
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামে এসে আগামীর বাংলাদেশের এক সুদূরপ্রসারী রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ পলিসি’ শীর্ষক সংলাপে তিনি তরুণদের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও উদ্যোক্তা বান্ধব নীতি নিয়ে কথা বলেন।
বিশেষ করে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পাঁচ বছরে ৫০ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান তিনি।
একই সাথে তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য আশার বাণী শুনিয়ে তারেক রহমান বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য তারেক বলেন, আমরা ছোট উদ্যোক্তাদের সহজে ব্যবসা করতে সাহায্য করতে চাই। আইন পুরোপুরি পাল্টানো সম্ভব না হলেও, যেখানে সম্ভব তাতে সংশোধন আনা হবে। যেমন, স্টুডেন্ট লোনের মাধ্যমে যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে চায়, তাদেরকে সাহায্য করার চিন্তাভাবনা আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।
চট্টগ্রামের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ রাফসান পরিবেশ ও শিক্ষার ওপর প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর মধ্যে পরিবেশ বিপর্যয় অন্যতম। কিন্তু আমাদের পলিটিশিয়ান এবং পলিসি মেকাররা এ বিষয়ে খুব বেশি কথা বলেন না। কৃষি, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে পরিবেশ গভীরভাবে জড়িত। যেমন, যদি কৃষক সেচের পানি না পায় এবং শহরে বিশুদ্ধ বাতাস না থাকে। চট্টগ্রামে জলবদ্ধতা হলে জনজীবন স্থবির হয়ে যায়, আর মাতারবাড়িতে কয়লাভৃত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।’
তারেক রহমানের প্রতিক্রিয়া ছিল বিস্তারিত ও স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘আপনার প্রশ্নে কয়েকটি বিষয় আছে। প্রথমে জলবদ্ধতার সমস্যা। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বৃষ্টির পানি দ্রুত চলে যায় না, যার ফলে স্থবিরতা তৈরি হয়। এর সমাধান হিসেবে আমরা খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছি। যেমন, নোয়াখালী অঞ্চলের পূর্ববর্তী বন্যার পানি যদি খালে ধরে রাখা যেত, তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেত।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল এত নিচে নেমেছে যে অনেক গাছপালা মারা যাচ্ছে। তাই খাল খনন শুধু বন্যা কমাতে নয়, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জেও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সারা দেশে বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, শহর ও গ্রামে মিলিয়ে।
পরিবেশ দূষণ নিয়েও তারেক বলেন, শহরাঞ্চলের বাতাস অত্যন্ত দূষিত। আমরা অটোমোবাইল থেকে দূষণ কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। বছরে প্রায় ২০–২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং পাঁচ বছরে ৫০ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা প্রায় ২০–২৫ হাজার চারা উৎপাদন করতে পারে। এর সঙ্গে প্রাইভেট নার্সারির সংখ্যা মিলিয়ে প্রায় এক লাখ চারা রোপণ করা সম্ভব। আমরা মনসুনে এগুলো রোপণ শুরু করব এবং ছোট ছোট ফরেস্ট তৈরি করব।
সংলাপে তারেকের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, বিএনপি যুব, শিক্ষার্থী ও পরিবেশ সংরক্ষণকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামে এসে আগামীর বাংলাদেশের এক সুদূরপ্রসারী রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ পলিসি’ শীর্ষক সংলাপে তিনি তরুণদের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও উদ্যোক্তা বান্ধব নীতি নিয়ে কথা বলেন।
বিশেষ করে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পাঁচ বছরে ৫০ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান তিনি।
একই সাথে তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য আশার বাণী শুনিয়ে তারেক রহমান বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য তারেক বলেন, আমরা ছোট উদ্যোক্তাদের সহজে ব্যবসা করতে সাহায্য করতে চাই। আইন পুরোপুরি পাল্টানো সম্ভব না হলেও, যেখানে সম্ভব তাতে সংশোধন আনা হবে। যেমন, স্টুডেন্ট লোনের মাধ্যমে যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে চায়, তাদেরকে সাহায্য করার চিন্তাভাবনা আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।
চট্টগ্রামের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ রাফসান পরিবেশ ও শিক্ষার ওপর প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর মধ্যে পরিবেশ বিপর্যয় অন্যতম। কিন্তু আমাদের পলিটিশিয়ান এবং পলিসি মেকাররা এ বিষয়ে খুব বেশি কথা বলেন না। কৃষি, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে পরিবেশ গভীরভাবে জড়িত। যেমন, যদি কৃষক সেচের পানি না পায় এবং শহরে বিশুদ্ধ বাতাস না থাকে। চট্টগ্রামে জলবদ্ধতা হলে জনজীবন স্থবির হয়ে যায়, আর মাতারবাড়িতে কয়লাভৃত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।’
তারেক রহমানের প্রতিক্রিয়া ছিল বিস্তারিত ও স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘আপনার প্রশ্নে কয়েকটি বিষয় আছে। প্রথমে জলবদ্ধতার সমস্যা। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বৃষ্টির পানি দ্রুত চলে যায় না, যার ফলে স্থবিরতা তৈরি হয়। এর সমাধান হিসেবে আমরা খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছি। যেমন, নোয়াখালী অঞ্চলের পূর্ববর্তী বন্যার পানি যদি খালে ধরে রাখা যেত, তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেত।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল এত নিচে নেমেছে যে অনেক গাছপালা মারা যাচ্ছে। তাই খাল খনন শুধু বন্যা কমাতে নয়, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জেও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সারা দেশে বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, শহর ও গ্রামে মিলিয়ে।
পরিবেশ দূষণ নিয়েও তারেক বলেন, শহরাঞ্চলের বাতাস অত্যন্ত দূষিত। আমরা অটোমোবাইল থেকে দূষণ কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। বছরে প্রায় ২০–২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং পাঁচ বছরে ৫০ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা প্রায় ২০–২৫ হাজার চারা উৎপাদন করতে পারে। এর সঙ্গে প্রাইভেট নার্সারির সংখ্যা মিলিয়ে প্রায় এক লাখ চারা রোপণ করা সম্ভব। আমরা মনসুনে এগুলো রোপণ শুরু করব এবং ছোট ছোট ফরেস্ট তৈরি করব।
সংলাপে তারেকের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, বিএনপি যুব, শিক্ষার্থী ও পরিবেশ সংরক্ষণকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
৫ দিন আগে
আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক
৫ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, আমার এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি সায়মা ম্যামের শ্রদ্ধেয় বাবা, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের নামের অপব্যবহার করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ম্যামকে অবহিত করলে ম্যাম তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দেন। এমনকি ম্যাম আমাকে জানান, যারা তার বাবার নামের অপব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা করছে, তাদের
৫ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২
৫ দিন আগে