
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যখন ফাঁস হয়, তখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী করে-সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা গঠন করা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিএনপির এই নেতা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এসব প্রশ্ন করেন।
রিজভী বলেন, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গোটা জাতিকে একটা ইস্যুপ্রেমী বানানোর চেষ্টা করছে এই ডামি সরকার। সে কারণে একেক সময় একেক ঘটনা ঘটাচ্ছে এই সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, বেনজীর-আজিজরা যে দুর্নীতি করেছে, অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা যে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে-আপনার গোয়েন্দা বাহিনীগুলো কী করছে? তারা কি এসব দেখছে না? তাদের কি শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে? তা না হলে একজন পিয়ন কী করে ৬০ কোটি টাকার মালিক হন। একজন ড্রাইভার কী করে ১০০ কোটি টাকার মালিক হন-সেটা কেনো তারা জানবে না?
রিজভী বলেন, যখন বিসিএসের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তখন কি গোয়েন্দা বিভাগ ঘুমিয়ে থাকে? যখন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তখন তারা কী করে? তারা কি এসব ক্ষেত্রে সত্যি সত্যি ঘুমায়, না জেগে ঘুমায়? তা না হলে এত দুর্নীতি হয় কী করে?
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বুক চিরে পার্শ্ববর্তী দেশের রেললাইন নিয়ে যাবে, আমাদের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার জন্য এই কাজগুলো করা হচ্ছে। অথচ আমাদের সীমান্তে যখন এ দেশের নাগরিকদেরকে হত্যা করা হয়, রক্তাক্ত করা হয়, তখন সরকারিভাবে কোনো প্রতিবাদ করা হয় না, তারা নিশ্চুপ হয়ে যায়। অথচ সেই দেশের স্বার্থে আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে রেলের করিডোর দেওয়া হচ্ছে।
রিজভী বলেন, প্রতিবেশী দেশ তাদের রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশের জমিনকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। অর্থাৎ বাংলাদেশকে একটা চিরস্থায়ী আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, আন্তর্জাতিক খেলাধুলার মধ্যে ফেলে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা তারা হাতে নিয়েছে। সে কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকার জনগণের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে দিচ্ছেন নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য, দেশবিরোধী সব চুক্তি করার জন্য। তাই কখনো আমরা দেখছি আজিজ কাণ্ড, কখনো দেখছি বেনজীর কাণ্ড, কখনো দেখছি পিএসসির ড্রাইভার কাণ্ড, কখনো দেখছি মতিউর কাণ্ড-একের পর এক কাণ্ড আমরা দেখতে পাচ্ছি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সব নির্যাতনের পরও সত্যের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য এবং মানুষের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের জন্য আমাদের লড়াই, আমাদের রাজনীতি আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র যখন ফাঁস হয়, তখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী করে-সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা গঠন করা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিএনপির এই নেতা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এসব প্রশ্ন করেন।
রিজভী বলেন, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গোটা জাতিকে একটা ইস্যুপ্রেমী বানানোর চেষ্টা করছে এই ডামি সরকার। সে কারণে একেক সময় একেক ঘটনা ঘটাচ্ছে এই সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, বেনজীর-আজিজরা যে দুর্নীতি করেছে, অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা যে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে-আপনার গোয়েন্দা বাহিনীগুলো কী করছে? তারা কি এসব দেখছে না? তাদের কি শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে? তা না হলে একজন পিয়ন কী করে ৬০ কোটি টাকার মালিক হন। একজন ড্রাইভার কী করে ১০০ কোটি টাকার মালিক হন-সেটা কেনো তারা জানবে না?
রিজভী বলেন, যখন বিসিএসের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তখন কি গোয়েন্দা বিভাগ ঘুমিয়ে থাকে? যখন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তখন তারা কী করে? তারা কি এসব ক্ষেত্রে সত্যি সত্যি ঘুমায়, না জেগে ঘুমায়? তা না হলে এত দুর্নীতি হয় কী করে?
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বুক চিরে পার্শ্ববর্তী দেশের রেললাইন নিয়ে যাবে, আমাদের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার জন্য এই কাজগুলো করা হচ্ছে। অথচ আমাদের সীমান্তে যখন এ দেশের নাগরিকদেরকে হত্যা করা হয়, রক্তাক্ত করা হয়, তখন সরকারিভাবে কোনো প্রতিবাদ করা হয় না, তারা নিশ্চুপ হয়ে যায়। অথচ সেই দেশের স্বার্থে আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে রেলের করিডোর দেওয়া হচ্ছে।
রিজভী বলেন, প্রতিবেশী দেশ তাদের রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশের জমিনকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। অর্থাৎ বাংলাদেশকে একটা চিরস্থায়ী আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, আন্তর্জাতিক খেলাধুলার মধ্যে ফেলে দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা তারা হাতে নিয়েছে। সে কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকার জনগণের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে দিচ্ছেন নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য, দেশবিরোধী সব চুক্তি করার জন্য। তাই কখনো আমরা দেখছি আজিজ কাণ্ড, কখনো দেখছি বেনজীর কাণ্ড, কখনো দেখছি পিএসসির ড্রাইভার কাণ্ড, কখনো দেখছি মতিউর কাণ্ড-একের পর এক কাণ্ড আমরা দেখতে পাচ্ছি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সব নির্যাতনের পরও সত্যের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য এবং মানুষের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের জন্য আমাদের লড়াই, আমাদের রাজনীতি আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে