
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসিয়ে বাসায় ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় আজ সোমবার ভোরে আবার `হঠাৎ করে’ এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া খালেদা জিয়ার ‘জীবন হুমকির মুখে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনকে দেখে আসার পর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ ভোরের দিকে হঠাৎ করে উনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ হয়ে পড়েন। উনার অনেক অসুখ আছে যা আমরা বার বার জাতির কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সরকার কোনো কেয়ার করেনি।”
‘‘ উনার জীবন হুমকির মুখে। এটা এরা (সরকার) ইনটেনশনালি করছে বলে আমরা মনে করি।”
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘এখন এটা জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে যে, দেশনেত্রীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। উনার প্রতি যে অন্যায় করা হচ্ছে, চরম অন্যায়… এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এভাবে আটকে রেখে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।”
‘‘ আজকে তিনি হাসপাতালে এসেছেন। হঠাৎ করে আসতে হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও তাকে হাসপাতালে আসতে হয়েছে। ক্রমাগত অত্যন্ত জটিল অসুখগুলো তাকে আক্রমণ করছে। সেক্ষেত্রে আমরা বার বার বলেছি যে, তার চিকিৎসাটা দরকার বিদেশে মাল্টি ডিসেপ্ল্যানারি চিকিৎসা কেন্দ্রে। কিন্তু দু্র্ভাগ্যজনক হচ্ছে তারা (সরকার) প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না।”
সোমবার ভোরে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় ‘হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএনপি চেয়ারপারসনকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধায়নে কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।
২২ জুন গভীর রাতে গুলশানের বাসায় ‘হঠা অসুস্থ’ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্সে করে বেগম খালেদা জিয়াকে করোনারী কেয়ার ইউনিটে(সিসিইউ)ভর্তি করা হয়। পরদিনই তার হৃদপিন্ডে পেসমেকার বসানোর সফলভাবে বসানো হয়। দুইদিন সিসিইউতে থাকার পর মেডিকেল বোর্ড সিসিইউ‘র সকল সুবিধা নিয়ে কেবিনে কয়েকদিন থেকে গত ২ জুলাই এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন লিভার বিশেষজ্ঞ এনে তার লিভারে অস্ত্রোপচার করা হয়।
অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষ চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে তার ব্যাক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান।
দুপুর ১২টায় মির্জা ফখরুল এভারকেয়ার হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসকদের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে অবহিত হন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘‘ ম্যাডামকে চব্বিশ ঘণ্টা মনিটর করছেন চিকিৎসকরা।”
‘নিঃশর্ত মুক্তির আন্দোলন চলবে’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আন্দোলন আমরা করছি। ভবিষ্যতে আরো আন্দোলন হবে। আমরা চেষ্টা করবো এই আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার।”
‘‘ কিন্তু কতটা অমানবিক এরা যে তারা বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টাকে গুরুত্ব দিতে চায় না। তারা এমন এমন কথা বলে যে, উনার সঠিক চিকিৎসা …. সঠিক চিকিৎসা তো উনার কোনো মতেই হচ্ছে না। যারা বাইরে থেকে চিকিৎসা দিতে এসেছিলেন তারা পর্যন্ত বলেছেন, সি নিডস সার্জারি আউট সাইড দ্যা কান্ট্রি যেখানে মাল্টি ডিসিপ্ল্যানারি ট্রিটমেন্টটা হয় এখন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে … আমি চিকিৎসক নই যে, বলতেও পারব না। তবে যেটা বুঝি যদি তাকে অতিদ্রুত মুক্তি দিলে আমরা স্বাস্থ্যের ব্যাপারটা দেখতে পারি যাতে তিনি সেখানে যেতে পারেন, চিকিৎসা নিতে পারেন।”
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ আমরা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করি। কখনোই আমরা অগণতান্ত্রিক পথে কোনো কিছু করতে চাই না।”
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।

হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসিয়ে বাসায় ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় আজ সোমবার ভোরে আবার `হঠাৎ করে’ এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া খালেদা জিয়ার ‘জীবন হুমকির মুখে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনকে দেখে আসার পর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ ভোরের দিকে হঠাৎ করে উনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ হয়ে পড়েন। উনার অনেক অসুখ আছে যা আমরা বার বার জাতির কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সরকার কোনো কেয়ার করেনি।”
‘‘ উনার জীবন হুমকির মুখে। এটা এরা (সরকার) ইনটেনশনালি করছে বলে আমরা মনে করি।”
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘এখন এটা জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে যে, দেশনেত্রীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। উনার প্রতি যে অন্যায় করা হচ্ছে, চরম অন্যায়… এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এভাবে আটকে রেখে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।”
‘‘ আজকে তিনি হাসপাতালে এসেছেন। হঠাৎ করে আসতে হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও তাকে হাসপাতালে আসতে হয়েছে। ক্রমাগত অত্যন্ত জটিল অসুখগুলো তাকে আক্রমণ করছে। সেক্ষেত্রে আমরা বার বার বলেছি যে, তার চিকিৎসাটা দরকার বিদেশে মাল্টি ডিসেপ্ল্যানারি চিকিৎসা কেন্দ্রে। কিন্তু দু্র্ভাগ্যজনক হচ্ছে তারা (সরকার) প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না।”
সোমবার ভোরে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় ‘হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএনপি চেয়ারপারসনকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধায়নে কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।
২২ জুন গভীর রাতে গুলশানের বাসায় ‘হঠা অসুস্থ’ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্সে করে বেগম খালেদা জিয়াকে করোনারী কেয়ার ইউনিটে(সিসিইউ)ভর্তি করা হয়। পরদিনই তার হৃদপিন্ডে পেসমেকার বসানোর সফলভাবে বসানো হয়। দুইদিন সিসিইউতে থাকার পর মেডিকেল বোর্ড সিসিইউ‘র সকল সুবিধা নিয়ে কেবিনে কয়েকদিন থেকে গত ২ জুলাই এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন লিভার বিশেষজ্ঞ এনে তার লিভারে অস্ত্রোপচার করা হয়।
অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষ চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে তার ব্যাক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান।
দুপুর ১২টায় মির্জা ফখরুল এভারকেয়ার হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসকদের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে অবহিত হন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘‘ ম্যাডামকে চব্বিশ ঘণ্টা মনিটর করছেন চিকিৎসকরা।”
‘নিঃশর্ত মুক্তির আন্দোলন চলবে’ :
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আন্দোলন আমরা করছি। ভবিষ্যতে আরো আন্দোলন হবে। আমরা চেষ্টা করবো এই আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার।”
‘‘ কিন্তু কতটা অমানবিক এরা যে তারা বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টাকে গুরুত্ব দিতে চায় না। তারা এমন এমন কথা বলে যে, উনার সঠিক চিকিৎসা …. সঠিক চিকিৎসা তো উনার কোনো মতেই হচ্ছে না। যারা বাইরে থেকে চিকিৎসা দিতে এসেছিলেন তারা পর্যন্ত বলেছেন, সি নিডস সার্জারি আউট সাইড দ্যা কান্ট্রি যেখানে মাল্টি ডিসিপ্ল্যানারি ট্রিটমেন্টটা হয় এখন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে … আমি চিকিৎসক নই যে, বলতেও পারব না। তবে যেটা বুঝি যদি তাকে অতিদ্রুত মুক্তি দিলে আমরা স্বাস্থ্যের ব্যাপারটা দেখতে পারি যাতে তিনি সেখানে যেতে পারেন, চিকিৎসা নিতে পারেন।”
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ আমরা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করি। কখনোই আমরা অগণতান্ত্রিক পথে কোনো কিছু করতে চাই না।”
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।

জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদ দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান ও সংস্কারের পক্ষে একমত হলে যেকোনো রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলবে জামায়াত।
৮ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
২০ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে