
রাজশাহী ব্যুরো

সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি ’৬৯-এর গণঅভুত্থান দেখেছি, ’৯০-এর গণঅভুত্থানও দেখেছি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেসব গণঅভুত্থানের চেয়েও বেশি জনসমর্থন নিয়ে আন্দোলন করছেন। ভেতরে ভেতরে একটা বিরাট গণঅভুত্থান ঘটে গেছে। তাই সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।'
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও অসহযোগ কর্মসূচিতে বিএনপির পূর্ণ সমর্থন আছে জানিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্য মিনু বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো গুলি করে হত্যা করবে; আমরা চুপ থাকতে পারি না। আমরা নিজেদের জান দেব। আমাদের উপরে গুলি করুক। আমাদের জীবনের শেষ সময়। কিন্তু তাদের (শিক্ষার্থী) আমরা হত্যা হতে দেব না। প্রয়োজনে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে বুক পেতে দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের এই সমর্থন দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীবাসীকে আমরা অনুরোধ করব- ছাত্র সমাজের অসহযোগ আন্দোলন, এটা আজকে জাতির মুক্তির আন্দোলন। এই অসহযোগ আন্দোলনে তারা যা যা অনুরোধ করেছে তার সবকিছু মেনে চলার অনুরোধ জানাচ্ছি। অভিভাবকরা মা হিসেবে, কেউ বাবা হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমি বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে আমার নৈতিক সমর্থন আছে। আমাদের মহাসচিব সাহেব বলে দিয়েছেন, সব নেতা-কর্মীদের এই আন্দোলনকারীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবো।’
শাপলা চত্বর থেকে হেফাজতের নেতা-কর্মীদের লাশ যেভাবে গুম করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে ছাত্র আন্দোলনের লাশ গুম করা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মিনু বলেন, ‘আন্দোলনে ৩২ শিশুসহ হাজারখানেক মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে মৃতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে দুই শর কম। শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ৬৭টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ কবর দেওয়া হয়েছে। মহানগর কবরস্থানে আরও ৪৮টি বেওয়ারিশ লাশের দাফন হয়েছে। দুই দিনে এত লাশ এল কোথা থেকে? তার মানে মৃতের সংখ্যা কম দেখানো হচ্ছে।’
রাজশাহীতে বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী মহানগর এলাকায় সম্প্রতি ১৬টি মামলা করেছে পুলিশ। সেই মামলায় পুলিশ ধরপাকড় করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে। রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। নেতা-কর্মীরা কেউ বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না।’
সরকার পদত্যাগ করলেই দেশের সব সংকটময় পরিস্থিতি কেটে যাবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন মিজানুর রহমান মিনু।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবুল কাশেম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক ডা. ওয়াসিম হোসেন প্রমুখ।

সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি ’৬৯-এর গণঅভুত্থান দেখেছি, ’৯০-এর গণঅভুত্থানও দেখেছি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেসব গণঅভুত্থানের চেয়েও বেশি জনসমর্থন নিয়ে আন্দোলন করছেন। ভেতরে ভেতরে একটা বিরাট গণঅভুত্থান ঘটে গেছে। তাই সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।'
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও অসহযোগ কর্মসূচিতে বিএনপির পূর্ণ সমর্থন আছে জানিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্য মিনু বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো গুলি করে হত্যা করবে; আমরা চুপ থাকতে পারি না। আমরা নিজেদের জান দেব। আমাদের উপরে গুলি করুক। আমাদের জীবনের শেষ সময়। কিন্তু তাদের (শিক্ষার্থী) আমরা হত্যা হতে দেব না। প্রয়োজনে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে বুক পেতে দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের এই সমর্থন দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীবাসীকে আমরা অনুরোধ করব- ছাত্র সমাজের অসহযোগ আন্দোলন, এটা আজকে জাতির মুক্তির আন্দোলন। এই অসহযোগ আন্দোলনে তারা যা যা অনুরোধ করেছে তার সবকিছু মেনে চলার অনুরোধ জানাচ্ছি। অভিভাবকরা মা হিসেবে, কেউ বাবা হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমি বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে আমার নৈতিক সমর্থন আছে। আমাদের মহাসচিব সাহেব বলে দিয়েছেন, সব নেতা-কর্মীদের এই আন্দোলনকারীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবো।’
শাপলা চত্বর থেকে হেফাজতের নেতা-কর্মীদের লাশ যেভাবে গুম করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে ছাত্র আন্দোলনের লাশ গুম করা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মিনু বলেন, ‘আন্দোলনে ৩২ শিশুসহ হাজারখানেক মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে মৃতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে দুই শর কম। শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ৬৭টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ কবর দেওয়া হয়েছে। মহানগর কবরস্থানে আরও ৪৮টি বেওয়ারিশ লাশের দাফন হয়েছে। দুই দিনে এত লাশ এল কোথা থেকে? তার মানে মৃতের সংখ্যা কম দেখানো হচ্ছে।’
রাজশাহীতে বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী মহানগর এলাকায় সম্প্রতি ১৬টি মামলা করেছে পুলিশ। সেই মামলায় পুলিশ ধরপাকড় করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে। রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। নেতা-কর্মীরা কেউ বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না।’
সরকার পদত্যাগ করলেই দেশের সব সংকটময় পরিস্থিতি কেটে যাবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন মিজানুর রহমান মিনু।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবুল কাশেম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক ডা. ওয়াসিম হোসেন প্রমুখ।

বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
১৮ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।
১ দিন আগে