্রতিনিধি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।

জামায়াত আমির বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে।, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
১ দিন আগে
পরিবারের সদস্যদের আগ্রহ ঈদের আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে নিয়ে আসা। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
২ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩৬ সালের মধ্যে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি দল হওয়ার স্বপ্ন দেখে বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জোটের আশায় বসে না থেকে এককভাবে দেশব্যাপী দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এই দুজনের প্রার্থিতা ঘিরে দুজনের দলের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। আলোচনা চলছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও। এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনলাইন-অফলাইনে কথার লড়াইও থেমে নেই। ফলে দুজনের প্রার্থিতা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর সংসদের জোটবদ্ধ থাকা জামায়াত ও এনসিপির সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব
২ দিন আগে