
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের (কমলাপুর স্টেশন) প্রবেশ ও বাহির পথের ডিজিটাল স্ক্রিনে 'আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ' লেখা একটি স্লোগান দেখা গেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজছে স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথের দুটি স্ক্রিনে এই লেখা দেখা গেছে বলে জানা যায়।
এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথে যাত্রীদের বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য লাগানো ডিজিটাল স্ক্রিনে 'আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ' লেখা ভাসছে। এ স্ক্রিনে সাধারণত যাত্রীদের স্বাগতম জানানোসহ বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত হয়।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের একটি সূত্র জানায়, ভোর ৫টা ৫৭ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত ‘আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ’ লেখা স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত হওয়ার পর স্ক্রিন দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আরেকটি সূত্র জানায়, এ স্ক্রিন অপারেশনের দায়িত্বে রয়েছে রেলওয়ে ডিভিশনার ইলেক্ট্রিক বিভাগ। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মোবাররক। কিন্তু তার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে এড়িয়ে যান।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্টেশনে ব্যাপক তোলপাড় চলতে দেখা গেছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তাদের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমরা বিষয়টি জানতে পারি। কেউ কেউ বলছেন ভোর থেকেই স্ক্রিনে এমন লেখা দেখা গেছে। সকাল ৯টা ৫১ মিনিটে আমরা স্ক্রিন দুটি বন্ধ করি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের (কমলাপুর স্টেশন) প্রবেশ ও বাহির পথের ডিজিটাল স্ক্রিনে 'আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ' লেখা একটি স্লোগান দেখা গেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজছে স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথের দুটি স্ক্রিনে এই লেখা দেখা গেছে বলে জানা যায়।
এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথে যাত্রীদের বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য লাগানো ডিজিটাল স্ক্রিনে 'আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ' লেখা ভাসছে। এ স্ক্রিনে সাধারণত যাত্রীদের স্বাগতম জানানোসহ বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত হয়।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের একটি সূত্র জানায়, ভোর ৫টা ৫৭ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত ‘আওয়ামী লীগ জিন্দাবাদ’ লেখা স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত হওয়ার পর স্ক্রিন দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আরেকটি সূত্র জানায়, এ স্ক্রিন অপারেশনের দায়িত্বে রয়েছে রেলওয়ে ডিভিশনার ইলেক্ট্রিক বিভাগ। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মোবাররক। কিন্তু তার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে এড়িয়ে যান।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্টেশনে ব্যাপক তোলপাড় চলতে দেখা গেছে। ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তাদের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, সকাল ৯টার দিকে আমরা বিষয়টি জানতে পারি। কেউ কেউ বলছেন ভোর থেকেই স্ক্রিনে এমন লেখা দেখা গেছে। সকাল ৯টা ৫১ মিনিটে আমরা স্ক্রিন দুটি বন্ধ করি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে