
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হলে অন্যায়কারী অপরাধীরা পার পাবে না। অনেকে পালিয়েছেন তাাঁও পার পাবেন না। চুল চেরা বিশ্লেষণ করে শেখ হাসিনার অপরাধের বিচার হবে। তার অপরাধ জণসমুক্ষে প্রকাশ হবে।
তিনি শনিবার রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়া গ্রামের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন সহধর্মিণী আইভি রিজভী, ইঞ্জিনিয়ার ইকবালুর রহমান খোকন।
রিজভী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করা, বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, স্বাধীন ভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ প্রকৃত গণতন্ত্রের শর্ত ও উপাদান পুরণে আবু সাঈদদের আত্মত্যাগ ।তা না হলে আবু সাঈদদের আত্মা কখনও শান্তি পাবে না। আবু সাঈদের আত্মত্যাগ আত্মদানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেরে যে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা ছিল, আমরা যে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারতাম না, তার এই আত্মদানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পরাজয় এবং গণতন্ত্রের শুভ সম্ভাবনার যে পরিবেশ প্রস্তুত হয়েছে, সে জন্য আল্লাহর দরবারে আবু সাঈদসহ সাম্প্রতিক কিশোর কিশোরীদের যেই আন্দোলন, সেই আন্দোলনে যারা আত্মদান করেছেন তাদের প্রত্যোকের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, শুধু একটি অবাধ সুষ্ঠু নিবার্চনই নয়, অবাধ সুষ্ঠ নিবার্চনের পাশাপাশি, আইনের শাসন নিশ্চিত করা, সেখানে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, যে রাজনৈতিক দল বা যে রাজনৈতিক দর্শন বা বিশ্বাসে মানুষ বিশ্বাসি সেটি যাতে মুক্তভাবে নির্ভয়ে মানুষ প্রকাশ করতে পারে সেটি হচ্ছে প্রকৃত গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যইতো আবু সাঈদরা জীবন দিয়েছে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকাল সরকার, যাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে এই অন্তর্বর্তীকাল সরকার গঠিত হয়েছে নিশ্চিই সবাই একটা যৌক্তিক সময়ে নিবার্চন হবে। অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নিবার্চন হবে। আমাদেরও যারা নিবার্চনে বিজয়ী হবেন বা হবেন না, অংশগ্রহনরত প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের, প্রকৃত গণতন্ত্রের অন্যান্য যে শর্তগুলো রয়েছে, যেই উপাদান গুলো আছে, সেই উপাদানগুলোর চর্চা করে তা পুরণ করার জন্য তাদেরকে চেষ্টা করতে হবে।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যেভাবে কিছুটা মুক্ত নিশ্বাস নিতে পারছি সেজন্য আজকে আমরা প্রত্যেকে উদ্বুদ্ধ। জণগণের শক্তির উপরে কোন শক্তি নাই, এই শক্তির ভাণ্ডার হচ্ছে কিশোর তরুণ, যুগ যুগেই কিশোর তরুণরাই রাস্তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তখন কোন দজ্জাল, ভয়ংকর, ফ্যাসিষ্ট, ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, অহংকার করে মন্ত্রীরা বলতেন অমুকের কন্যা পালিয়ে যাবেন না, যে কন্যা মানুষের কন্ঠরুদ্ধ করেছে, যে কন্যা তার নিজের দেশের জনগণকে শুধুমাত্র তার অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে গুম করেছে, খুন করেছে, নিরুদ্দেশ করেছে, বিচার বহির্ভুত হত্যা করেছে। দেশের ১৮ কোটি মানুষ যাদের অতীতে অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছে। সেই সকল লড়াইয়ে সুত্র ধরে আবু সাঈদরা সর্বশেষ লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছে। যেটাকে বলা হচ্ছে দ্বিতীয় স্বাধীনতা। আবু সাঈদ দ্বিতীয় স্বাধীনতার মহান নায়ক, প্রধান সেক্টর কমান্ডার।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারেক রহমান বার্তা পাঠিয়েছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবু সাঈদের নামে এ অঞ্চলে পীরগঞ্জ, রংপুর বা ঢাকায় বৃহৎ জনহীতকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। সেটি বড় ধরনের হাসপাতাল কিংবা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় তার নামে করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও পীরগঞ্জ উপজেলা যুব দলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, মদনখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব শাহ্ জাহান আলী সরকার, মদনখালী ইউপির বিএনপির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সাজু, ৭নং বড় আলমপুর ইউপির বিএনপির আহবায়ক শরিফুল ইসলাম, ৮নং ইউপি বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফা মিয়া, পীরগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব সেলিম মিয়া, ৫ মদনখালী ইউপির বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদুল হক, যুব দলের আহবায়ক মহসীন আলী, যুগ্ন আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম, সদস্য তোতা মিয়া, ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক দুদু মিয়াসহ আরো অনেকে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হলে অন্যায়কারী অপরাধীরা পার পাবে না। অনেকে পালিয়েছেন তাাঁও পার পাবেন না। চুল চেরা বিশ্লেষণ করে শেখ হাসিনার অপরাধের বিচার হবে। তার অপরাধ জণসমুক্ষে প্রকাশ হবে।
তিনি শনিবার রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়া গ্রামের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন সহধর্মিণী আইভি রিজভী, ইঞ্জিনিয়ার ইকবালুর রহমান খোকন।
রিজভী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করা, বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, স্বাধীন ভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ প্রকৃত গণতন্ত্রের শর্ত ও উপাদান পুরণে আবু সাঈদদের আত্মত্যাগ ।তা না হলে আবু সাঈদদের আত্মা কখনও শান্তি পাবে না। আবু সাঈদের আত্মত্যাগ আত্মদানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেরে যে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা ছিল, আমরা যে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারতাম না, তার এই আত্মদানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পরাজয় এবং গণতন্ত্রের শুভ সম্ভাবনার যে পরিবেশ প্রস্তুত হয়েছে, সে জন্য আল্লাহর দরবারে আবু সাঈদসহ সাম্প্রতিক কিশোর কিশোরীদের যেই আন্দোলন, সেই আন্দোলনে যারা আত্মদান করেছেন তাদের প্রত্যোকের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, শুধু একটি অবাধ সুষ্ঠু নিবার্চনই নয়, অবাধ সুষ্ঠ নিবার্চনের পাশাপাশি, আইনের শাসন নিশ্চিত করা, সেখানে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, যে রাজনৈতিক দল বা যে রাজনৈতিক দর্শন বা বিশ্বাসে মানুষ বিশ্বাসি সেটি যাতে মুক্তভাবে নির্ভয়ে মানুষ প্রকাশ করতে পারে সেটি হচ্ছে প্রকৃত গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যইতো আবু সাঈদরা জীবন দিয়েছে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকাল সরকার, যাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে এই অন্তর্বর্তীকাল সরকার গঠিত হয়েছে নিশ্চিই সবাই একটা যৌক্তিক সময়ে নিবার্চন হবে। অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নিবার্চন হবে। আমাদেরও যারা নিবার্চনে বিজয়ী হবেন বা হবেন না, অংশগ্রহনরত প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের, প্রকৃত গণতন্ত্রের অন্যান্য যে শর্তগুলো রয়েছে, যেই উপাদান গুলো আছে, সেই উপাদানগুলোর চর্চা করে তা পুরণ করার জন্য তাদেরকে চেষ্টা করতে হবে।
রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যেভাবে কিছুটা মুক্ত নিশ্বাস নিতে পারছি সেজন্য আজকে আমরা প্রত্যেকে উদ্বুদ্ধ। জণগণের শক্তির উপরে কোন শক্তি নাই, এই শক্তির ভাণ্ডার হচ্ছে কিশোর তরুণ, যুগ যুগেই কিশোর তরুণরাই রাস্তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তখন কোন দজ্জাল, ভয়ংকর, ফ্যাসিষ্ট, ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, অহংকার করে মন্ত্রীরা বলতেন অমুকের কন্যা পালিয়ে যাবেন না, যে কন্যা মানুষের কন্ঠরুদ্ধ করেছে, যে কন্যা তার নিজের দেশের জনগণকে শুধুমাত্র তার অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে গুম করেছে, খুন করেছে, নিরুদ্দেশ করেছে, বিচার বহির্ভুত হত্যা করেছে। দেশের ১৮ কোটি মানুষ যাদের অতীতে অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছে। সেই সকল লড়াইয়ে সুত্র ধরে আবু সাঈদরা সর্বশেষ লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছে। যেটাকে বলা হচ্ছে দ্বিতীয় স্বাধীনতা। আবু সাঈদ দ্বিতীয় স্বাধীনতার মহান নায়ক, প্রধান সেক্টর কমান্ডার।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারেক রহমান বার্তা পাঠিয়েছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবু সাঈদের নামে এ অঞ্চলে পীরগঞ্জ, রংপুর বা ঢাকায় বৃহৎ জনহীতকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। সেটি বড় ধরনের হাসপাতাল কিংবা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় তার নামে করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও পীরগঞ্জ উপজেলা যুব দলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, মদনখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব শাহ্ জাহান আলী সরকার, মদনখালী ইউপির বিএনপির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সাজু, ৭নং বড় আলমপুর ইউপির বিএনপির আহবায়ক শরিফুল ইসলাম, ৮নং ইউপি বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফা মিয়া, পীরগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব সেলিম মিয়া, ৫ মদনখালী ইউপির বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদুল হক, যুব দলের আহবায়ক মহসীন আলী, যুগ্ন আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম, সদস্য তোতা মিয়া, ওয়ার্ড বিএনপি আহবায়ক দুদু মিয়াসহ আরো অনেকে।

শুক্রবার মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হওয়া মন্ত্রীদের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও। তিনি মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ছয় মাসের যাত্রায় ‘পদোন্নতি’ পেলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি, একই মন্ত্রণালয়ে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দে
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে