
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত থাকবে তাদের নির্বাচনি মনোনয়ন না দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘পানি, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: নির্বাচনি ইশতেহারে রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকার’ শীর্ষক মেনিফেস্টো টক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আমীর খসরু বলেন, শেখ হাসিনা পালানোর পর জনগণের মনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতিবিদদের সেই মনোভাব ধারণ করতে না পারলে, তাদের সামনে কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের উচিত জনগণের চিন্তা, চাহিদা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো।
বিএনপি পরিবেশ ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে খসরু বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে এবং জলবায়ু ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত জরুরি। বিএনপি জনগণকে সম্পৃক্ত করে ওয়াটার ম্যানেজমেন্টে কাজ করছে।
পরিবেশ রক্ষায় দলীয় উদ্যোগ তুলে ধরে আমীর খসরু জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩০ কোটি গাছ লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা যেভাবে প্রকৃতির সঙ্গে বড় হয়েছি মাছ, পাখি, গাছপালা তা এখন আর নেই। এসব ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে বিএনপি। পরিবেশ সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবভিত্তিক সমাধানে কাজ চলবে।
দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতিতে তরুণ এবং অবসরপ্রাপ্ত নাগরিকদের সক্রিয় সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি, জানান তিনি। পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গঠনে তরুণ প্রজন্মের পাশাপাশি অভিজ্ঞদের জ্ঞান ও শ্রম ব্যবহারের কৌশল প্রণয়ন চলছে।
গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের প্রশংসা করে আমীর খসরু বলেন, আমরা এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে পরিবেশ, কৃষি, খাদ্য ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছি এটাই গণতন্ত্রের সূচনা। রাজনীতির সংস্কৃতি না বদলালে শুধু সংস্কার দিয়ে কোনো লাভ হবে না।

পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত থাকবে তাদের নির্বাচনি মনোনয়ন না দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘পানি, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: নির্বাচনি ইশতেহারে রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকার’ শীর্ষক মেনিফেস্টো টক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আমীর খসরু বলেন, শেখ হাসিনা পালানোর পর জনগণের মনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতিবিদদের সেই মনোভাব ধারণ করতে না পারলে, তাদের সামনে কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের উচিত জনগণের চিন্তা, চাহিদা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো।
বিএনপি পরিবেশ ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে খসরু বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে এবং জলবায়ু ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত জরুরি। বিএনপি জনগণকে সম্পৃক্ত করে ওয়াটার ম্যানেজমেন্টে কাজ করছে।
পরিবেশ রক্ষায় দলীয় উদ্যোগ তুলে ধরে আমীর খসরু জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩০ কোটি গাছ লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা যেভাবে প্রকৃতির সঙ্গে বড় হয়েছি মাছ, পাখি, গাছপালা তা এখন আর নেই। এসব ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে বিএনপি। পরিবেশ সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবভিত্তিক সমাধানে কাজ চলবে।
দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতিতে তরুণ এবং অবসরপ্রাপ্ত নাগরিকদের সক্রিয় সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি, জানান তিনি। পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গঠনে তরুণ প্রজন্মের পাশাপাশি অভিজ্ঞদের জ্ঞান ও শ্রম ব্যবহারের কৌশল প্রণয়ন চলছে।
গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের প্রশংসা করে আমীর খসরু বলেন, আমরা এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে পরিবেশ, কৃষি, খাদ্য ইত্যাদি নিয়ে কথা বলছি এটাই গণতন্ত্রের সূচনা। রাজনীতির সংস্কৃতি না বদলালে শুধু সংস্কার দিয়ে কোনো লাভ হবে না।

যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তরুণদের সঠিক শিক্ষা ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগতভাবে দক্ষ করে তোলা হবে। এরপর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে যোগ্য ও সম্মানজনক কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি ডামাডোল শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘বিদ্রোহী’দের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নিতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। অনেককে বহিষ্কার করেছে দল থেকে। এরপর কেউ কেউ দলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেনদলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কেউ কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলেও নিয়
৬ ঘণ্টা আগে
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, আজ প্রমাণ করেছেন আপনারা সবাই একসঙ্গে আছেন। আপনাদের মূল্যবান সময় নিয়ে এখানে এসেছেন, আমাদের কথা শুনছেন এবং আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদের জানিয়েছেন। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সেগুলো আরও শুনবো, আরও জানবো।
১৯ ঘণ্টা আগে
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস থাকলেও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। তবে, এ দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণ ও সাবলীল জীবনযাপন করছে এবং কারো সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নেই। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ন
১৯ ঘণ্টা আগে