
বাসস

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াাজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, ভিন্নমত থাকলেও জাতীয় স্বার্থে আমরা একমত। রাজনীতিতে বহুমুখী চিন্তার সৌন্দর্যই হচ্ছে দ্বিমত। আর এই দ্বিমতের পরিভাষা হচ্ছে বহুদলীয় গণতন্ত্র। যেটাকে আমরা পরোক্ষভাবে একমত বলে অভিহিত করে থাকি।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর আল্লামা সরোয়ার কামাল আজিজী সভাপতিত্ব করেন।
আলাল বলেন, রাজনীতিতে আমাদের ভিন্ন দলের ভিন্ন মত থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারে আমরা একমত। আধিপত্যবাদ বিরোধী বলতে আমরা শুধু ভারতকে নয়, আমার দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর যাদের আগ্রাসী মনোভাব থাকবে, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদেরকে প্রতিবাদ ও সোচ্চার আওয়াজ অব্যাহত থাকবে।
আলাল বলেন, আওয়ামী লীগকে অবশ্যই জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ১৫ বছরে তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করতে হবে। এখন পর্যন্ত তারা একবারের জন্যেও বলেনি যে, আমরা অপরাধ করেছি। জাতির কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এরপর দেখতে হবে জাতি তাদের ক্ষমা করেছে কিনা। পুলিশের আইজিপি, র্যাবের ডিজি, বিজিবি প্রধান, সেনাবাহিনী জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দল যেটার ভিত্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষ, সেই আওয়ামী লীগের কোনো নেতা আজ পর্যন্ত বলেনি যে, আমরা ১৫ বছরে গুম, খুন, ভোটাধিকার হরণ, ২৪ এর জুলাই-আগষ্ট গণহত্যার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাই।
যুবদলের সাবেক সভাপতি আলাল বলেন, আওয়ামী লীগ জন্ম থেকেই তাদের দলের নামের সাথে নিজেদের চরিত্র পরিবর্তনের ইতিহাস রয়েছে। তাদের জন্ম হয়েছে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে। কিছুদিন পরে মুসলিম কেটে শুধু আওয়ামী লীগ। এরপরে আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে বাকশাল করেছে। আবার কিছুদিন পরে আওয়ামী লীগ। জন্মের পর থেকে যারা চারবার নিজেদের নাম পরিবর্তন করে তাদের চরিত্রও ঘন ঘন পরিবর্তন হয়েছে। তাদের সাথে কোনো আপোষ হতে পারে না।
গোলটেবিল বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ দলটি শুধু চোরের দল নয়, এরা ডাকাত ও খুনির দল। এরা জবর দখল করে সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। অতএব এদের ব্যাপারে কোনো কম্প্রোমাইজ করা উচিত হবে বলে আমি মনে করি না। আগে এদের বিচার করতে হবে। বিচার করে শাস্তি দিতে হবে। বিচার ছাড়া তাদেরকে কোনো স্কোপ আমরা দিতে চাই না এবং দিতে পারি না।
এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৭১ সালে বাংলাদেশকে সাহায্য করার পেছনে ভারতের একটা স্বার্থ ছিল। ভারত পাকিস্তান ভাঙার জন্য আমাদেরকে সাহায্য করেছে। তার মানে এই নয় যে, আমরা আপনাদের বন্ধু ভাবার পরিবর্তে আনুগত্য করবো।
গোল টেবিল বৈঠকে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফ আলোচনায় অংশ নেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াাজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, ভিন্নমত থাকলেও জাতীয় স্বার্থে আমরা একমত। রাজনীতিতে বহুমুখী চিন্তার সৌন্দর্যই হচ্ছে দ্বিমত। আর এই দ্বিমতের পরিভাষা হচ্ছে বহুদলীয় গণতন্ত্র। যেটাকে আমরা পরোক্ষভাবে একমত বলে অভিহিত করে থাকি।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর আল্লামা সরোয়ার কামাল আজিজী সভাপতিত্ব করেন।
আলাল বলেন, রাজনীতিতে আমাদের ভিন্ন দলের ভিন্ন মত থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারে আমরা একমত। আধিপত্যবাদ বিরোধী বলতে আমরা শুধু ভারতকে নয়, আমার দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর যাদের আগ্রাসী মনোভাব থাকবে, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদেরকে প্রতিবাদ ও সোচ্চার আওয়াজ অব্যাহত থাকবে।
আলাল বলেন, আওয়ামী লীগকে অবশ্যই জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ১৫ বছরে তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করতে হবে। এখন পর্যন্ত তারা একবারের জন্যেও বলেনি যে, আমরা অপরাধ করেছি। জাতির কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। এরপর দেখতে হবে জাতি তাদের ক্ষমা করেছে কিনা। পুলিশের আইজিপি, র্যাবের ডিজি, বিজিবি প্রধান, সেনাবাহিনী জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দল যেটার ভিত্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষ, সেই আওয়ামী লীগের কোনো নেতা আজ পর্যন্ত বলেনি যে, আমরা ১৫ বছরে গুম, খুন, ভোটাধিকার হরণ, ২৪ এর জুলাই-আগষ্ট গণহত্যার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাই।
যুবদলের সাবেক সভাপতি আলাল বলেন, আওয়ামী লীগ জন্ম থেকেই তাদের দলের নামের সাথে নিজেদের চরিত্র পরিবর্তনের ইতিহাস রয়েছে। তাদের জন্ম হয়েছে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে। কিছুদিন পরে মুসলিম কেটে শুধু আওয়ামী লীগ। এরপরে আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে বাকশাল করেছে। আবার কিছুদিন পরে আওয়ামী লীগ। জন্মের পর থেকে যারা চারবার নিজেদের নাম পরিবর্তন করে তাদের চরিত্রও ঘন ঘন পরিবর্তন হয়েছে। তাদের সাথে কোনো আপোষ হতে পারে না।
গোলটেবিল বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ দলটি শুধু চোরের দল নয়, এরা ডাকাত ও খুনির দল। এরা জবর দখল করে সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। অতএব এদের ব্যাপারে কোনো কম্প্রোমাইজ করা উচিত হবে বলে আমি মনে করি না। আগে এদের বিচার করতে হবে। বিচার করে শাস্তি দিতে হবে। বিচার ছাড়া তাদেরকে কোনো স্কোপ আমরা দিতে চাই না এবং দিতে পারি না।
এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৭১ সালে বাংলাদেশকে সাহায্য করার পেছনে ভারতের একটা স্বার্থ ছিল। ভারত পাকিস্তান ভাঙার জন্য আমাদেরকে সাহায্য করেছে। তার মানে এই নয় যে, আমরা আপনাদের বন্ধু ভাবার পরিবর্তে আনুগত্য করবো।
গোল টেবিল বৈঠকে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফ আলোচনায় অংশ নেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২১ ঘণ্টা আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে