
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে আজকের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল। আজকের দিনের শপথ সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশে যে বিষবৃক্ষ ছড়িয়েছে, তা সমূলে উৎপাটন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বিজয়কে সুসংহত করা।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো এবং টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে স্বাধীনতা-পাগল, মুক্তিকামী বাঙালি মরণপণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে আমাদের বিজয় ছিল অসম্পূর্ণ। বিজয়ের ঘরে ছিল শূন্যতা। বঙ্গবন্ধু নেই, বিজয়ের মহানায়ক নেই, বিজয় যেন অনুপস্থিত। দশ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু যখন এলেন তখনই আমাদের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়।’
এর আগে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের আজকের দিনে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানের লাহোর থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে লায়ালপুর শহরের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি মুক্তি লাভ করেন শেখ মুজিব। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন যান এবং দিল্লি হয়ে ঢাকায় ফেরেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে আজকের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় পূর্ণতা পেয়েছিল। আজকের দিনের শপথ সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশে যে বিষবৃক্ষ ছড়িয়েছে, তা সমূলে উৎপাটন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বিজয়কে সুসংহত করা।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো এবং টানা চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে স্বাধীনতা-পাগল, মুক্তিকামী বাঙালি মরণপণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে আমরা বিজয় ছিনিয়ে আনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে আমাদের বিজয় ছিল অসম্পূর্ণ। বিজয়ের ঘরে ছিল শূন্যতা। বঙ্গবন্ধু নেই, বিজয়ের মহানায়ক নেই, বিজয় যেন অনুপস্থিত। দশ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু যখন এলেন তখনই আমাদের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়।’
এর আগে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের আজকের দিনে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানের লাহোর থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে লায়ালপুর শহরের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি মুক্তি লাভ করেন শেখ মুজিব। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন যান এবং দিল্লি হয়ে ঢাকায় ফেরেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
১ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১ দিন আগে