
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু চক্রান্ত শুরু করেছেন। তিনি এখনো নয়ছয় শুরু করেছেন। ছাত্ররা তার পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
চুপ্পু এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন পদত্যাগ না কি দৃশ্যমান নয়, সঠিক নয়। ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগ উৎখাত হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে সেখানে তার পদত্যাগ কোনো বিষয় নয়। একথা বলে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করে লাভ হবে না। আপনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার জন্য আপনাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আপনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির এ শীর্ষ নেতা।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নরসিংদী সদর উপজেলার নূরালাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিও এখন পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজবেন। আমি আশা করবো যদি তার ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকে, শেখ হাসিনার মতো যদি পরিণতি না হয় তাহলে তিনি সসম্মানে পদত্যাগ করবেন। পদত্যাগ করে এ নাটকের অবসান ঘটাবেন। জনগণ তাকে আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না। কারণ তিনি আওয়ামী লীগকে প্রদর্শন করছেন। বিভিন্ন জায়গায় গণহত্যার কারণে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের দাবি উঠছে।
তিনি আরও বলেন, এ শহীদের রক্তের বদলে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা এখনও একটি রোডম্যাপ দিচ্ছে না কবে নাগাদ নির্বাচন হবে। জনগণ কিন্তু ভোট দেওয়ার জন্য বসে আছে।
নূরালাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছাদেকুর রহমান গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক খান বাদশা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল কবির ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদসহ জেলা ও বিএনপির অন্যান্য নেতারা।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু চক্রান্ত শুরু করেছেন। তিনি এখনো নয়ছয় শুরু করেছেন। ছাত্ররা তার পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
চুপ্পু এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন পদত্যাগ না কি দৃশ্যমান নয়, সঠিক নয়। ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগ উৎখাত হয়েছে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে সেখানে তার পদত্যাগ কোনো বিষয় নয়। একথা বলে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করে লাভ হবে না। আপনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার জন্য আপনাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আপনার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির এ শীর্ষ নেতা।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নরসিংদী সদর উপজেলার নূরালাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতিও এখন পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজবেন। আমি আশা করবো যদি তার ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকে, শেখ হাসিনার মতো যদি পরিণতি না হয় তাহলে তিনি সসম্মানে পদত্যাগ করবেন। পদত্যাগ করে এ নাটকের অবসান ঘটাবেন। জনগণ তাকে আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না। কারণ তিনি আওয়ামী লীগকে প্রদর্শন করছেন। বিভিন্ন জায়গায় গণহত্যার কারণে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের দাবি উঠছে।
তিনি আরও বলেন, এ শহীদের রক্তের বদলে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা এখনও একটি রোডম্যাপ দিচ্ছে না কবে নাগাদ নির্বাচন হবে। জনগণ কিন্তু ভোট দেওয়ার জন্য বসে আছে।
নূরালাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছাদেকুর রহমান গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক খান বাদশা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল কবির ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদসহ জেলা ও বিএনপির অন্যান্য নেতারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে