
বাসস

রাজধানীতে লাখো মানুষের ঢল নামিয়ে দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উপলক্ষে ‘বর্ণাঢ্য র্যালি ও শোভাযাত্রা’ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দলটি। যানজট এড়াতে শোভাযাত্রাটি ছুটির দিন শুক্রবার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরীর ১৫টি নির্বাচনী এলাকা, ৪১টি থানা এবং শতাধিক ওয়ার্ড থেকে অজস্র মিছিলের স্রোত এসে মিশেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে। পুরো রাজধানীই পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। ৫২ বছর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যেস্থানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল ঠিক সেই স্থান থেকেই শোভাযাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ।
দলের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের সামনে রাস্তার উপর স্থাপিত মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলের নেতারা।
আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় দলীয় নেতাকর্মীসহ নেমেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের ঢল। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে বিজয় শোভাযাত্রা করে মিলিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সামনে। অজস্র মিছিলের স্রোতে দুপুর ২টার আগেই শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন মোড় পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ট্রাকে লাগানো মাইকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।
শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সম্বলিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে হাজির হয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একইসাথে লাল-সবুজ টি-শার্ট, ক্যাপ, শাড়ি পরে, হাতে নৌকা, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে, নেচে-গেয়ে জনতার স্রোত নামে রাজপথে।
আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতী লীগ, কৃষকলীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার আকর্ষণ দুই হাতি
শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানা সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দেখা মিলেছে দুটি হাতির। যা শোভাযাত্রায় আসা নেতাকর্মীদের বিশেষ দৃষ্টি কেড়েছে। হাতি দুটির ওপর দু’জন করে চারজন মাহুতকে দেখা গেছে।
দলীয় কোনো নেতাকর্মী হাতির পিঠে না চাপলেও হাতির মাথার সামনে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ছবি সম্বলিত পোস্টার। এছাড়া হাতির পিঠে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা বিশাল ব্যানার বাধা হয়েছে।

রাজধানীতে লাখো মানুষের ঢল নামিয়ে দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উপলক্ষে ‘বর্ণাঢ্য র্যালি ও শোভাযাত্রা’ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দলটি। যানজট এড়াতে শোভাযাত্রাটি ছুটির দিন শুক্রবার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরীর ১৫টি নির্বাচনী এলাকা, ৪১টি থানা এবং শতাধিক ওয়ার্ড থেকে অজস্র মিছিলের স্রোত এসে মিশেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে। পুরো রাজধানীই পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। ৫২ বছর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যেস্থানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল ঠিক সেই স্থান থেকেই শোভাযাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ।
দলের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের সামনে রাস্তার উপর স্থাপিত মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলের নেতারা।
আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় দলীয় নেতাকর্মীসহ নেমেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের ঢল। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে বিজয় শোভাযাত্রা করে মিলিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সামনে। অজস্র মিছিলের স্রোতে দুপুর ২টার আগেই শাহবাগ থেকে মৎস্যভবন মোড় পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ট্রাকে লাগানো মাইকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।
শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সম্বলিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে হাজির হয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একইসাথে লাল-সবুজ টি-শার্ট, ক্যাপ, শাড়ি পরে, হাতে নৌকা, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে, নেচে-গেয়ে জনতার স্রোত নামে রাজপথে।
আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতী লীগ, কৃষকলীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার আকর্ষণ দুই হাতি
শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানা সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দেখা মিলেছে দুটি হাতির। যা শোভাযাত্রায় আসা নেতাকর্মীদের বিশেষ দৃষ্টি কেড়েছে। হাতি দুটির ওপর দু’জন করে চারজন মাহুতকে দেখা গেছে।
দলীয় কোনো নেতাকর্মী হাতির পিঠে না চাপলেও হাতির মাথার সামনে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ছবি সম্বলিত পোস্টার। এছাড়া হাতির পিঠে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা বিশাল ব্যানার বাধা হয়েছে।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকারের অত্যাচারের কারণে অনেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব নেন। এখন তাদের প্রার্থিতা বাতিল করলে অন্যায় হবে। পোস্টাল ব্যালটে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা ভোটার হয়েছে। তাদের কাছে পাঠানো ব্যালট পেপারে উদ্দেশ্যমূলকভাবে একটি রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক আগে দেওয়া হয়েছে। ইসি মনে হয় বিষয়টা খেয়াল করেনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের সিদ্দিকী, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সৈয়দ মো. সোহেল চেয়ারম্যান (এস এম আতাউল মোস্তফা সোহেল), চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা খোরশেদ
১৮ ঘণ্টা আগে
ছোট রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
১৮ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
১৮ ঘণ্টা আগে