
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘তাকসিমের মতো ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগীদের অত্যাচারের পরও ঢাকা ওয়াসার বিএনপিপন্থী কর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলনে সব সময় সক্রিয় ছিলেন।’
বুধবার দুপুর ১২টায় ঢাকা ওয়াসা জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (রেজি নং-৩১৮৫) আয়োজিত লালমাটিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া সরকারকে টিকিয়ে রাখতে যে কয়েকজন ভূমিকা রেখেছে তাদের মধ্যে অন্যতম একজন এই তাকসিম। আমরা বহুবার বলেছি তাকসিম হাসিনার জন্য অপরিহার্য হতে পারে কিন্তু এই দেশের জন্য অপরিহার্য ছিল না। শেখ হাসিনা তাকে দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে।’
আব্দুস সালাম বলেন, ‘এটা আমাদের সরকার কিন্তু আমাদের দলীয় সরকার না। সরকারকে বলছি নির্বাচনী রোডম্যাপ দেন। হাসিনা ভয় পাইতো নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতা চলে আসবে। আপনারা নির্বাচনে দেরি করেন কি কারণে? অনেকে বলে দ্রুত নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসবে। আরে আমরা জোর করে ক্ষমতায় যেতে চাই না। নির্বাচন দিলে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় ইনশাআল্লাহ আসবেই আসবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দান ক্ষয়রাত চাই না। বেগম খালেদা জিয়া জনগণের ভোটে, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করে। তিনি ৯৬ সালে গণতন্ত্রের জন্য ভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। শত অত্যাচারের পরও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। আর শেখ হাসিনা এক শাড়ি পড়ে পালিয়েছে। আর কিছু নিতে পারেনি, তাকসিমকে নিয়েছে কিনা সেটাতো আমরা ছবিতে দেখি নাই। মনে হয় নিতে পারেনি, তাকে ধরতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশকে বলতে চাই তাকসিম যাতে কিছুতেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। পালালে আপনাদের খবর আছে। আর ভারতকে বলতে চাই আমাদের কৃষকরা ভুলে সিমান্তে পা দিলে গুলি করতে পারেন। আর আওয়ামী লীগের যারা পালিয়ে যাচ্ছে তাদের কেন গুলি করেন না। আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই তাকসিমের মতো লোকেরা কোথায় লুকিয়ে আছে? হাসিনাকে যারা ফ্যাসিস্ট বানিয়েছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’
শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে আব্দুস সালাম বলেন, ‘সাংবাদিকদের খারাপকে খারাপ আর ভালোকে ভালো বলতে হবে। ১৭ বছর মামলা হামলা বদলির মতো শাস্তির পর এখন চাকরির জন্য যদি কোনো অফিসারের সাথে গরম কথা কয় ওইটা সাংবাদিকরা লেখেন, তাহলে সেটা জনগণের পক্ষে লেখা হইলো না। আমি বলতে চাই শ্রমিকরা কখনো মাথানত করে না। সারা পৃথিবীতে যত আন্দোন যত সফলতা এসেছে তার অগ্রভাগে ছিল শ্রমিকরা। তাকসিমদের কথা শুনলে হবে না কথা শুনতে হবে শ্রমিকদের। কারণ তাদের ঘামে আজকের ওয়াসা গড়ে উঠেছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মেহেদী হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম রাজা এবং সদস্য সচিব কামরুল জামান।
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল আলম খান। তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগ কর্তৃক নির্যাতিত হয়েছি। এই ঢাকা ওয়াসা ছিল তাকসিমের গড়া আয়নাঘর। এখানে বদলি, পদোন্নতিসহ বিভিন্নভাবে মানসিক অত্যাচার করতো। ওয়াসার সব জায়গায় তাকসিমের সহযোগীরা এখনো রয়ে গেছে। আমরা বলতে চাই শ্রমিকদের পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন এবং আওয়ামী লীগের দালালরা যেখানে বসে আছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এসব কাজ আগামী ১২ দিনের মধ্যেই করতে হবে।’
স্বাগত বক্তব্যে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘তাকসিমের সময় শ্রমিকরা দুজন মিলে কথা বলার সাহস করতে পারেনি। শ্রমিকদের ওপর শারীরিক নির্যাতন না করলেও মানসিক নির্যাতন করেছে। উত্তরা যার বাসা থাকে নারায়নগঞ্জ আর নারায়নগঞ্জের শ্রমিকদের উত্তরা বদলি করা হতো। অনেক ভাইয়ের সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। কত শ্রমিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ৫ আগস্টের পর অন্যায়ভাবে বদলি করা ১১৪ জনকে তাদের স্ব স্ব জায়গায় ফেরাতে পেরেছি। অনেক ভাইদের চাকরিচ্যূত করা হয়েছিল তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে সক্ষম হয়েছি। শুধুমাত্র বিএনপি করার কারণে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি এমন ৫১ জনের পদোন্নতি নিশ্চিত করেছি। আমরা যখন এসব কাজ করছি তখন ঢাকা ওয়াসায় তাকসিমের ঘাপটি মেরে থাকা কিছু কর্মকর্তা পেছনে লেগেছে। টাকা দিয়ে মিথ্যা সংবাদ করাচ্ছে। কুৎসা রটাচ্ছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘তাকসিমের মতো ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগীদের অত্যাচারের পরও ঢাকা ওয়াসার বিএনপিপন্থী কর্মীরা সরকারবিরোধী আন্দোলনে সব সময় সক্রিয় ছিলেন।’
বুধবার দুপুর ১২টায় ঢাকা ওয়াসা জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (রেজি নং-৩১৮৫) আয়োজিত লালমাটিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া সরকারকে টিকিয়ে রাখতে যে কয়েকজন ভূমিকা রেখেছে তাদের মধ্যে অন্যতম একজন এই তাকসিম। আমরা বহুবার বলেছি তাকসিম হাসিনার জন্য অপরিহার্য হতে পারে কিন্তু এই দেশের জন্য অপরিহার্য ছিল না। শেখ হাসিনা তাকে দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে।’
আব্দুস সালাম বলেন, ‘এটা আমাদের সরকার কিন্তু আমাদের দলীয় সরকার না। সরকারকে বলছি নির্বাচনী রোডম্যাপ দেন। হাসিনা ভয় পাইতো নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতা চলে আসবে। আপনারা নির্বাচনে দেরি করেন কি কারণে? অনেকে বলে দ্রুত নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসবে। আরে আমরা জোর করে ক্ষমতায় যেতে চাই না। নির্বাচন দিলে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় ইনশাআল্লাহ আসবেই আসবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দান ক্ষয়রাত চাই না। বেগম খালেদা জিয়া জনগণের ভোটে, জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করে। তিনি ৯৬ সালে গণতন্ত্রের জন্য ভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। শত অত্যাচারের পরও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। আর শেখ হাসিনা এক শাড়ি পড়ে পালিয়েছে। আর কিছু নিতে পারেনি, তাকসিমকে নিয়েছে কিনা সেটাতো আমরা ছবিতে দেখি নাই। মনে হয় নিতে পারেনি, তাকে ধরতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশকে বলতে চাই তাকসিম যাতে কিছুতেই দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। পালালে আপনাদের খবর আছে। আর ভারতকে বলতে চাই আমাদের কৃষকরা ভুলে সিমান্তে পা দিলে গুলি করতে পারেন। আর আওয়ামী লীগের যারা পালিয়ে যাচ্ছে তাদের কেন গুলি করেন না। আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই তাকসিমের মতো লোকেরা কোথায় লুকিয়ে আছে? হাসিনাকে যারা ফ্যাসিস্ট বানিয়েছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’
শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে আব্দুস সালাম বলেন, ‘সাংবাদিকদের খারাপকে খারাপ আর ভালোকে ভালো বলতে হবে। ১৭ বছর মামলা হামলা বদলির মতো শাস্তির পর এখন চাকরির জন্য যদি কোনো অফিসারের সাথে গরম কথা কয় ওইটা সাংবাদিকরা লেখেন, তাহলে সেটা জনগণের পক্ষে লেখা হইলো না। আমি বলতে চাই শ্রমিকরা কখনো মাথানত করে না। সারা পৃথিবীতে যত আন্দোন যত সফলতা এসেছে তার অগ্রভাগে ছিল শ্রমিকরা। তাকসিমদের কথা শুনলে হবে না কথা শুনতে হবে শ্রমিকদের। কারণ তাদের ঘামে আজকের ওয়াসা গড়ে উঠেছে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মেহেদী হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম রাজা এবং সদস্য সচিব কামরুল জামান।
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল আলম খান। তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগ কর্তৃক নির্যাতিত হয়েছি। এই ঢাকা ওয়াসা ছিল তাকসিমের গড়া আয়নাঘর। এখানে বদলি, পদোন্নতিসহ বিভিন্নভাবে মানসিক অত্যাচার করতো। ওয়াসার সব জায়গায় তাকসিমের সহযোগীরা এখনো রয়ে গেছে। আমরা বলতে চাই শ্রমিকদের পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন এবং আওয়ামী লীগের দালালরা যেখানে বসে আছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এসব কাজ আগামী ১২ দিনের মধ্যেই করতে হবে।’
স্বাগত বক্তব্যে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘তাকসিমের সময় শ্রমিকরা দুজন মিলে কথা বলার সাহস করতে পারেনি। শ্রমিকদের ওপর শারীরিক নির্যাতন না করলেও মানসিক নির্যাতন করেছে। উত্তরা যার বাসা থাকে নারায়নগঞ্জ আর নারায়নগঞ্জের শ্রমিকদের উত্তরা বদলি করা হতো। অনেক ভাইয়ের সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। কত শ্রমিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ৫ আগস্টের পর অন্যায়ভাবে বদলি করা ১১৪ জনকে তাদের স্ব স্ব জায়গায় ফেরাতে পেরেছি। অনেক ভাইদের চাকরিচ্যূত করা হয়েছিল তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে সক্ষম হয়েছি। শুধুমাত্র বিএনপি করার কারণে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি এমন ৫১ জনের পদোন্নতি নিশ্চিত করেছি। আমরা যখন এসব কাজ করছি তখন ঢাকা ওয়াসায় তাকসিমের ঘাপটি মেরে থাকা কিছু কর্মকর্তা পেছনে লেগেছে। টাকা দিয়ে মিথ্যা সংবাদ করাচ্ছে। কুৎসা রটাচ্ছে।’

এর আগে বেলা ১১টায় নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পূর্ব নির্ধারিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ পালন করতে এসে বসে পড়েন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দিনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়া
১০ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বিশেষ করে, বিদেশে যারা নিবন্ধিত ভোটার তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এবং যেভাবে ব্যালট পেপারটি মুদ্রণ করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের অভিযোগ তাদের (নির্বাচন কমিশন) দিয়েছি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপার্সন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন সচিব ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া ও ব্যারিস্টার র
১১ ঘণ্টা আগে