
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ওপর ভর করে বিএনপি সরকার হটাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
কোটা নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার জানিয়ে কাদের বলেন, ‘যারা আজকে আন্দোলন করছেন, তাদের আইনজীবী আদলতে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাদের কথা নিশ্চয়ই আদালত শুনবেন, সরকার পক্ষের কথাও শুনবেন। সব পক্ষের কথা শুনে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবে। এটাই আমরা আশা করি।’
সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে যাই করি, জনদুর্ভোগের কারণ যাতে সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের অবশ্যই সতর্ক মনোযোগ আমরা আশা করছি।’
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের কারও কোনো প্রকার উসকানিতে আমরা যাব না। আমাদের কেউ যেন কোনো প্রকার উসকানিতে না যায় সে ব্যাপারে আমরা সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। আপনারা জানেন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে আছেন। তিনি যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবেই আমরা চলছি।
‘তিনি বহু আন্দোলন করেছেন, আবার অনেক আন্দোলন মোকাবিলাও করেছেন। তার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ নেতৃত্বে আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাব। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত,’ যোগ করেন কাদের।
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাত্রলীগকে খুব সতর্কভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। কোনো অবস্থায় উসকানি দেওয়া যাবে না এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও নেত্রী (শেখ হাসিনা) নির্দেশ দিয়ে গেছেন, তাদের পক্ষ থেকেও কোনো উসকানি যাতে না দেওয়া হয়।’
সর্বজনীন পেনশন প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হলেও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। সেটাও খুব বেশি জটিল সমস্যা নয় যে, সমাধানের অযোগ্য। এটার সমাধান অচিরেই হয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি, আশা করি।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলনও অরাজনৈতিক এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও অরাজনৈতিক। এই অরাজনৈতিক আন্দোলনে বিএনপি এবং তাদের সমমনষ্কদের কারও কারও রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এই অসম মহলটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দাবির বিষয়কে উসকানি দিয়ে-ইন্ধন দিয়ে যাতে দেশে একটি বিশৃঙ্খলার আবহ তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সর্বত্রই আমাদের সাবধান থাকতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ‘(বিএনপি) নিজেরা আন্দোলন করতে পারেনি। ২০১৮ সালে কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। এবারও তারা; নিজেরা আন্দোলনে ব্যর্থ, হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনে যায়নি, এখন যদি কোটা সংস্কার আন্দোলনের ওপর ভর করে সরকার হটানোর দুরভিসন্ধি বাস্তবায়ন করা যায়—সেটাই হলো তাদের লক্ষ্য। কাজেই অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সেটা আমি সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
বিএনপি আবারও অভিযোগ তুলেছে সরকার রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে দিচ্ছে না, বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন—গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘কারণটা আইনগত, রাজনৈতিক নয়। এখন বিএনপি সব কিছুতেই রাজনীতির গন্ধ খুঁজে পায়। বেগম জিয়ার জন্য লিগ্যাল ব্যাটেলটা করেনি তারা। মাসের পর মাস আদালতে উপস্থিতি থেকে তারা খালেদা জিয়াকে বিরত রেখেছে। তাকে উপস্থিত হতে দেননি। মামলাটাকে প্রলম্বিত করা হয়েছে। জামিনও চায়নি। আর এই শহরে দৃশ্যমান একটা বিক্ষোভ মিছিল খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপি করেছে এমন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।’
আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসা হবে সেটা কি আমরা বলেছি? তারা কী বললো সেটা ব্যাপার না। আমাদের সুবিধা-অসুবিধা থাকতে পারে। আমরা তাদের কোনো প্রকার অসম্মান তো করছি না। আমরা তাদের আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছি, সময় মতো এটা সমাধান হয়ে যাবে। এটাই আমরা আশা করি।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনের ওপর ভর করে বিএনপি সরকার হটাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
কোটা নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার জানিয়ে কাদের বলেন, ‘যারা আজকে আন্দোলন করছেন, তাদের আইনজীবী আদলতে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাদের কথা নিশ্চয়ই আদালত শুনবেন, সরকার পক্ষের কথাও শুনবেন। সব পক্ষের কথা শুনে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেবে। এটাই আমরা আশা করি।’
সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে যাই করি, জনদুর্ভোগের কারণ যাতে সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের অবশ্যই সতর্ক মনোযোগ আমরা আশা করছি।’
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের কারও কোনো প্রকার উসকানিতে আমরা যাব না। আমাদের কেউ যেন কোনো প্রকার উসকানিতে না যায় সে ব্যাপারে আমরা সবাইকে সতর্ক করে দিচ্ছি। আপনারা জানেন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে আছেন। তিনি যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবেই আমরা চলছি।
‘তিনি বহু আন্দোলন করেছেন, আবার অনেক আন্দোলন মোকাবিলাও করেছেন। তার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ নেতৃত্বে আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাব। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত,’ যোগ করেন কাদের।
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাত্রলীগকে খুব সতর্কভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। কোনো অবস্থায় উসকানি দেওয়া যাবে না এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও নেত্রী (শেখ হাসিনা) নির্দেশ দিয়ে গেছেন, তাদের পক্ষ থেকেও কোনো উসকানি যাতে না দেওয়া হয়।’
সর্বজনীন পেনশন প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক বৈঠক না হলেও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। সেটাও খুব বেশি জটিল সমস্যা নয় যে, সমাধানের অযোগ্য। এটার সমাধান অচিরেই হয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি, আশা করি।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলনও অরাজনৈতিক এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও অরাজনৈতিক। এই অরাজনৈতিক আন্দোলনে বিএনপি এবং তাদের সমমনষ্কদের কারও কারও রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এই অসম মহলটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দাবির বিষয়কে উসকানি দিয়ে-ইন্ধন দিয়ে যাতে দেশে একটি বিশৃঙ্খলার আবহ তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সর্বত্রই আমাদের সাবধান থাকতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ‘(বিএনপি) নিজেরা আন্দোলন করতে পারেনি। ২০১৮ সালে কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। এবারও তারা; নিজেরা আন্দোলনে ব্যর্থ, হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনে যায়নি, এখন যদি কোটা সংস্কার আন্দোলনের ওপর ভর করে সরকার হটানোর দুরভিসন্ধি বাস্তবায়ন করা যায়—সেটাই হলো তাদের লক্ষ্য। কাজেই অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সেটা আমি সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’
বিএনপি আবারও অভিযোগ তুলেছে সরকার রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে দিচ্ছে না, বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন—গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘কারণটা আইনগত, রাজনৈতিক নয়। এখন বিএনপি সব কিছুতেই রাজনীতির গন্ধ খুঁজে পায়। বেগম জিয়ার জন্য লিগ্যাল ব্যাটেলটা করেনি তারা। মাসের পর মাস আদালতে উপস্থিতি থেকে তারা খালেদা জিয়াকে বিরত রেখেছে। তাকে উপস্থিত হতে দেননি। মামলাটাকে প্রলম্বিত করা হয়েছে। জামিনও চায়নি। আর এই শহরে দৃশ্যমান একটা বিক্ষোভ মিছিল খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপি করেছে এমন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।’
আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসা হবে সেটা কি আমরা বলেছি? তারা কী বললো সেটা ব্যাপার না। আমাদের সুবিধা-অসুবিধা থাকতে পারে। আমরা তাদের কোনো প্রকার অসম্মান তো করছি না। আমরা তাদের আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছি, সময় মতো এটা সমাধান হয়ে যাবে। এটাই আমরা আশা করি।’

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
১ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে