
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কোটা আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা আগলে রাখার জন্য এই সরকার এখনো খুন-গুম, মামলা দিয়ে হয়রানি এবং রিমান্ডের নামে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। অনেককে আদালতে উঠানোর আগেই নির্যাতন করে পঙ্গু করা হচ্ছে। পরে আবার বিচার বিভাগকে দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, নুরুল হক নুরুকে রিমান্ড শেষে আদালতে নিয়ে আসার সময় গণমাধ্যমে যে চিত্র এসেছে তা যেকোনো মানুষকে আলোড়িত করবে। রিমান্ডে তাকে এমনভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, যে তিনি দাঁড়াতেই পারছেন না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ছাত্রদের গুলি করে পঙ্গু করে হাসপাতালে দেখতে যাওয়া, মায়াকান্না এবং সাহায্য করার কথা বলা জনগণকে প্রতারণা করার আরেকটি নজির। তাই এই সরকারকে বলব, সব হত্যাকাণ্ডের দায় নিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন।
ফখরুল বলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্য মিরর এশিয়ার ঢাকা প্রতিনিধি সাঈদ খানকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার নিন্দা জানান। সাঈদ সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ লেলিয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং রাতভর তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অবৈধ পন্থায় সরকার ক্ষমতায় আসার পরে অবৈধভাবে ক্ষমতা আগলে রাখার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে ক্ষমতার মসনদ ধরে রেখেছে। তার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল, সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস অফিসারকে হত্যার ঘটনা, সাজানো রায় দিয়ে খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান, ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে হয়রানি এবং খুন-গুম, রিমান্ডের নামে নির্যাতন অব্যাহত রাখা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সরকার সৃষ্ট সন্ত্রাসের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হত্যা-নির্যাতনের পর এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দিয়ে সাজানো মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিরোধী মতের নেতাদের হত্যা, গ্রেপ্তার, গুলি করে আদালতে উঠানোর আগেই নির্যাতন করে পঙ্গু করা হচ্ছে এবং বিচার বিভাগকে দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে আবারও নির্যাতন চালানো হচ্ছে।’

কোটা আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায় নিয়ে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৭ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা আগলে রাখার জন্য এই সরকার এখনো খুন-গুম, মামলা দিয়ে হয়রানি এবং রিমান্ডের নামে নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। অনেককে আদালতে উঠানোর আগেই নির্যাতন করে পঙ্গু করা হচ্ছে। পরে আবার বিচার বিভাগকে দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, নুরুল হক নুরুকে রিমান্ড শেষে আদালতে নিয়ে আসার সময় গণমাধ্যমে যে চিত্র এসেছে তা যেকোনো মানুষকে আলোড়িত করবে। রিমান্ডে তাকে এমনভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, যে তিনি দাঁড়াতেই পারছেন না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ছাত্রদের গুলি করে পঙ্গু করে হাসপাতালে দেখতে যাওয়া, মায়াকান্না এবং সাহায্য করার কথা বলা জনগণকে প্রতারণা করার আরেকটি নজির। তাই এই সরকারকে বলব, সব হত্যাকাণ্ডের দায় নিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন।
ফখরুল বলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্য মিরর এশিয়ার ঢাকা প্রতিনিধি সাঈদ খানকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার নিন্দা জানান। সাঈদ সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ লেলিয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং রাতভর তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অবৈধ পন্থায় সরকার ক্ষমতায় আসার পরে অবৈধভাবে ক্ষমতা আগলে রাখার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে ক্ষমতার মসনদ ধরে রেখেছে। তার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল, সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস অফিসারকে হত্যার ঘটনা, সাজানো রায় দিয়ে খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান, ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে হয়রানি এবং খুন-গুম, রিমান্ডের নামে নির্যাতন অব্যাহত রাখা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সরকার সৃষ্ট সন্ত্রাসের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হত্যা-নির্যাতনের পর এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দিয়ে সাজানো মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিরোধী মতের নেতাদের হত্যা, গ্রেপ্তার, গুলি করে আদালতে উঠানোর আগেই নির্যাতন করে পঙ্গু করা হচ্ছে এবং বিচার বিভাগকে দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে আবারও নির্যাতন চালানো হচ্ছে।’

বিবৃতিতে তিনি জানান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী দেবে না। এই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হবে। দুই আসনেই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন মাওলানা মামুনুল হকের
১৮ ঘণ্টা আগে
সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক আবুল হাশেম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিযোগ তিনটির বিষয়ে ইসি থেকে আশ্বস্ত হয়েছি। আমরা আরও আশ্বস্ত হতে চাই। তারা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন আমরা আজকের মতো কর্মসূচি এখানে স্থগিত করি। সেজন্য ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আমরা সাময়িকভাবে এই কর্মসূচি এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা করছি।
১ দিন আগে