
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আবারো ‘ঝামেলা’ করলে আওয়ামী লীগের পরিণতি শুভ হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপি মহাসচিব এই হুঁশিয়ারি দেন।
ফখরুল বলেন, ইতিহাস বড় নির্মম, আল্লাহতালার বিচার বড় নির্মম…. ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ক্ষমতা ক্ষনস্থায়ী। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার (শেখ হাসিনার) মুখ দিয়ে প্রতিশোধে জিজ্ঞাসা স্পষ্ট হয়েছিল। আল্লাহর কি হুকুম দেখেন, সেই তাকেই পালিয়ে যেতে হলো আবার সেই জায়গায় সেখানে তার গোঁড়া পোতা আছে। আমি সেজন্য আওয়ামী লীগারদেরকে বলছি যে, এখনো সময় আছে আপনারা আর ঝামেলা কইরেন না। কারণ ঝামেলা করলে আপনারা টিকতে পারবেন না।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে (১৫ আগস্ট) তো চেষ্টা করেছিলেন যে, আপনারা যাবেন, ৩২ নম্বরে গিয়ে ফুল দেবেন। কারো তো আপত্তি ছিল না। কিন্তু ছাত্ররা তা হতে দেননি….হতে দেননি কেনো… এই মানুষটাকে কেউ দেখতে চায় না। খুনি হাসিনার চেহারা কেউ আর দেখতে চায় না। এক হাসিনা সারা বাংলাদেশে যত আওয়ামী লীগার ছিলো তারা ক্ষুদে হাসিনা তৈরি হয়েছে, সারাদেশে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে তারা।
নয়া পল্টনে বিএনপির উদ্যোগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে এই অবস্থান কর্মসূচি হয়। কাকরাইল থেকে ফকিরেরপুল পর্যন্ত হাজার হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতি অবস্থান কর্মসূচি সমাবেশে রূপ নেয়।
‘খুনি হাসিনার বিচার চাই’
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের সমাবেশের ব্যানারে লেখা আছে, এই যে গণহত্যা, হাসিনা যে খুনি ও তার দোসরদের আমরা বিচার চাই। বিচার আল্লাহতালা করছে, আরও করবে। আমরা বিচার চাই এই সরকার কাছে… যারা অন্তর্বতীকালীন সরকার যাদের ওপরে জনগন আস্থা দিয়েছে… একটু স্বস্তি ফিরিয়ে এনে নির্বাচন দেবে… একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন দেবে সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগন তাদের ভোট দিয়ে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন করবে। আমরা সেটাই চাই।
‘নির্বাচনের যৌক্তিক সময়ও আমরা দেব’
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা চাই,নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তন হোক। আমরা যৌক্তিক সময়ও দিতে চাই। একটা কথা আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, গণতন্ত্র গণতন্ত্র সেটার কোনো বিকল্প নাই। এই গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই করছি। আমরা লড়াই করেছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে আবারো ‘ঝামেলা’ করলে আওয়ামী লীগের পরিণতি শুভ হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপি মহাসচিব এই হুঁশিয়ারি দেন।
ফখরুল বলেন, ইতিহাস বড় নির্মম, আল্লাহতালার বিচার বড় নির্মম…. ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ক্ষমতা ক্ষনস্থায়ী। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার (শেখ হাসিনার) মুখ দিয়ে প্রতিশোধে জিজ্ঞাসা স্পষ্ট হয়েছিল। আল্লাহর কি হুকুম দেখেন, সেই তাকেই পালিয়ে যেতে হলো আবার সেই জায়গায় সেখানে তার গোঁড়া পোতা আছে। আমি সেজন্য আওয়ামী লীগারদেরকে বলছি যে, এখনো সময় আছে আপনারা আর ঝামেলা কইরেন না। কারণ ঝামেলা করলে আপনারা টিকতে পারবেন না।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে (১৫ আগস্ট) তো চেষ্টা করেছিলেন যে, আপনারা যাবেন, ৩২ নম্বরে গিয়ে ফুল দেবেন। কারো তো আপত্তি ছিল না। কিন্তু ছাত্ররা তা হতে দেননি….হতে দেননি কেনো… এই মানুষটাকে কেউ দেখতে চায় না। খুনি হাসিনার চেহারা কেউ আর দেখতে চায় না। এক হাসিনা সারা বাংলাদেশে যত আওয়ামী লীগার ছিলো তারা ক্ষুদে হাসিনা তৈরি হয়েছে, সারাদেশে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে তারা।
নয়া পল্টনে বিএনপির উদ্যোগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের দাবিতে এই অবস্থান কর্মসূচি হয়। কাকরাইল থেকে ফকিরেরপুল পর্যন্ত হাজার হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতি অবস্থান কর্মসূচি সমাবেশে রূপ নেয়।
‘খুনি হাসিনার বিচার চাই’
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের সমাবেশের ব্যানারে লেখা আছে, এই যে গণহত্যা, হাসিনা যে খুনি ও তার দোসরদের আমরা বিচার চাই। বিচার আল্লাহতালা করছে, আরও করবে। আমরা বিচার চাই এই সরকার কাছে… যারা অন্তর্বতীকালীন সরকার যাদের ওপরে জনগন আস্থা দিয়েছে… একটু স্বস্তি ফিরিয়ে এনে নির্বাচন দেবে… একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন দেবে সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগন তাদের ভোট দিয়ে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন করবে। আমরা সেটাই চাই।
‘নির্বাচনের যৌক্তিক সময়ও আমরা দেব’
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা চাই,নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তন হোক। আমরা যৌক্তিক সময়ও দিতে চাই। একটা কথা আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, গণতন্ত্র গণতন্ত্র সেটার কোনো বিকল্প নাই। এই গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই করছি। আমরা লড়াই করেছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে