
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক যে বক্তব্য দিয়েছে তা নিয়ে সামান্যতম কোন অসস্তিতে নেই আওয়ামী লীগ সরকার।
শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। সম্পর্ক আরও ভালো করার জন্য আমরা যথেষ্ট ধৈর্যশীল। আর বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়া ছিল দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচনের পরেও বিএনপির নেতৃত্বে চিহ্নিত অপশক্তি নির্বাচনকে বিতর্কিত করার পায়তারা করছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অগণতান্ত্রিক পন্থায় অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাতে দেশি বিদেশি অবতারপরতা ছিল। এখন নেই, সেটা বলা যায় না।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন নির্বাচিত সরকারের অধীনে একটি নির্বাচন সম্ভব। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ হত। তবে তাদের অনুপস্থিতিতেও নির্বাচন ভোটারশুন্য ও প্রতিদ্বন্দিতাহীন হয়নি।
এ সময় বিএনপির চুপ থাকা প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা এখন শক্তি সঞ্চয় করছে বড় ধরনের সহিংসতার জন্য। তাদের প্রতি নতুন করে আর কোন আমাদের আহ্বান নেই। তারা নেতিবাচক রাজনীতি থেকে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসুক এটাই চাই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সমস্যা নিয়েই এখন শেখ হাসিনা সরকারের সব ভাবনা। ফেলে যাওয়া সংকট নিয়ে সময় ক্ষেপণ করার সময় আমাদের নেই। দায়িত্বশীল পদে যারা রয়েছেন তাদের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক যে বক্তব্য দিয়েছে তা নিয়ে সামান্যতম কোন অসস্তিতে নেই আওয়ামী লীগ সরকার।
শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। সম্পর্ক আরও ভালো করার জন্য আমরা যথেষ্ট ধৈর্যশীল। আর বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়া ছিল দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচনের পরেও বিএনপির নেতৃত্বে চিহ্নিত অপশক্তি নির্বাচনকে বিতর্কিত করার পায়তারা করছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অগণতান্ত্রিক পন্থায় অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাতে দেশি বিদেশি অবতারপরতা ছিল। এখন নেই, সেটা বলা যায় না।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন নির্বাচিত সরকারের অধীনে একটি নির্বাচন সম্ভব। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ হত। তবে তাদের অনুপস্থিতিতেও নির্বাচন ভোটারশুন্য ও প্রতিদ্বন্দিতাহীন হয়নি।
এ সময় বিএনপির চুপ থাকা প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা এখন শক্তি সঞ্চয় করছে বড় ধরনের সহিংসতার জন্য। তাদের প্রতি নতুন করে আর কোন আমাদের আহ্বান নেই। তারা নেতিবাচক রাজনীতি থেকে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসুক এটাই চাই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সমস্যা নিয়েই এখন শেখ হাসিনা সরকারের সব ভাবনা। ফেলে যাওয়া সংকট নিয়ে সময় ক্ষেপণ করার সময় আমাদের নেই। দায়িত্বশীল পদে যারা রয়েছেন তাদের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

অবশেষে ১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাচ্ছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এরই মধ্যে মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের জরুরি বৈঠক বসেছেন জোটের অন্য ১০ দলের নেতারা।
৬ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৭ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে