
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। এই শক্তির নেতা মঈন খান বলে তারা নাকি দেশের স্বাধীনতা ও রক্ষার জন্য সংগ্রাম করছে। তাদের সংগ্রাম হলো মানুষকে হত্যা করা। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। এরা ১৭ কোটি মানুষের স্বার্থকে তাদের পকেটে বন্দী করতে চায়। আমাদের জাতীয় চরিত্র অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যা তারা ধ্বংস করতে চায়।
সোমবার বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের জরুরি বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের হত্যার জন্য এ বিএনপি-জামায়াত দায়ী। ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির জন্য এরা দায়ী। এরা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিল। ওরা মনে করেছে দেশের মানুষ ওদের কর্মকাণ্ড ভুলে গিয়েছে। এখন সন্ত্রাসী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মঈন খানরা নাকি স্বাধীনতা রক্ষা করবে। ৭ হাজার মাইল দূরে থেকে উনি সন্ত্রাসী দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের শহিদ মিনারের পবিত্রতা যারা নষ্ট করবে তাদের কীভাবে শিক্ষা দিতে হয় আওয়ামী লীগ জানে। এরাই দেশকে ধ্বংস করার জন্য প্রভুদের কাছে বারবার ধর্না দিয়েছিল। এরা আমাদের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এরাই জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছে। এরাই দেশে সামরিক শাসন সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বুটের তলায় পিষ্ট করে আমাদের সংবিধানকে অপবিত্র করেছে।
নাছিম বলেন, আমাদের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত আনা বিএনপি-জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে দেশের মানুষদের সংযুক্ত করে দাত ভাঙ্গা জবাব দিব। আমরা প্রমাণ করবো এই বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের। এই আওয়ামী লীগের, এই বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী কাউকে আমরা অপকর্ম করতে দিব না। তারা দেশের মানুষদের আর বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি সকালে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে আসবে। সেখানে লেখা থাকবে ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’। আমাদের দেখে অন্যরা শিখবে। অতীতে আমাদের নেতারা যা করে গেছে তা থেকেও আমাদের শিখতে হবে। আমাদের মিছিল কেউ ভাঙতে পারবে না। আমরা যেন মিছিলের শৃঙ্খলা নষ্ট না করি। প্রথমে কেন্দ্রীয় নেতারা, তারপর মহানগরের নেতারা এবং তারপরে ওয়ার্ড নেতারা থাকবে। আমরা মিছিলকে স্লোগানে মুখরিত করব। শহিদ মিনার আওয়ামী লীগ করেছে। আমাদের এর পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। এই শক্তির নেতা মঈন খান বলে তারা নাকি দেশের স্বাধীনতা ও রক্ষার জন্য সংগ্রাম করছে। তাদের সংগ্রাম হলো মানুষকে হত্যা করা। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। এরা ১৭ কোটি মানুষের স্বার্থকে তাদের পকেটে বন্দী করতে চায়। আমাদের জাতীয় চরিত্র অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যা তারা ধ্বংস করতে চায়।
সোমবার বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের জরুরি বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের হত্যার জন্য এ বিএনপি-জামায়াত দায়ী। ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির জন্য এরা দায়ী। এরা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিল। ওরা মনে করেছে দেশের মানুষ ওদের কর্মকাণ্ড ভুলে গিয়েছে। এখন সন্ত্রাসী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মঈন খানরা নাকি স্বাধীনতা রক্ষা করবে। ৭ হাজার মাইল দূরে থেকে উনি সন্ত্রাসী দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের শহিদ মিনারের পবিত্রতা যারা নষ্ট করবে তাদের কীভাবে শিক্ষা দিতে হয় আওয়ামী লীগ জানে। এরাই দেশকে ধ্বংস করার জন্য প্রভুদের কাছে বারবার ধর্না দিয়েছিল। এরা আমাদের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এরাই জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছে। এরাই দেশে সামরিক শাসন সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বুটের তলায় পিষ্ট করে আমাদের সংবিধানকে অপবিত্র করেছে।
নাছিম বলেন, আমাদের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত আনা বিএনপি-জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে দেশের মানুষদের সংযুক্ত করে দাত ভাঙ্গা জবাব দিব। আমরা প্রমাণ করবো এই বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের। এই আওয়ামী লীগের, এই বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী কাউকে আমরা অপকর্ম করতে দিব না। তারা দেশের মানুষদের আর বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি সকালে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে আসবে। সেখানে লেখা থাকবে ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’। আমাদের দেখে অন্যরা শিখবে। অতীতে আমাদের নেতারা যা করে গেছে তা থেকেও আমাদের শিখতে হবে। আমাদের মিছিল কেউ ভাঙতে পারবে না। আমরা যেন মিছিলের শৃঙ্খলা নষ্ট না করি। প্রথমে কেন্দ্রীয় নেতারা, তারপর মহানগরের নেতারা এবং তারপরে ওয়ার্ড নেতারা থাকবে। আমরা মিছিলকে স্লোগানে মুখরিত করব। শহিদ মিনার আওয়ামী লীগ করেছে। আমাদের এর পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে