
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপির পরিচয়েই আমরা বেঁচে থাকতে চাই। বিগত দিনে ১৭টি বছর আপনারা অনেকেই নির্যাতিত, নিপীড়ন ভোগ করেছেন।আজকে সেই নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে আমাদের। ক্ষমতায় থাকার সময় একটি দল থাকে, কিন্তু কর্মীরা সারাজীবন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে।
শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শামছুল হকের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে স্বৈরাচারের বিদায় হয়েছে, ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে। কিন্তু সেই ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো বাংলাদেশে বিরাজমান। কাজেই তারা সুযোগ খুঁজছে আমাদের মাঝখান থেকেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। অনেকেই মনে করতে পারেন, দল ভারী করার জন্য পাশে কাউকে আশ্রয় দিয়ে দল ভারী করবেন। কিন্তু ভারী করার কিন্তু প্রয়োজন হয় না। কারণ যারা দুর্দিনে থাকে এবং যারা নেতাকর্মীর খোঁজখবর রাখেন তার পেছনে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকে। আমরা জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল হয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী। এটাই হচ্ছে আমাদের বড় পরিচয়। এ পরিচয় নিয়েই আমরা গর্ববোধ করি এবং পথ চলতে চাই।
সব নেতাকর্মীকে উদ্দেশ্য করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলবো আগামী দিনে। কারণ গণতন্ত্রের যে বিজয়, পরিপূর্ণ বিজয় অর্জন করতে এখনো আমরা সক্ষম হয়নি। একটি পথ আমরা অতিক্রম করেছি, ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। আরেকটি নির্বাচনের মধ্য দিয়েই মানুষের ভোটের অধিকার যখন প্রতিষ্ঠিত হবে, একটি নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসবে বা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে তখনি গণতন্ত্রের যে মূল বিজয়, সেই বিজয় অর্জন করতে আমরা সক্ষম হবো।
শামছুল হক স্মৃতি সংসদের সভাপতি শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ অন্যান্য নেতারা।

কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপির পরিচয়েই আমরা বেঁচে থাকতে চাই। বিগত দিনে ১৭টি বছর আপনারা অনেকেই নির্যাতিত, নিপীড়ন ভোগ করেছেন।আজকে সেই নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে আমাদের। ক্ষমতায় থাকার সময় একটি দল থাকে, কিন্তু কর্মীরা সারাজীবন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে।
শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শামছুল হকের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে স্বৈরাচারের বিদায় হয়েছে, ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে। কিন্তু সেই ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এখনো বাংলাদেশে বিরাজমান। কাজেই তারা সুযোগ খুঁজছে আমাদের মাঝখান থেকেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। অনেকেই মনে করতে পারেন, দল ভারী করার জন্য পাশে কাউকে আশ্রয় দিয়ে দল ভারী করবেন। কিন্তু ভারী করার কিন্তু প্রয়োজন হয় না। কারণ যারা দুর্দিনে থাকে এবং যারা নেতাকর্মীর খোঁজখবর রাখেন তার পেছনে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকে। আমরা জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে বুকে ধারণ করে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল হয়ে আমরা জাতীয়তাবাদী দলের কর্মী। এটাই হচ্ছে আমাদের বড় পরিচয়। এ পরিচয় নিয়েই আমরা গর্ববোধ করি এবং পথ চলতে চাই।
সব নেতাকর্মীকে উদ্দেশ্য করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলবো আগামী দিনে। কারণ গণতন্ত্রের যে বিজয়, পরিপূর্ণ বিজয় অর্জন করতে এখনো আমরা সক্ষম হয়নি। একটি পথ আমরা অতিক্রম করেছি, ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। আরেকটি নির্বাচনের মধ্য দিয়েই মানুষের ভোটের অধিকার যখন প্রতিষ্ঠিত হবে, একটি নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসবে বা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে তখনি গণতন্ত্রের যে মূল বিজয়, সেই বিজয় অর্জন করতে আমরা সক্ষম হবো।
শামছুল হক স্মৃতি সংসদের সভাপতি শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ অন্যান্য নেতারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে