
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্মীয় পরিচয়ে বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশি।’
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘কে মুসলমান, কে বৌদ্ধ, কে হিন্দু, মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন জিজ্ঞাসা কিন্তু ছিল না।’
‘গত ১৫ বছরে ভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর হামলার কোনও বিচার হয়নি। রামু বৌদ্ধ মন্দির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নাছিরনগরে হামলার তদন্ত ও বিচার কেন হলো না’ বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কোনও পরিস্থিতিই ছিল না। আমি মনে করি, ভবিষ্যতেও হবে না ইনশাআল্লাহ। কোনও কারণ নেই। হাতে গোনা দুয়েকটা ব্যতিক্রম ছাড়া সংখ্যালঘুকেন্দ্রিক হামলা ধর্মীয়ভাবে ঘটেনি।’
তিনি মত দেন, ‘যদিও আমরা দেখি, অবৈধ লুট করতে বা রাজনৈতিক অভিসন্ধি উদ্ধারে অধিকাংশ হামলাই দুর্বলের ওপর সবলের হামলা।’
বক্তব্যে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খিস্টান-আমরা কিন্তু একইসঙ্গে থেকে, পাশাপাশি থেকে বড় হয়ে থাকি।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ অতিথিরা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্মীয় পরিচয়ে বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশি।’
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘কে মুসলমান, কে বৌদ্ধ, কে হিন্দু, মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন জিজ্ঞাসা কিন্তু ছিল না।’
‘গত ১৫ বছরে ভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর হামলার কোনও বিচার হয়নি। রামু বৌদ্ধ মন্দির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নাছিরনগরে হামলার তদন্ত ও বিচার কেন হলো না’ বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কোনও পরিস্থিতিই ছিল না। আমি মনে করি, ভবিষ্যতেও হবে না ইনশাআল্লাহ। কোনও কারণ নেই। হাতে গোনা দুয়েকটা ব্যতিক্রম ছাড়া সংখ্যালঘুকেন্দ্রিক হামলা ধর্মীয়ভাবে ঘটেনি।’
তিনি মত দেন, ‘যদিও আমরা দেখি, অবৈধ লুট করতে বা রাজনৈতিক অভিসন্ধি উদ্ধারে অধিকাংশ হামলাই দুর্বলের ওপর সবলের হামলা।’
বক্তব্যে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খিস্টান-আমরা কিন্তু একইসঙ্গে থেকে, পাশাপাশি থেকে বড় হয়ে থাকি।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ অতিথিরা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

বার্তায় তিনি বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে। ‘হ্যাঁ’-তে আপনি নিজে সিল দিন। আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার এই সুযোগ নেবো।”
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তায় যেন কোনো ধরনের ফাঁক না থাকে।
১০ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
১০ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, আফিয়ার মতো দেশে এমন অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে। বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে, শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গ
১০ ঘণ্টা আগে