
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়বো। যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ ও দুর্নিতি মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের হাজার বছরের যে ঐতিহ্য রয়েছে সেটি আমরা রক্ষা করবো।
শুক্রবার (৭ জুন) সকালে ১৯৭৫ পরবর্তী বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদকারীদের সংগঠন ‘প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য (নেত্রকোন-১) পরলোকগমনকারী বাবু মানু মজুমদার স্মরণে প্রার্থনা ও স্মরণ সভায় কেআইবি কনভেনশন হলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা আদর্শবান মানুষ, যারা বাংলাদেশকে ভালোবাসে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে, খুনিদের বিপক্ষে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে তাদের যারা দুষ্কৃতিকারী বলে তাদের আত্মপরিচয় কি সেটি এখনই জানার উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার কন্যার কাছে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থান অনেক উপরে। তাদের প্রতি দেশরত্নের দায়িত্ববোধ, শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা রয়েছে। তাদের প্রতি দেশরত্নের যে ভালোবাসা রয়েছে, সেই জায়গা থেকেই মানু মজুমদার মহান জাতীয় সংসদে গিয়েছেন। প্রকৃত অর্থে তিনি ছিলেন প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতিনিধি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ মানুষের হৃদয়ে থাকবে।
নাছিম বলেন, মানু মজুমদার জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক ছিলেন। তার ভেতর কোনো অহংকার ছিল না। তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। তার বাস্তব অভিজ্ঞতার শিক্ষা আমাদের আলোকিত করেছে। তার মানবিক কাজগুলো তাকে সব সময় বাঁচিয়ে রাখবে। তিনি সবসময় আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।
তিনি বলেন, মানু মজুমদারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাবো। তিনি তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বলে গিয়েছেন আমরা যাতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দিকে খেয়াল রাখি। আমি আজকের এই সভায় দাঁড়িয়ে বলতে চাই আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। আমরা যদি তার লক্ষ পূরণে কাজ না করি এটি হবে বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা কখনো তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারি না।
প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও শফিকুল ইসলাম জিন্নাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বাবু দীপঙ্কর তালুকদার এমপি, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, মানু মজুমদারের সহধর্মিণী
প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি আ হা. সেলিম তালুকদারের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য বাবু দীপঙ্কর তালুকদার, কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, প্রয়াত মানু মজুমদারের সহধর্মিণী ক্যামেলিয়া বিশ্বাস।
স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের নেতা ও নেত্রকোনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অসিত সরকার সজল, প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের নেতা মীর দেলোয়ার হোসেন, আব্দুস সামাদ পিন্টু, আব্দুল কাইয়ুম খসরু, আব্দুর উফ শিকদার, দূর্গাপুর উপজেলা প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি গিলভাট, ধোবাউড়া উপজেলা প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বজলুর রহমান, প্রতিরোধ যোদ্ধা আমজাদ হোসেন।
প্রয়াত মানু মজুমদারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়বো। যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ ও দুর্নিতি মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের হাজার বছরের যে ঐতিহ্য রয়েছে সেটি আমরা রক্ষা করবো।
শুক্রবার (৭ জুন) সকালে ১৯৭৫ পরবর্তী বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদকারীদের সংগঠন ‘প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য (নেত্রকোন-১) পরলোকগমনকারী বাবু মানু মজুমদার স্মরণে প্রার্থনা ও স্মরণ সভায় কেআইবি কনভেনশন হলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা আদর্শবান মানুষ, যারা বাংলাদেশকে ভালোবাসে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে, খুনিদের বিপক্ষে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে তাদের যারা দুষ্কৃতিকারী বলে তাদের আত্মপরিচয় কি সেটি এখনই জানার উপযুক্ত সময়।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার কন্যার কাছে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থান অনেক উপরে। তাদের প্রতি দেশরত্নের দায়িত্ববোধ, শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা রয়েছে। তাদের প্রতি দেশরত্নের যে ভালোবাসা রয়েছে, সেই জায়গা থেকেই মানু মজুমদার মহান জাতীয় সংসদে গিয়েছেন। প্রকৃত অর্থে তিনি ছিলেন প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতিনিধি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ মানুষের হৃদয়ে থাকবে।
নাছিম বলেন, মানু মজুমদার জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক ছিলেন। তার ভেতর কোনো অহংকার ছিল না। তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। তার বাস্তব অভিজ্ঞতার শিক্ষা আমাদের আলোকিত করেছে। তার মানবিক কাজগুলো তাকে সব সময় বাঁচিয়ে রাখবে। তিনি সবসময় আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।
তিনি বলেন, মানু মজুমদারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাবো। তিনি তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বলে গিয়েছেন আমরা যাতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দিকে খেয়াল রাখি। আমি আজকের এই সভায় দাঁড়িয়ে বলতে চাই আমরা আপনাদের পাশে আছি। আমরা সব সময় আপনাদের পাশে থাকবো। আমরা যদি তার লক্ষ পূরণে কাজ না করি এটি হবে বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা কখনো তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারি না।
প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও শফিকুল ইসলাম জিন্নাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বাবু দীপঙ্কর তালুকদার এমপি, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, মানু মজুমদারের সহধর্মিণী
প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি আ হা. সেলিম তালুকদারের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য বাবু দীপঙ্কর তালুকদার, কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, প্রয়াত মানু মজুমদারের সহধর্মিণী ক্যামেলিয়া বিশ্বাস।
স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের নেতা ও নেত্রকোনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অসিত সরকার সজল, প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের নেতা মীর দেলোয়ার হোসেন, আব্দুস সামাদ পিন্টু, আব্দুল কাইয়ুম খসরু, আব্দুর উফ শিকদার, দূর্গাপুর উপজেলা প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি গিলভাট, ধোবাউড়া উপজেলা প্রতিরোধ যোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বজলুর রহমান, প্রতিরোধ যোদ্ধা আমজাদ হোসেন।
প্রয়াত মানু মজুমদারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে