
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করে ভারত বাংলাদেশের বৈদেশিক বাজার দখল করার পাঁয়তারা করছে। তাই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থেকে দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টাস্কফোর্স গঠন করে দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে হবে।
শনিবার বিকালে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি ডিগ্রি কলেজ মাঠে গাজীপুর জেলা ও মহানগর শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
গার্মেন্টস, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সৃষ্টি হওয়া বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত পরিশোধের দাবি এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, আর কোনো উপায় না পেয়ে বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করতে শিল্প কারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টি করছে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন কিন্তু তার প্রেতাত্মা (ভূতরা) এখনও দেশের মধ্যেই আছেন। তারা এখন দেশের মধ্যে থেকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, বলেন, দেশের মধ্যে থেকে তারা ষড়যন্ত্র করছেন, তারা যে লুটপাট, চুরি করেছেন, বিদেশে টাকা পাচার করেছেন এগুলো ভুলতে পারছেন না। তারা ভাবছে যদি শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে পারতাম তাহলে আবার চুরি করতে পারতাম, লুটপাট করতে পারতাম। এজন্যই দেশের শিল্পকারখানা বিশেষ করে পোশাক শিল্প ধ্বংসের জন্য উঠেপড়ে লাগছেন। তাদের সঙ্গে বাহিরের শক্তি কাজ করছে। তারাই করছেন যাদের স্বার্থ রয়েছে, তারা জানে আমাদের শিল্প ধ্বংস হলে তাদের দেশে কাজ চলে যাবেন।
এসময় প্রাণ গ্রুপের মালিকের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তিনি দুঃখ করে বলছেন, ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও ভারতের ষড়যন্ত্রে তারা কাজ করতে পারছে না।
পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর গার্মেন্টস, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা তৈরির শুরু থেকেই এসব আন্দোলনের পেছনে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা দাবি করেছে তিনি।
এসময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, এ শিল্পকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। আপনারা নেতাকর্মীরা সবাই মিলে, শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে এদের প্রতিহত করুন। মনে রাখবেন দেশের ৫০ লাখ মানুষ এ পেশার সঙ্গে জড়িত। আমাদের বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ এ শিল্প থেকে আসে।
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, তার সময় আমাদের অনেক মানুষকে হত্যা করেছে, শ্রমিক দিনমজুর, ছাত্রদের হত্যা করেছে। নিজে ক্ষমতায় থাকার জন্য পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে নির্যাতন করেছে। এখন আমরা দম ফেলতে পারছি, রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।
অন্তবর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, ড. ইউনুসকে সারা পৃথিবীর মানুষ শ্রদ্ধা করেন। তিনি দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট লোকদের নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। আমরা তাদের বলেছি আওয়ামী লীগের জঞ্জাল মুক্ত করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে। আমরা ভোট দিতে চাই, ভোটের মাধ্যমে সরকার ও পার্লামেন্ট নির্বাচন করতে চাই। আমরা ভারত সরকারকে বলেছি যিনি খুনি, দেশে গণহত্যা চালিয়েছেন, অসংখ্য খুনের মামলার আসামি, যিনি দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে তাকে আশ্রয় দিবেন। তারা আমাদের কথার জবাব দেয়নি। আমরা বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে বলেছি অবলম্বনে দেশ ধ্বংসকারী শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে ভারতের কাছে ফেরত পাঠাতে চিঠি দেন।
এসময় আবারও দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের সৃষ্ট জঞ্জাল পরিষ্কার করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। জনগণ আশা করে, সরকার তাদের কথা শুনবে। বাংলাদেশের মানুষ তার প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির সহ শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মজিবুর রহমান ও হাসান উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার প্রমুখ। সমাবেশে মহানগর ও জেলার শ্রমিক দল এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করে ভারত বাংলাদেশের বৈদেশিক বাজার দখল করার পাঁয়তারা করছে। তাই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থেকে দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টাস্কফোর্স গঠন করে দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে হবে।
শনিবার বিকালে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি ডিগ্রি কলেজ মাঠে গাজীপুর জেলা ও মহানগর শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
গার্মেন্টস, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সৃষ্টি হওয়া বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত পরিশোধের দাবি এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, আর কোনো উপায় না পেয়ে বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করতে শিল্প কারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টি করছে শেখ হাসিনা ও তার দোসররা।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন কিন্তু তার প্রেতাত্মা (ভূতরা) এখনও দেশের মধ্যেই আছেন। তারা এখন দেশের মধ্যে থেকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, বলেন, দেশের মধ্যে থেকে তারা ষড়যন্ত্র করছেন, তারা যে লুটপাট, চুরি করেছেন, বিদেশে টাকা পাচার করেছেন এগুলো ভুলতে পারছেন না। তারা ভাবছে যদি শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে পারতাম তাহলে আবার চুরি করতে পারতাম, লুটপাট করতে পারতাম। এজন্যই দেশের শিল্পকারখানা বিশেষ করে পোশাক শিল্প ধ্বংসের জন্য উঠেপড়ে লাগছেন। তাদের সঙ্গে বাহিরের শক্তি কাজ করছে। তারাই করছেন যাদের স্বার্থ রয়েছে, তারা জানে আমাদের শিল্প ধ্বংস হলে তাদের দেশে কাজ চলে যাবেন।
এসময় প্রাণ গ্রুপের মালিকের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তিনি দুঃখ করে বলছেন, ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। কিন্তু সেখানেও ভারতের ষড়যন্ত্রে তারা কাজ করতে পারছে না।
পাঁচ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর গার্মেন্টস, ওষুধসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা তৈরির শুরু থেকেই এসব আন্দোলনের পেছনে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা দাবি করেছে তিনি।
এসময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, এ শিল্পকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। আপনারা নেতাকর্মীরা সবাই মিলে, শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে এদের প্রতিহত করুন। মনে রাখবেন দেশের ৫০ লাখ মানুষ এ পেশার সঙ্গে জড়িত। আমাদের বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগ এ শিল্প থেকে আসে।
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, তার সময় আমাদের অনেক মানুষকে হত্যা করেছে, শ্রমিক দিনমজুর, ছাত্রদের হত্যা করেছে। নিজে ক্ষমতায় থাকার জন্য পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে নির্যাতন করেছে। এখন আমরা দম ফেলতে পারছি, রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।
অন্তবর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, ড. ইউনুসকে সারা পৃথিবীর মানুষ শ্রদ্ধা করেন। তিনি দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট লোকদের নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। আমরা তাদের বলেছি আওয়ামী লীগের জঞ্জাল মুক্ত করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে। আমরা ভোট দিতে চাই, ভোটের মাধ্যমে সরকার ও পার্লামেন্ট নির্বাচন করতে চাই। আমরা ভারত সরকারকে বলেছি যিনি খুনি, দেশে গণহত্যা চালিয়েছেন, অসংখ্য খুনের মামলার আসামি, যিনি দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে তাকে আশ্রয় দিবেন। তারা আমাদের কথার জবাব দেয়নি। আমরা বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে বলেছি অবলম্বনে দেশ ধ্বংসকারী শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে ভারতের কাছে ফেরত পাঠাতে চিঠি দেন।
এসময় আবারও দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের সৃষ্ট জঞ্জাল পরিষ্কার করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। জনগণ আশা করে, সরকার তাদের কথা শুনবে। বাংলাদেশের মানুষ তার প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির সহ শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মজিবুর রহমান ও হাসান উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার প্রমুখ। সমাবেশে মহানগর ও জেলার শ্রমিক দল এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে