
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি এ সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ওষুধ নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি। সরকারের এই সিদ্ধান্তে জনস্বাস্থ্যের পরিবর্তে ওষুধ ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওষুধ কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক পণ্য নয়; এটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ওষুধের মূল্য পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়বে। জীবনরক্ষাকারী ও অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব থেকে সরে আসা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করে সিপিবি।
নেতারা বলেন, ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতি দেশের ওষুধশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপদ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ নিশ্চিত করা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ করে ২৯৫টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং সেগুলোর মূল্য নিয়ন্ত্রণে পৃথক নীতিমালাও করা হয়। এখন সেই কাঠামো বাতিল করে সরকার জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও বাজারনির্ভর করে তুলছে বলে অভিযোগ তাদের।
সিপিবির নেতারা আরও বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় কোনো ত্রুটি থাকলে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ওষুধ প্রশাসন, রোগী প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তা সংশোধন করা যেত। কিন্তু কোনো জনপরামর্শ ছাড়াই পুরো নীতিমালা বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে ‘জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা’ ও ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি’ পুনর্বহাল, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে স্বচ্ছ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শুরু এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের মূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

‘জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি এ সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ওষুধ নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ভিত্তি। সরকারের এই সিদ্ধান্তে জনস্বাস্থ্যের পরিবর্তে ওষুধ ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওষুধ কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক পণ্য নয়; এটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ওষুধের মূল্য পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দিলে নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়বে। জীবনরক্ষাকারী ও অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব থেকে সরে আসা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করে সিপিবি।
নেতারা বলেন, ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতি দেশের ওষুধশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপদ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ নিশ্চিত করা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ করে ২৯৫টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং সেগুলোর মূল্য নিয়ন্ত্রণে পৃথক নীতিমালাও করা হয়। এখন সেই কাঠামো বাতিল করে সরকার জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও বাজারনির্ভর করে তুলছে বলে অভিযোগ তাদের।
সিপিবির নেতারা আরও বলেন, বিদ্যমান নীতিমালায় কোনো ত্রুটি থাকলে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ওষুধ প্রশাসন, রোগী প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তা সংশোধন করা যেত। কিন্তু কোনো জনপরামর্শ ছাড়াই পুরো নীতিমালা বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে ‘জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা’ ও ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি’ পুনর্বহাল, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে স্বচ্ছ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শুরু এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের মূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে
আগামী ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত মথুরা রোডের স্যার মার্ক টুলি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটি হবে। ক্লাবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোতেও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে সে অনুষ্ঠান।
১ দিন আগে
‘জাতীয় রাজনীতিতে যখন আসলাম, আমাদের বাবার বয়সী, দাদার বয়সী লোকেরাও যে মুখে এক কথা বলে পরের দিন প্রতারণা করতে পারে— এটা আমরা প্রথমে আসলে বুঝে উঠতে পারিনি। ফলে তাদের অনেক কিছুতেই হয়তো ভরসা রাখতে গিয়ে আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি—। এটা আমাদের জন্য শিক্ষা। শিখলাম, পরবর্তী সময়ে আর বিশ্বাস করা যাবে না,’— বল
২ দিন আগে
ওই অভিযোগের তদন্তের জন্য রোববার দুপুরে প্রাধ্যক্ষ তার কক্ষে ইব্রাহীম খলিলকে ডাকেন জানিয়ে মোছাদ্দিক বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রভোস্ট অফিসে তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আমরাও প্রভোস্ট অফিসের বাইরে অবস্থান নিয়ে ছিলাম। তখন তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমরা ভেতরে ঢুকলে তারা আবার হামলা চালায়। হামলায়
২ দিন আগে