
নাটোর প্রতিনিধি

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। খায়রুল হক অবসর জীবনে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও ভালো পদে পদায়নের আশায় শেখ হাসিনাকে খুশি করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কথায় প্রভাবিত হয়ে ওই বিচারপতি ২০১১ সালের ১০ মে দেওয়া সংক্ষিপ্ত রায় জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবর্তন করে বেআইনিভাবে ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।
তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার জন্যই দেশে আওয়ামী লীগ এত সন্ত্রাস অরাজকতা করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠে এবং দেশের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য গণহত্যা চালায়। তাই আওয়ামী লীগের করা সব অপরাধের জন্য বিচারপতি খায়রুল হকও সমভাবে দায়ী। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি।
জনসভায় দুলু আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অশান্ত করতে চায়, দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের কোনও নেতাকর্মীকে দেখা না গেলেও তারা ফেসবুকে সরব। আত্মগোপনে থেকে তারা ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে দেশকে অশান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল দলীয় ফেসবুক পেজ থেকেও প্রতিদিন নিয়ম করে দেশবিরোধী মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এসব বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় স্থানীয় রামশার কাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম, ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, নাটোর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এমদাদুল হক আল মামুন, জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, ছাত্রদল সভাপতি কামরুল ইসলাম, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির নেতা হাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। খায়রুল হক অবসর জীবনে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও ভালো পদে পদায়নের আশায় শেখ হাসিনাকে খুশি করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কথায় প্রভাবিত হয়ে ওই বিচারপতি ২০১১ সালের ১০ মে দেওয়া সংক্ষিপ্ত রায় জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবর্তন করে বেআইনিভাবে ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।
তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার জন্যই দেশে আওয়ামী লীগ এত সন্ত্রাস অরাজকতা করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠে এবং দেশের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য গণহত্যা চালায়। তাই আওয়ামী লীগের করা সব অপরাধের জন্য বিচারপতি খায়রুল হকও সমভাবে দায়ী। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি।
জনসভায় দুলু আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অশান্ত করতে চায়, দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের কোনও নেতাকর্মীকে দেখা না গেলেও তারা ফেসবুকে সরব। আত্মগোপনে থেকে তারা ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে দেশকে অশান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল দলীয় ফেসবুক পেজ থেকেও প্রতিদিন নিয়ম করে দেশবিরোধী মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এসব বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় স্থানীয় রামশার কাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম, ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, নাটোর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এমদাদুল হক আল মামুন, জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, ছাত্রদল সভাপতি কামরুল ইসলাম, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির নেতা হাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২১ ঘণ্টা আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে