
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জিয়া পরিবারই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘জিয়া পরিবারই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে আমরা ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জন করেছি। জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিই।’
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) অস্ট্রেলিয়া বিএনপির আয়োজিত স্থানীয় লাকেম্বা লাইব্রেরি হলে ‘বাংলাদেশের ৫৪তম মহান বিজয় দিবস ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন এ এফ এম তাওহীদ ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলীর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করা হয়।
এরপর ’৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লাখ শহিদ, ’২৪-এর জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদদের রুহের মাগফেরাত, আহতদের সুস্থতা এবং জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির ট্রেজারার মঞ্জুরুল হক আলমগীর।
সূচনায় বিএনপি নেত্রী আজীজুন নাহার মালার দল বাংলাদেশের জাতীয় এবং দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
আলোচনা সভায় টুকু বলেন, ‘দেশ যতবার সংকটে পড়েছে তখনই জিয়া পরিবার দেশের নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৭৫ সালে সিভিল ও মিলিটারি উভয় সেক্টরে দেশ যখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল, তখনো ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শহিদ জিয়া দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তিনবারের শাসনামলে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আপসহীন।’
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক বলেন, ‘১৯৯০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুনর্গঠন করার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’
স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ববিষয়ক একাডেমিক আলোচলায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রভাষক, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত পিএইচডি গবেষক আবু সাঈদ ও লীমা আক্তার অহনা।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ এফ এম তাওহীদ ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সাহসী পদক্ষেপের বিষয়ে বাস্তবিক উদাহরণ তুলে ধরেন।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক অমি ফেরদৌস, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন, ভিক্টোরিয়া বিএনপির প্রতিনিধি ড. শাহাবুদ্দীন আহমেদ, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির প্রতিনিধি কামাল হোসেন, তাসমানিয়া বিএনপির প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান, কুইন্সল্যান্ড বিএনপির প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আবিদা সুলতানা, অস্ট্রেলিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান, অস্ট্রেলিয়া যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

জিয়া পরিবারই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘জিয়া পরিবারই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে আমরা ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জন করেছি। জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিই।’
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) অস্ট্রেলিয়া বিএনপির আয়োজিত স্থানীয় লাকেম্বা লাইব্রেরি হলে ‘বাংলাদেশের ৫৪তম মহান বিজয় দিবস ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন এ এফ এম তাওহীদ ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলীর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে কোরআন তেলওয়াত করা হয়।
এরপর ’৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লাখ শহিদ, ’২৪-এর জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদদের রুহের মাগফেরাত, আহতদের সুস্থতা এবং জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির ট্রেজারার মঞ্জুরুল হক আলমগীর।
সূচনায় বিএনপি নেত্রী আজীজুন নাহার মালার দল বাংলাদেশের জাতীয় এবং দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
আলোচনা সভায় টুকু বলেন, ‘দেশ যতবার সংকটে পড়েছে তখনই জিয়া পরিবার দেশের নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৭৫ সালে সিভিল ও মিলিটারি উভয় সেক্টরে দেশ যখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল, তখনো ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শহিদ জিয়া দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তিনবারের শাসনামলে স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আপসহীন।’
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক বলেন, ‘১৯৯০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুনর্গঠন করার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’
স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ববিষয়ক একাডেমিক আলোচলায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের প্রভাষক, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত পিএইচডি গবেষক আবু সাঈদ ও লীমা আক্তার অহনা।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ এফ এম তাওহীদ ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সাহসী পদক্ষেপের বিষয়ে বাস্তবিক উদাহরণ তুলে ধরেন।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক অমি ফেরদৌস, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন, ভিক্টোরিয়া বিএনপির প্রতিনিধি ড. শাহাবুদ্দীন আহমেদ, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির প্রতিনিধি কামাল হোসেন, তাসমানিয়া বিএনপির প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান, কুইন্সল্যান্ড বিএনপির প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আবিদা সুলতানা, অস্ট্রেলিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান, অস্ট্রেলিয়া যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে