
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতো। এখন আর কেউ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারবে না। দেশে সংখ্যালঘুদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।’
তিনি আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র রুখে দাও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি বিজন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে ও ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুন দে’র সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণফোরামের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উপদেষ্টা অমলেন্দু দাস অপু, ভাইস-চেয়ারম্যান রমেশ দত্ত ও উপদেষ্টা তপন চন্দ্র মজুমদার এবং হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পলাতক প্রেতাত্মারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। তবে কোনো ষড়যন্ত্র আর টিকবে না। সম্মিলিতভাবে জাতি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।’
তিনি বলেন, ‘পরাজিত শক্তি আর ফিরে আসতে পারবে না। তারা যদি ফিরে আসতো তাহলে হিটলার ফিরে আসত, নমরুদ ফিরে আসত, চেঙ্গিস খান ফিরে আসত, আইয়ুব খান, টিক্কা খান-এরা ফিরে আসতো।”
নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে দেশের সকল নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে নিতাই রায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যুগে যুগে এদেশের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের মানুষ রুখে দিয়েছে। আজকে দেশ গড়ার সম্ভাবনা দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।’
সূত্র: বাসস

বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতো। এখন আর কেউ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারবে না। দেশে সংখ্যালঘুদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।’
তিনি আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র রুখে দাও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি বিজন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে ও ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুন দে’র সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণফোরামের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উপদেষ্টা অমলেন্দু দাস অপু, ভাইস-চেয়ারম্যান রমেশ দত্ত ও উপদেষ্টা তপন চন্দ্র মজুমদার এবং হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পলাতক প্রেতাত্মারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। তবে কোনো ষড়যন্ত্র আর টিকবে না। সম্মিলিতভাবে জাতি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।’
তিনি বলেন, ‘পরাজিত শক্তি আর ফিরে আসতে পারবে না। তারা যদি ফিরে আসতো তাহলে হিটলার ফিরে আসত, নমরুদ ফিরে আসত, চেঙ্গিস খান ফিরে আসত, আইয়ুব খান, টিক্কা খান-এরা ফিরে আসতো।”
নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে দেশের সকল নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে নিতাই রায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যুগে যুগে এদেশের মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করেছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের মানুষ রুখে দিয়েছে। আজকে দেশ গড়ার সম্ভাবনা দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।’
সূত্র: বাসস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
২ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে