
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

এতগুলো মানুষ হত্যার পর এখনো আওয়ামী লীগ অনুতপ্ত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জে জামতৈল ধোপাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আওয়ামী লীগ এত মানুষ হত্যার পরও অনুতপ্ত হয়নি। কারণ ওরা এক ধরনের সাপ। আর বিএনপির কেউ যদি সেই সাপের সঙ্গে আঁতাত করে, তাহলে সেই সাপের বিষেই সে মারা যাবে।
তিনি আরও বলেন, খুনি শেখ হাসিনা জনগণের রোষানলে এ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তার ছাওপাও যা আছে তারাও দেশ ত্যাগ করে চলে গেছে। কিন্তু আমি শুনতে পাই কিছু কিছু আওয়ামী লীগের নেতা এখনো দেশে আছেন। শুধু সিরাজগঞ্জে না, সারাদেশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। তবে তারা নাকি বিএনপির নেতাকর্মীর ছত্রছায়ায় রয়েছেন। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে তারা বিএনপি করতে পারবে না। যারা বিএনপির সঙ্গে বেইমানি করে আওয়ামী লীগের হারাম টাকা খাবে। যে আওয়ামী লীগ উন্নয়নের নাম করে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার করেছে। একমাত্র শেখ হাসিনাই তার ছেলে, মেয়ে, বোন, ভাগ্নের নামে ৯০ হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে নিয়ে গেছেন।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী) আমীরুল ইসলাম খান আলীম, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস, কামারখন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান।

এতগুলো মানুষ হত্যার পর এখনো আওয়ামী লীগ অনুতপ্ত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জে জামতৈল ধোপাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আওয়ামী লীগ এত মানুষ হত্যার পরও অনুতপ্ত হয়নি। কারণ ওরা এক ধরনের সাপ। আর বিএনপির কেউ যদি সেই সাপের সঙ্গে আঁতাত করে, তাহলে সেই সাপের বিষেই সে মারা যাবে।
তিনি আরও বলেন, খুনি শেখ হাসিনা জনগণের রোষানলে এ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তার ছাওপাও যা আছে তারাও দেশ ত্যাগ করে চলে গেছে। কিন্তু আমি শুনতে পাই কিছু কিছু আওয়ামী লীগের নেতা এখনো দেশে আছেন। শুধু সিরাজগঞ্জে না, সারাদেশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। তবে তারা নাকি বিএনপির নেতাকর্মীর ছত্রছায়ায় রয়েছেন। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে তারা বিএনপি করতে পারবে না। যারা বিএনপির সঙ্গে বেইমানি করে আওয়ামী লীগের হারাম টাকা খাবে। যে আওয়ামী লীগ উন্নয়নের নাম করে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার করেছে। একমাত্র শেখ হাসিনাই তার ছেলে, মেয়ে, বোন, ভাগ্নের নামে ৯০ হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে নিয়ে গেছেন।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী) আমীরুল ইসলাম খান আলীম, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়েস, কামারখন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে