
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ ইঁদুরের গর্তে ঢুকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে জেলা বিএনপির এক সম্প্রীতির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দুইটা বছর। আমি আমার মাটি, আমি আমার ভাই, আমার রাজনৈতিক কর্মী ও আমার নেতা সবাইকে ছেড়ে বিদেশ ছিলাম। কাজ করেছি, এ বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য। অনেকে বলে টুকু পালিয়ে গেছে, আর ফিরে আসবে না। টুকু পালাই নাই। সরকার জানতো টুকু কোথায় আছে, সরকার দেখেছে আমি ওয়াশিংটনে বসে মিটিং করছি। সরকার দেখেছে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে মিটিং করছি। সরকার জানে আমি ব্যাংকককে বসে আছি। কিন্তু তোমাদের (আওয়ামী লীগ) মতো ইঁদুরের গর্তে ঢুকি নাই। আমার দলেরও কিছু নেতা বলেছে টুকু শেষ হয়ে গেছে। টুকুক দরকার নাই। আমি এ মাটিতে এসেছি। টুকুর পরিবার কোনদিনও পালাইয়া যায় নাই। টুকুর পরিবার সিরাজগঞ্জের মানুষের পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে।
টুকু নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি বুঝি, তোমাদের মনের ভাষা। আমি বুঝি, আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের অত্যাচারের কথা। কিন্তু আমাদের বেশি উচ্ছ্বসিত হওয়া যাবে না। আমরা মুসলমান, কোরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে, কোনো কিছুই বেশি ভালো না। বেশি করলে ইজ্জত থাকে না। যেমন খুনি হাসিনার থাকে নাই। যারা মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে তাদের স্থান বিএনপিতে হবে না।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী) আমিরুল ইসলাম আলীম।
এর আগে মিথ্যা দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে পরিবার, স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের ছেড়ে দীর্ঘ দুই বছর দেশের বাইরে ছিলেন টুকু। কিন্তু গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ৬ অক্টোবর দেশে ফিরলেও নিজ জন্মস্থান সিরাজগঞ্জে ফেরেন। এদিকে তার এ আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সব স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও লাখ লাখ ভক্তরা এ সম্প্রীতির সমাবেশ স্থলে সমবেত হন।

আওয়ামী লীগ ইঁদুরের গর্তে ঢুকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে জেলা বিএনপির এক সম্প্রীতির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দুইটা বছর। আমি আমার মাটি, আমি আমার ভাই, আমার রাজনৈতিক কর্মী ও আমার নেতা সবাইকে ছেড়ে বিদেশ ছিলাম। কাজ করেছি, এ বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য। অনেকে বলে টুকু পালিয়ে গেছে, আর ফিরে আসবে না। টুকু পালাই নাই। সরকার জানতো টুকু কোথায় আছে, সরকার দেখেছে আমি ওয়াশিংটনে বসে মিটিং করছি। সরকার দেখেছে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে মিটিং করছি। সরকার জানে আমি ব্যাংকককে বসে আছি। কিন্তু তোমাদের (আওয়ামী লীগ) মতো ইঁদুরের গর্তে ঢুকি নাই। আমার দলেরও কিছু নেতা বলেছে টুকু শেষ হয়ে গেছে। টুকুক দরকার নাই। আমি এ মাটিতে এসেছি। টুকুর পরিবার কোনদিনও পালাইয়া যায় নাই। টুকুর পরিবার সিরাজগঞ্জের মানুষের পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে।
টুকু নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি বুঝি, তোমাদের মনের ভাষা। আমি বুঝি, আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের অত্যাচারের কথা। কিন্তু আমাদের বেশি উচ্ছ্বসিত হওয়া যাবে না। আমরা মুসলমান, কোরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে, কোনো কিছুই বেশি ভালো না। বেশি করলে ইজ্জত থাকে না। যেমন খুনি হাসিনার থাকে নাই। যারা মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে তাদের স্থান বিএনপিতে হবে না।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী) আমিরুল ইসলাম আলীম।
এর আগে মিথ্যা দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে পরিবার, স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের ছেড়ে দীর্ঘ দুই বছর দেশের বাইরে ছিলেন টুকু। কিন্তু গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ৬ অক্টোবর দেশে ফিরলেও নিজ জন্মস্থান সিরাজগঞ্জে ফেরেন। এদিকে তার এ আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সব স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও লাখ লাখ ভক্তরা এ সম্প্রীতির সমাবেশ স্থলে সমবেত হন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে