
প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জনগণের চেতনা ও সেন্টিমেন্টকে ধারণ করতে হবে। কারণ এ জনগণ মনে করছে এখনি এ দেশে একটা নির্বাচন প্রয়োজন। যদি এ দেশে খুব অল্প সময়ের মধ্যে যৌক্তি সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হয় তাহলে ওই ষড়যন্ত্র যে কোন সময় আমাদের উপর আবার আঘাত হানতে পারে। তাহলে দেশের মানুষের আরেকটি বড় বিপদ কঠিন বিপদ হয়ে যেতে পারে। এসময় সংস্কার করতে বেশী সময় না নেয়ার দাবী জানান তিনি।
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির এ নেতা।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহবান বাইরের দেশে বসে ভিডিও বার্তা দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সেই অপশক্তি যদি ছোবল মারে থাবা মারে তাহলে গণতন্ত্রের ভীত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনার নির্বাচন কমিশন সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছেন এ সংস্কার কাজে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ তিনমাসের বেশী লাগার কথা নয়। সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করার আহবান জানান এ্যানি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহাবয়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, বিএনপি নেতা মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা যুবদলের আহবায়ক রেজাউল করিম লিটন, সদস্য সচিব আব্দুল আলীম হুমায়ুন, যুগ্ম আহবায়ক রশিদুল হাসান লিঙ্কন, জেলা সেবকদলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুন রশিদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহীম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
পরে পৌর শহরে অবস্থিত এ্যানির বাসভবন থেকে এক বিশাল র্যালি বিভিন্ন স্লোগান মুখরিত হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা। মিছিলে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনার পালানোর পর বাধাবিহীন এ প্রথম বিশাল এ র্যালির আয়োজন করে বিএনপি। এতে নেতা-কর্মীরা অন্যরকম আনন্দে মেতে উঠেছে বলে জানান।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জনগণের চেতনা ও সেন্টিমেন্টকে ধারণ করতে হবে। কারণ এ জনগণ মনে করছে এখনি এ দেশে একটা নির্বাচন প্রয়োজন। যদি এ দেশে খুব অল্প সময়ের মধ্যে যৌক্তি সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হয় তাহলে ওই ষড়যন্ত্র যে কোন সময় আমাদের উপর আবার আঘাত হানতে পারে। তাহলে দেশের মানুষের আরেকটি বড় বিপদ কঠিন বিপদ হয়ে যেতে পারে। এসময় সংস্কার করতে বেশী সময় না নেয়ার দাবী জানান তিনি।
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির এ নেতা।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহবান বাইরের দেশে বসে ভিডিও বার্তা দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সেই অপশক্তি যদি ছোবল মারে থাবা মারে তাহলে গণতন্ত্রের ভীত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনার নির্বাচন কমিশন সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছেন এ সংস্কার কাজে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ তিনমাসের বেশী লাগার কথা নয়। সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করার আহবান জানান এ্যানি।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহাবয়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, বিএনপি নেতা মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা যুবদলের আহবায়ক রেজাউল করিম লিটন, সদস্য সচিব আব্দুল আলীম হুমায়ুন, যুগ্ম আহবায়ক রশিদুল হাসান লিঙ্কন, জেলা সেবকদলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুন রশিদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহীম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
পরে পৌর শহরে অবস্থিত এ্যানির বাসভবন থেকে এক বিশাল র্যালি বিভিন্ন স্লোগান মুখরিত হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা। মিছিলে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনার পালানোর পর বাধাবিহীন এ প্রথম বিশাল এ র্যালির আয়োজন করে বিএনপি। এতে নেতা-কর্মীরা অন্যরকম আনন্দে মেতে উঠেছে বলে জানান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
২ দিন আগে