
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজনীতি ডটকম

প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ এখন কোথায়-সে বিষয়ে কেউই সুস্পষ্ট তথ্যদিতে পারছেন না। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের ধারণা তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন।
তবে তারা বলছেন, বিদেশে যাওয়ার তথ্য ঠিক কিনা-তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ৬ জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ সেদিনই বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদকে) হাজির হওয়ার তারিখ রয়েছে।
বেপরোয়া দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার এক মাস পর নিজ ফেসবুক আইডি থেকে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর। এর কিছুদিন পর দুদক অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দেয়।
সাবেক এই পুলিশ প্রধানের এখন খোঁজ নেই। কেউ বলছেন, বিদেশে চলে গেছেন। আবার কেউ বলছেন, তার খোঁজ জানেন না।
দুর্নীতির অভিযোগ আসার পর বিরোধী দলের নেতারা সাবেক পুলিশ প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছেন।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলেছেন, অপরাধী যেই হোক বিচারের মুখোমুখি করা হবে। অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান সরকারি দলের নেতারা।
তদন্ত চলমান অবস্থায় বেনজীর আহমেদ দেশ ছেড়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সে এখনো দেশে আছে, না বিদেশ চলে গেছে-এটা আমি জানি না।’
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে চিঠি দেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ৩৪ বছর ৭ মাস চাকরি করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অবসরে যান। অবসর গ্রহণের পর দেখা যায়, বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও কন্যাদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে, যা তার আয়ের তুলনায় অসম।
পরে গত ২৩ মে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পত্তিও ৩৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ২৬ মে বেনজীর আহমেদের নামে, তার স্ত্রীর নামে ও মেয়ের নামে থাকা ১১৯টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।
এর আগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে থাকা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স(বিও) হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ দিকে শনিবার এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “পত্রিকায় দেখলাম বেনজীর চলে গেছে… হি লেফট দ্য কান্ট্রি। মে মাসের ৪ তারিখ সপরিবারে চলে গেছে। যাওয়ার আগে তার অ্যাকাউন্টগুলো সে খালি করে গেছে, ফিক্সড অ্যাকাউন্টগুলো… সেখানে ৬০ কোটি টাকার মতো যেটা পত্রিকায় এসেছে… হয়ত আরও বেশি হতে পারে।”
তিনি বলেন, “আমার প্রশ্ন সে কীভাবে গেল? এই যে সরকার বলল, তার সম্পত্তি আমরা ক্রোক করছি.. আদালত থেকে বলল, দুদক থেকে মামলা করেছে…. তাকে কোথাও যেতে দেওয়া হবে না… এসব বলা হলো। তাহলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে করে কীভাবে চলে গেল… সরকারের চোখের-নাকের ওপর দিয়ে।”
এর আগে গত শুক্রবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এটার তো প্রক্রিয়া আছে। সে প্রক্রিয়ায় দুদক তদন্ত করছে। মামলার পর আদালত ঠিক করবে, কখন গ্রেপ্তার করবে, জেলে পাঠাবে। এটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হবে।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদকে তলব করেছে দুদক, আগামী ৬ জুনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা।
গত ২৮ মে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ছাড়া অপর এক নোটিশে বেনজীরের স্ত্রী ও সন্তানদেরও আগামী ৯ জুন হাজির হতে বলেছে দুদক।

প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ এখন কোথায়-সে বিষয়ে কেউই সুস্পষ্ট তথ্যদিতে পারছেন না। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের ধারণা তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন।
তবে তারা বলছেন, বিদেশে যাওয়ার তথ্য ঠিক কিনা-তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ৬ জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ সেদিনই বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদকে) হাজির হওয়ার তারিখ রয়েছে।
বেপরোয়া দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার এক মাস পর নিজ ফেসবুক আইডি থেকে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর। এর কিছুদিন পর দুদক অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দেয়।
সাবেক এই পুলিশ প্রধানের এখন খোঁজ নেই। কেউ বলছেন, বিদেশে চলে গেছেন। আবার কেউ বলছেন, তার খোঁজ জানেন না।
দুর্নীতির অভিযোগ আসার পর বিরোধী দলের নেতারা সাবেক পুলিশ প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছেন।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলেছেন, অপরাধী যেই হোক বিচারের মুখোমুখি করা হবে। অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান সরকারি দলের নেতারা।
তদন্ত চলমান অবস্থায় বেনজীর আহমেদ দেশ ছেড়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সে এখনো দেশে আছে, না বিদেশ চলে গেছে-এটা আমি জানি না।’
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে চিঠি দেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ৩৪ বছর ৭ মাস চাকরি করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অবসরে যান। অবসর গ্রহণের পর দেখা যায়, বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও কন্যাদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে, যা তার আয়ের তুলনায় অসম।
পরে গত ২৩ মে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পত্তিও ৩৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ২৬ মে বেনজীর আহমেদের নামে, তার স্ত্রীর নামে ও মেয়ের নামে থাকা ১১৯টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।
এর আগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী জিশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর এবং ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে থাকা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স(বিও) হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ দিকে শনিবার এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “পত্রিকায় দেখলাম বেনজীর চলে গেছে… হি লেফট দ্য কান্ট্রি। মে মাসের ৪ তারিখ সপরিবারে চলে গেছে। যাওয়ার আগে তার অ্যাকাউন্টগুলো সে খালি করে গেছে, ফিক্সড অ্যাকাউন্টগুলো… সেখানে ৬০ কোটি টাকার মতো যেটা পত্রিকায় এসেছে… হয়ত আরও বেশি হতে পারে।”
তিনি বলেন, “আমার প্রশ্ন সে কীভাবে গেল? এই যে সরকার বলল, তার সম্পত্তি আমরা ক্রোক করছি.. আদালত থেকে বলল, দুদক থেকে মামলা করেছে…. তাকে কোথাও যেতে দেওয়া হবে না… এসব বলা হলো। তাহলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে করে কীভাবে চলে গেল… সরকারের চোখের-নাকের ওপর দিয়ে।”
এর আগে গত শুক্রবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এটার তো প্রক্রিয়া আছে। সে প্রক্রিয়ায় দুদক তদন্ত করছে। মামলার পর আদালত ঠিক করবে, কখন গ্রেপ্তার করবে, জেলে পাঠাবে। এটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হবে।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদকে তলব করেছে দুদক, আগামী ৬ জুনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা।
গত ২৮ মে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ছাড়া অপর এক নোটিশে বেনজীরের স্ত্রী ও সন্তানদেরও আগামী ৯ জুন হাজির হতে বলেছে দুদক।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তিনি সত্যিই স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করছেন, নাকি এর পেছনে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধারাবাহিক সমালোচনা, অভিশংসনের দাবি এবং রাজনৈতিক চাপ ভূমিকা রেখেছে।
২ দিন আগে
নৈতিক স্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলটি আলোচনা সভা, প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং নেত্রকোনার পূর্বধলার কাজলা গ্রামে কর্নেল তাহেরের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচি পালন করে।
৩ দিন আগে