
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আদালতে দাঁড়িয়ে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মিথ্যা বলেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তাকে পুলিশি হেফাজতে কোনো অত্যাচার করা হয়নি। বরং আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় অনুষ্ঠিত শরৎ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ্যানি প্রমাণ দেখাতে পারেননি কোর্টে যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পুলিশ তাকে অত্যাচার করেছে।
থানায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, সেখানেও কোনো আলামত আমরা দেখতে পাইনি। কোর্ট ইন্সপেক্টর সুন্দর করে তার জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, মাননীয় আদালত, তিনি সাদা পোশাক পরা ছিলেন, যে পোশাকে তিনি এখনো দাঁড়িয়ে আছেন। সেই পোশাকের কোনো এক জায়গায় কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই।
তিনিও আঘাতের চিহ্ন প্রমাণ করতে পারেননি। কাজেই এগুলো সবই অসত্য কথা।
নিরাপত্তা বাহিনী সব সময়ই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কাজ করে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, আমরা সব সময় বলে থাকি- যারা আসামি হয়ে যান বা মামলা হয় বা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি, তারা কোর্টে গিয়ে জামিন নিয়ে নেন। এ্যানি সাহেব জামিন না নেওয়ায় পুলিশ তাকে ধরতে যায়।
এটা পুলিশের কর্তব্য। তাকে বলা হয়েছিল, আত্মীয়-স্বজনকেও অনুরোধ করা হয়েছিল দরজাটা খুলে দিতে। কিন্তু দরজা না খোলায় পুলিশ দরজায় ধাক্কা দিয়েছিল, জোর করে দরজা ভাঙেনি বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিনগত রাতে এ্যানিকে তার ধানমণ্ডির বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে বিএনপি। এর পর বুধবার ধানমণ্ডি থানার নাশকতার মামলায় ঢাকার আদালতে এ্যানিকে হাজির করে পুলিশ। এ মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

আদালতে দাঁড়িয়ে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মিথ্যা বলেছেন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তাকে পুলিশি হেফাজতে কোনো অত্যাচার করা হয়নি। বরং আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি এ বিষয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় অনুষ্ঠিত শরৎ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ্যানি প্রমাণ দেখাতে পারেননি কোর্টে যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পুলিশ তাকে অত্যাচার করেছে।
থানায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, সেখানেও কোনো আলামত আমরা দেখতে পাইনি। কোর্ট ইন্সপেক্টর সুন্দর করে তার জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, মাননীয় আদালত, তিনি সাদা পোশাক পরা ছিলেন, যে পোশাকে তিনি এখনো দাঁড়িয়ে আছেন। সেই পোশাকের কোনো এক জায়গায় কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই।
তিনিও আঘাতের চিহ্ন প্রমাণ করতে পারেননি। কাজেই এগুলো সবই অসত্য কথা।
নিরাপত্তা বাহিনী সব সময়ই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কাজ করে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, আমরা সব সময় বলে থাকি- যারা আসামি হয়ে যান বা মামলা হয় বা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি, তারা কোর্টে গিয়ে জামিন নিয়ে নেন। এ্যানি সাহেব জামিন না নেওয়ায় পুলিশ তাকে ধরতে যায়।
এটা পুলিশের কর্তব্য। তাকে বলা হয়েছিল, আত্মীয়-স্বজনকেও অনুরোধ করা হয়েছিল দরজাটা খুলে দিতে। কিন্তু দরজা না খোলায় পুলিশ দরজায় ধাক্কা দিয়েছিল, জোর করে দরজা ভাঙেনি বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিনগত রাতে এ্যানিকে তার ধানমণ্ডির বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করে বিএনপি। এর পর বুধবার ধানমণ্ডি থানার নাশকতার মামলায় ঢাকার আদালতে এ্যানিকে হাজির করে পুলিশ। এ মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে