
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শূন্য হাতে তিনি দেশে ফিরেছেন। চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন, ১ বিলিয়ন ইয়ানের আশ্বাস পেয়েছেন। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন।
শনিবার (১৩ জুলাই) নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে ওলামা দলের পরিচিতি সভায় রিজভী আহমেদ এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশ বিক্রি করার মহাজন হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতকে নিরাপদ করতে বাংলাদেশকে অনিরাপদ করেছেন। বাংলাদেশকে ভারতের নয়া উপনিবেশ বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য শেখ হাসিনার কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে কোটা বাদ দিলেন। শিক্ষার্থীরা কোটা বাদ নয় সংস্কার চেয়েছিলো। কিন্তু তিনি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কোটা বাদ দিয়ে এখন ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে আবার কোটা বহাল করলেন আদালতের মাধ্যমে। শেখ হাসিনার কথার বাইরে কেউ এক পা যেতে পারে না। তিনি আদালতের মাধ্যমে আবার নিজের ইচ্ছে পূরণ করলেন।
রিজভী বলেন, যে দম্পতির বিয়ে হয়েছে স্বাধীনতার পর- তাদের সন্তান না কি এখন মুক্তিযোদ্ধা! এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরি দিতেই আবারও কোটা বহাল করেছে সরকার। শুধুমাত্র ছাত্রলীগকে চাকরি দিতেই তা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত আলেম ওলামারা নেতৃত্বে রয়েছেন। আলেম ওলামাদের বাদ দিয়ে কোনো ইতিহাস রচনা করা যাবে না। কিন্তু এই বর্তমান ডামি নির্বাচনের সরকার আলেম ওলামাদেরও নিপীড়ন থেকে রেহাই দিচ্ছে না। যাদেরকে এ সরকার সন্দেহ করে তাদের নামে বার বার মামলা দিচ্ছে। মামলা থেকে আলেম ওলামারাও বাদ যায় না। মসজিদের ইমামরাও বাদ যায়নি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে কেউ মোনাজাত করলে তাকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, দেশ ধ্বংসের দারপ্রান্তে, কর্তৃত্ববাদী শাসন শোষণের ফলে দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক দেশবিরোধী চুক্তি সরকার করে যাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল হোসেনের পরিচালনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, মাওলানা আলমগীর হোসেন, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৫ জন সফরসঙ্গী নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শূন্য হাতে তিনি দেশে ফিরেছেন। চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন, ১ বিলিয়ন ইয়ানের আশ্বাস পেয়েছেন। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফেরত এসেছেন।
শনিবার (১৩ জুলাই) নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে ওলামা দলের পরিচিতি সভায় রিজভী আহমেদ এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশ বিক্রি করার মহাজন হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতকে নিরাপদ করতে বাংলাদেশকে অনিরাপদ করেছেন। বাংলাদেশকে ভারতের নয়া উপনিবেশ বানানোর চেষ্টা করছেন তিনি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য শেখ হাসিনার কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে কোটা বাদ দিলেন। শিক্ষার্থীরা কোটা বাদ নয় সংস্কার চেয়েছিলো। কিন্তু তিনি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কোটা বাদ দিয়ে এখন ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে আবার কোটা বহাল করলেন আদালতের মাধ্যমে। শেখ হাসিনার কথার বাইরে কেউ এক পা যেতে পারে না। তিনি আদালতের মাধ্যমে আবার নিজের ইচ্ছে পূরণ করলেন।
রিজভী বলেন, যে দম্পতির বিয়ে হয়েছে স্বাধীনতার পর- তাদের সন্তান না কি এখন মুক্তিযোদ্ধা! এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরি দিতেই আবারও কোটা বহাল করেছে সরকার। শুধুমাত্র ছাত্রলীগকে চাকরি দিতেই তা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত আলেম ওলামারা নেতৃত্বে রয়েছেন। আলেম ওলামাদের বাদ দিয়ে কোনো ইতিহাস রচনা করা যাবে না। কিন্তু এই বর্তমান ডামি নির্বাচনের সরকার আলেম ওলামাদেরও নিপীড়ন থেকে রেহাই দিচ্ছে না। যাদেরকে এ সরকার সন্দেহ করে তাদের নামে বার বার মামলা দিচ্ছে। মামলা থেকে আলেম ওলামারাও বাদ যায় না। মসজিদের ইমামরাও বাদ যায়নি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে কেউ মোনাজাত করলে তাকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেন, দেশ ধ্বংসের দারপ্রান্তে, কর্তৃত্ববাদী শাসন শোষণের ফলে দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে একের পর এক দেশবিরোধী চুক্তি সরকার করে যাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল হোসেনের পরিচালনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, এটিএম আবদুল বারী ড্যানী, মাওলানা আলমগীর হোসেন, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিএনপি মহাসচিব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পুরোপুরি রাজনৈতিভাবে নির্মূল করার হুমকি দিয়ে যে অসাংবিধানিক, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অশোভন বক্তব্য দিয়েছেন। এই বক্তব্য গণতন্ত্রের ভাষা নয়। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য দিয়ে তিনি পতিত আওয়ামী ফ্
৩ দিন আগে
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তারিকুল ইসলামকে সভাপতি ও প্রকৌশলী ফরহাদ সোহেলকে সাধারণ সম্পাদক করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির ৭ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
৩ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩ দিন আগে