
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সেখানে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে হাসপাতালের পথে রওয়ানা দেন খালেদা জিয়া। দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছান।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
পরে রাত পৌনে ২টার দিকে হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে গত রাতে খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এরপর বোর্ডের সিদ্ধান্তেই তাকে আজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তার আরও কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
খালেদা জিয়ার এই ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও বলেন, এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পেলে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে উনাকে (খালেদা জিয়া) কবে ছুটি দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে। এই মুহূর্তে উনার অবস্থা স্থিতিশীল। উনি হাসপাতালের কেবিনে আছেন।
এর আগে সবশেষ গত ২৮ আগস্ট রাতে একই হাসপাতালে কয়েকটি পরীক্ষা করেন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তিনি বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন।
২০১৮ সাল থেকে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদনের পরও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি তৎকালীন সরকার। এমনকি শর্তসাপেক্ষে তাকে নিজ বাসায় থাকতে দেওয়া হলেও দেশ ছাড়তে দেওয়া হয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন মামলা থেকে খালাস পান খালেদা জিয়া। সাজামুক্ত হওয়ার পর গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান তিনি। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে টানা ১৭ দিন চিকিৎসা নেন। পরে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় অবস্থান করেন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।
চিকিৎসা শেষে গত ৬ মে খালেদা জিয়া দেশে ফেরেন। এরপর থেকে নিজ বাসা ফিরোজাতেই অবস্থান করছেন তিনি। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা করছে। বাসায় থাকলেও মাঝে মাঝে শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে যেতে হয়।

রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সেখানে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে হাসপাতালের পথে রওয়ানা দেন খালেদা জিয়া। দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছান।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
পরে রাত পৌনে ২টার দিকে হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে গত রাতে খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এরপর বোর্ডের সিদ্ধান্তেই তাকে আজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তার আরও কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
খালেদা জিয়ার এই ব্যক্তিগত চিকিৎসক আরও বলেন, এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পেলে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে উনাকে (খালেদা জিয়া) কবে ছুটি দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে। এই মুহূর্তে উনার অবস্থা স্থিতিশীল। উনি হাসপাতালের কেবিনে আছেন।
এর আগে সবশেষ গত ২৮ আগস্ট রাতে একই হাসপাতালে কয়েকটি পরীক্ষা করেন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তিনি বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন।
২০১৮ সাল থেকে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদনের পরও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি তৎকালীন সরকার। এমনকি শর্তসাপেক্ষে তাকে নিজ বাসায় থাকতে দেওয়া হলেও দেশ ছাড়তে দেওয়া হয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন মামলা থেকে খালাস পান খালেদা জিয়া। সাজামুক্ত হওয়ার পর গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান তিনি। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে টানা ১৭ দিন চিকিৎসা নেন। পরে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় অবস্থান করেন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।
চিকিৎসা শেষে গত ৬ মে খালেদা জিয়া দেশে ফেরেন। এরপর থেকে নিজ বাসা ফিরোজাতেই অবস্থান করছেন তিনি। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা করছে। বাসায় থাকলেও মাঝে মাঝে শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে যেতে হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
২ দিন আগে
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার, আমাকে এক সময় কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক করা হয়েছিল, কিন্তু এতে আমার সম্মতি ছিল না। আমাকে না জানিয়েই, তাদের ইচ্ছা মতো ওই তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
২ দিন আগে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু।
২ দিন আগে
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
২ দিন আগে