
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ট্রাম্পকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের সমান। রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আমীর খসরু বলেন, বৈঠকে দুদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দিকে তারা যেটা বিশ্বাস করে, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও কর্মকাণ্ডগুলোর ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকার থাকলে সহজ হয়।
তিনি আরও বলেন, শ্রমশক্তি নিয়ে আলোচনায় সিঙ্গাপুর মনে করে, দক্ষ শ্রমশক্তি পাঠানো যায়। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষিত নার্স পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচিত সরকার নিয়ে আমীর খসরু বলেন, সিঙ্গাপুর মনে করে, নির্বাচিত সরকার ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব না। এটা শুধু সিঙ্গাপুর বলেনি। সব কূটনৈতিকরা মনে করে, নির্বাচিত সরকার ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
নূর হোসেন দিবসকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের জমায়েতকে কীভাবে দেখেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশের মানুষ যখন আপনাকে বিতাড়িত করে তখন আপনি একেক সময়ে একেক কাভারে আসতে চান। কোনো কোনো সময় হিন্দু-মুসলিম হয়ে আবার এখন ট্রাম্পের চিত্র নিয়ে আসছে। এখন যাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে তারা অন্য বেশে আসতে চাচ্ছে। এটা তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব। তারা যে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়েছে, এটাই তার প্রমাণ।
আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগকে কেন ট্রাম্পের বেশে আসতে হবে? কেন হিন্দুদের অত্যাচারের বেশে আসতে হবে? আমরা আবারও বলছি, তারা এখন দেউলিয়া হয়ে বিভিন্ন মোড়কে আসার চেষ্টা করছে। তার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হলে নিজেকে দেশে আসতে হবে। কিন্তু তার সেটা নেই ও সমর্থনও নেই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ট্রাম্পকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের সমান। রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে আমীর খসরু বলেন, বৈঠকে দুদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দিকে তারা যেটা বিশ্বাস করে, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও কর্মকাণ্ডগুলোর ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকার থাকলে সহজ হয়।
তিনি আরও বলেন, শ্রমশক্তি নিয়ে আলোচনায় সিঙ্গাপুর মনে করে, দক্ষ শ্রমশক্তি পাঠানো যায়। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষিত নার্স পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচিত সরকার নিয়ে আমীর খসরু বলেন, সিঙ্গাপুর মনে করে, নির্বাচিত সরকার ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব না। এটা শুধু সিঙ্গাপুর বলেনি। সব কূটনৈতিকরা মনে করে, নির্বাচিত সরকার ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
নূর হোসেন দিবসকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের জমায়েতকে কীভাবে দেখেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশের মানুষ যখন আপনাকে বিতাড়িত করে তখন আপনি একেক সময়ে একেক কাভারে আসতে চান। কোনো কোনো সময় হিন্দু-মুসলিম হয়ে আবার এখন ট্রাম্পের চিত্র নিয়ে আসছে। এখন যাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে তারা অন্য বেশে আসতে চাচ্ছে। এটা তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব। তারা যে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়েছে, এটাই তার প্রমাণ।
আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগকে কেন ট্রাম্পের বেশে আসতে হবে? কেন হিন্দুদের অত্যাচারের বেশে আসতে হবে? আমরা আবারও বলছি, তারা এখন দেউলিয়া হয়ে বিভিন্ন মোড়কে আসার চেষ্টা করছে। তার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হলে নিজেকে দেশে আসতে হবে। কিন্তু তার সেটা নেই ও সমর্থনও নেই।

নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে
১৬ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১৭ ঘণ্টা আগে