
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বর্তমানে সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের মানুষ সবচেয়ে শান্তিতে ও নিরাপদে রয়েছে। সবাই মিলে মিশে থাকতে চাই। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। সবার আগে বাংলাদেশ।
লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকায় উত্তর মজুপুর সনাতনী দেবনালয়ের উদ্যোগে অষ্টমীস্নান ও হরিনাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আজ এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সবসময় ভারত প্রভাব খাটিয়ে হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এই কারণে হাসিনা ভারতের সহযোগিতায় ফ্যাস্টিট ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। একদিনেই হাসিনা ফ্যাস্টিট হয়নি। ভারতে আশ্রয়-প্রশ্রয়ে হাসিনা ফ্যাস্টিট হয়ে ওঠে। ভারত যদি এক ব্যক্তিকে প্রশ্রয় না দিতো তাহলে দেশে অরাজকতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো না।
তিনি আরো বলেন, ভারতের পার্লামেন্টে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতেনের শিকার, তাদের বাড়িঘরে ও মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর চালানোর হয় বলে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলোচনা করে। ভারতের পার্লামেন্টে যদি এ ধরনের আলোচনা হয়, তাহলে বুঝতে হবে, এটা একটা ষড়যন্ত্র। এসব কথা বলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে খাটো করা হচ্ছে। ছোট করা হচ্ছে। কিন্ত দেশে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সময়ে। অথচ ৫ আগস্টের পর সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের মানুষ সবচেয়ে শান্তিতে ও নিরাপদে রয়েছে।
এ্যানি বলেন, এখনো নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। নির্বাচন, সংস্কার ও শেখ হাসিনার বিচার নিয়ে কোনো দলের সঙ্গে মত বিরোধ নেই। সবাই এ বিষয়ে ঐক্যমতের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। স্বৈরাচার পতনে যে সব দল এক সঙ্গে আন্দোলন ও সংগ্রাম করছে। তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু হাসিনার বিচার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। হাসিনার বিচার সবার আগে বিএনপি চায়, এখনো চাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদকে আর বাংলাদেশের মাটিতে সুযোগ দেওয়া যাবে না। হাসিনা গত ১৬ বছরে যে সকল অন্যায় করেছে, তার বিচার হতেই হবে। হাসিনার অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত তার সকল নেতাকর্মীদেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একদিকে হাসিনার বিচার চলবে অন্য দিকে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। হাসিনার বিচার ও নির্বাচন না হলে স্বৈরাচার আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে জাতীর জন্য দুঃখ আছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব হাসির বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি গ্রহণ যোগ্য নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হব।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, বাবু শংকর কুমার মজুমদার প্রমুখ।

বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বর্তমানে সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের মানুষ সবচেয়ে শান্তিতে ও নিরাপদে রয়েছে। সবাই মিলে মিশে থাকতে চাই। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। সবার আগে বাংলাদেশ।
লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকায় উত্তর মজুপুর সনাতনী দেবনালয়ের উদ্যোগে অষ্টমীস্নান ও হরিনাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আজ এসব কথা বলেন তিনি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সবসময় ভারত প্রভাব খাটিয়ে হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এই কারণে হাসিনা ভারতের সহযোগিতায় ফ্যাস্টিট ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। একদিনেই হাসিনা ফ্যাস্টিট হয়নি। ভারতে আশ্রয়-প্রশ্রয়ে হাসিনা ফ্যাস্টিট হয়ে ওঠে। ভারত যদি এক ব্যক্তিকে প্রশ্রয় না দিতো তাহলে দেশে অরাজকতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো না।
তিনি আরো বলেন, ভারতের পার্লামেন্টে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতেনের শিকার, তাদের বাড়িঘরে ও মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর চালানোর হয় বলে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলোচনা করে। ভারতের পার্লামেন্টে যদি এ ধরনের আলোচনা হয়, তাহলে বুঝতে হবে, এটা একটা ষড়যন্ত্র। এসব কথা বলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে খাটো করা হচ্ছে। ছোট করা হচ্ছে। কিন্ত দেশে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সময়ে। অথচ ৫ আগস্টের পর সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের মানুষ সবচেয়ে শান্তিতে ও নিরাপদে রয়েছে।
এ্যানি বলেন, এখনো নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। নির্বাচন, সংস্কার ও শেখ হাসিনার বিচার নিয়ে কোনো দলের সঙ্গে মত বিরোধ নেই। সবাই এ বিষয়ে ঐক্যমতের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। স্বৈরাচার পতনে যে সব দল এক সঙ্গে আন্দোলন ও সংগ্রাম করছে। তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু হাসিনার বিচার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। হাসিনার বিচার সবার আগে বিএনপি চায়, এখনো চাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদকে আর বাংলাদেশের মাটিতে সুযোগ দেওয়া যাবে না। হাসিনা গত ১৬ বছরে যে সকল অন্যায় করেছে, তার বিচার হতেই হবে। হাসিনার অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত তার সকল নেতাকর্মীদেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একদিকে হাসিনার বিচার চলবে অন্য দিকে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। হাসিনার বিচার ও নির্বাচন না হলে স্বৈরাচার আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে জাতীর জন্য দুঃখ আছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব হাসির বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি গ্রহণ যোগ্য নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হব।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, বাবু শংকর কুমার মজুমদার প্রমুখ।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে ঢুকে ভাঙচুর এবং এক নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান
১৪ ঘণ্টা আগে
এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘গতকাল এবং আজ ক্যাম্পাসগুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীলভাবে মোকাবিলা করেছে। দুটো ঘটনাই গুপ্ত রাজনীতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম নোংরামির অশ্লীল ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।’
১ দিন আগে