
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, খালেদা জিয়াকে সরকার ভয় পায়। আজকে যদি প্রধানমন্ত্রী শুনেন খালেদা জিয়া গুলশান থেকে প্রেস ক্লাবে আসছেন, তখন যে জনতার স্রোত নামবে সে আতংকেই তিনি হার্টফেল করতে পারেন। তা না হলে একটি মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন রাজনীতির উর্ধ্বে থেকে শত্রু হলেও মানবিক কারণে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিতবিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের যখন সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে পড়লেন তখন চাটার্ড বিমানযোগে তাকে বিদেশে নেওয়া হলো, আমরা প্রতিবাদ করিনি। কেন রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় করা চিকিৎসা করা হলো। বিএনপির শাসনামলে অনেক বিরোধী জোটের নেতৃবৃন্দের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর আজকে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থাতো করা হচ্ছেই না, বরং তার চিকিৎসা নিয়ে সরকার রাজনীতি করছে।
সালাম বলেন, আজকে দেশের মানুষ মরে গেলে, না খেয়ে থাকলে এ সরকারের কিছু আসে যায় না। সীমান্তে নিরহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করলেও এদের কিছু আসে যায় না। কারণ এ সরকার জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত না। জনগণের ভোটের ওদের দরকার হয় না। যদি জনগণের ভোটের প্রয়োজন হতো তাহলে মানুষের জীবন নিয়ে এরা মসকারা করতো না। সরকার বলছে, দেশের মানুষ নাকি ভালো আছে। আরে ভালো আছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কারণ, তাদের কাছে লুটের অর্থ আছে।
তিনি বলেন, আজকে দুর্নীতি বন্ধের কথা উঠছে। এ দূর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে সরকারকে বিতাড়িত জরতে হবে। আইনের রক্ষককে বলবো দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে সরকারকে আইনের আওতায় আনুন। কারণ তারাইতো অবৈধভাবে জোড় করে ক্ষমতায় এসেছে। নিজেরাই দুর্নীতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। সারাদেশকে এরা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে।
তিনি বলেন, সরকার পুলিশকে দেখাচ্ছে, কাস্টমস এবং যারা কর কালেক্ট করে তাদের দেখাচ্ছে। কিন্তু তারা দুর্নীতি করার সুযোগটা পেলো কার কাছ থেকে? আওয়ামী লীগের কাছ থেকেই পেয়েছে। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং বিএনপিকে ঠেকাতে তাদের ব্যবহার করেছেন। বলেছেন- তোমরা যা ইচ্ছে করো, বিএনপিকে দাঁড়াতে দিবে না। তাহলেতো আগে আপনার বিচার হওয়া উচিত। হুমুকদাতাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রত্যেককে রাজপথে নেমে আসতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট পারভীন কাউসার মুন্নির সভাপতিত্বে মহাসচিব সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, খালেদা জিয়াকে সরকার ভয় পায়। আজকে যদি প্রধানমন্ত্রী শুনেন খালেদা জিয়া গুলশান থেকে প্রেস ক্লাবে আসছেন, তখন যে জনতার স্রোত নামবে সে আতংকেই তিনি হার্টফেল করতে পারেন। তা না হলে একটি মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন রাজনীতির উর্ধ্বে থেকে শত্রু হলেও মানবিক কারণে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিতবিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের যখন সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে পড়লেন তখন চাটার্ড বিমানযোগে তাকে বিদেশে নেওয়া হলো, আমরা প্রতিবাদ করিনি। কেন রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় করা চিকিৎসা করা হলো। বিএনপির শাসনামলে অনেক বিরোধী জোটের নেতৃবৃন্দের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর আজকে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থাতো করা হচ্ছেই না, বরং তার চিকিৎসা নিয়ে সরকার রাজনীতি করছে।
সালাম বলেন, আজকে দেশের মানুষ মরে গেলে, না খেয়ে থাকলে এ সরকারের কিছু আসে যায় না। সীমান্তে নিরহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করলেও এদের কিছু আসে যায় না। কারণ এ সরকার জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত না। জনগণের ভোটের ওদের দরকার হয় না। যদি জনগণের ভোটের প্রয়োজন হতো তাহলে মানুষের জীবন নিয়ে এরা মসকারা করতো না। সরকার বলছে, দেশের মানুষ নাকি ভালো আছে। আরে ভালো আছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কারণ, তাদের কাছে লুটের অর্থ আছে।
তিনি বলেন, আজকে দুর্নীতি বন্ধের কথা উঠছে। এ দূর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে সরকারকে বিতাড়িত জরতে হবে। আইনের রক্ষককে বলবো দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে সরকারকে আইনের আওতায় আনুন। কারণ তারাইতো অবৈধভাবে জোড় করে ক্ষমতায় এসেছে। নিজেরাই দুর্নীতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। সারাদেশকে এরা দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে।
তিনি বলেন, সরকার পুলিশকে দেখাচ্ছে, কাস্টমস এবং যারা কর কালেক্ট করে তাদের দেখাচ্ছে। কিন্তু তারা দুর্নীতি করার সুযোগটা পেলো কার কাছ থেকে? আওয়ামী লীগের কাছ থেকেই পেয়েছে। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং বিএনপিকে ঠেকাতে তাদের ব্যবহার করেছেন। বলেছেন- তোমরা যা ইচ্ছে করো, বিএনপিকে দাঁড়াতে দিবে না। তাহলেতো আগে আপনার বিচার হওয়া উচিত। হুমুকদাতাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রত্যেককে রাজপথে নেমে আসতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট পারভীন কাউসার মুন্নির সভাপতিত্বে মহাসচিব সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে