
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে যারা দেশকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, সেই চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী বিএনপি-জামাত যখন দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে, তখন সত্যিই আমাদের দুঃখ ও লজ্জা হয়। এই দুর্নীতিবাজরা মুখ দিয়ে যখন বড় বড় কথা বলে প্রকারান্তরে তারা দুর্নীতিবাজদের সাহসী করে তুলছে। দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার জন্যই মূলত বিএনপি-জামাতীরা নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরা কখনো দেশের মঙ্গল চায় না।
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের ২য় মৃত্যুবার্ষী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশকে পিছিয়ে নেয়ার জন্য বিএনপি-জামাত এখনো নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরা গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ষড়যন্ত্র ও বিরাজনীতি করণের পেছনে এরা হাটে। তারা জানে দেশের মানুষের ভোটের মধ্যে দিয়ে তারা কখনো সমর্থন পাবে না। যারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে দেশের মানুষ তাদের পছন্দ করে না। এর কারণে তারা ভোটের রাজনীতি ছেড়ে সরকারের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ও বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতিবাজদের অপকর্মের নজির আমরা দেখতে পাচ্ছি। এদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এদের নির্মূলের মধ্যে দিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার যে দুর্নীতিবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি কোনো দলের একার পক্ষের কাজ নয়। এর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের সর্ব স্তরের মানুষ এগিয়ে আসলে দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্মল রঞ্জন গুহ এমন একজন মানুষ ছিলেন, যার ওপর ভরসা ও বিশ্বাস ও আস্থা করা যেত। ওয়ান ইলেভেনের সময় তার যে অবদান ছিল, দেশের মানুষ তা সব সময় মনে রাখবে। তিনি দলের জন্য সব কাজ আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা থেকে করতেন। তিনি কখনো বিশ্বাস ঘাতকের মতো কোনো কাজ করেননি। তিনি ছিলেন ন্যায়ের প্রতীক।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বাস ঘাতকদের দেশের মানুষ ভালোবাসে না। আমি মনে করি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিটি কর্মী বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীরা দলের প্রতি সব সময় অবিচল থাকে। তাদের দলের নীতির প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা বোধ থাকে। আস্থা ও সম্মান দলের প্রতি থাকলে নিজেকে প্রস্তুত করা যায়। আর নিজেকে প্রস্তুত করলে আপনারা নিজে, দল ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা গর্বিত হয়। আর এতে করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ম আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সহ সভাপতি মজিবর রহমান স্বপন, আব্দুল আলীম বেপারী, কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, খায়রুল হাসান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সায়েম, কৃষিবিদ আ ফ ম মাহবুবুল হাসান, প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বিটু, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইসহাক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাঈম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে যারা দেশকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, সেই চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী বিএনপি-জামাত যখন দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে, তখন সত্যিই আমাদের দুঃখ ও লজ্জা হয়। এই দুর্নীতিবাজরা মুখ দিয়ে যখন বড় বড় কথা বলে প্রকারান্তরে তারা দুর্নীতিবাজদের সাহসী করে তুলছে। দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার জন্যই মূলত বিএনপি-জামাতীরা নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরা কখনো দেশের মঙ্গল চায় না।
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের ২য় মৃত্যুবার্ষী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশকে পিছিয়ে নেয়ার জন্য বিএনপি-জামাত এখনো নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরা গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়। ষড়যন্ত্র ও বিরাজনীতি করণের পেছনে এরা হাটে। তারা জানে দেশের মানুষের ভোটের মধ্যে দিয়ে তারা কখনো সমর্থন পাবে না। যারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে দেশের মানুষ তাদের পছন্দ করে না। এর কারণে তারা ভোটের রাজনীতি ছেড়ে সরকারের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ও বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতিবাজদের অপকর্মের নজির আমরা দেখতে পাচ্ছি। এদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এদের নির্মূলের মধ্যে দিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার যে দুর্নীতিবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি কোনো দলের একার পক্ষের কাজ নয়। এর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের সর্ব স্তরের মানুষ এগিয়ে আসলে দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্মল রঞ্জন গুহ এমন একজন মানুষ ছিলেন, যার ওপর ভরসা ও বিশ্বাস ও আস্থা করা যেত। ওয়ান ইলেভেনের সময় তার যে অবদান ছিল, দেশের মানুষ তা সব সময় মনে রাখবে। তিনি দলের জন্য সব কাজ আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা থেকে করতেন। তিনি কখনো বিশ্বাস ঘাতকের মতো কোনো কাজ করেননি। তিনি ছিলেন ন্যায়ের প্রতীক।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বাস ঘাতকদের দেশের মানুষ ভালোবাসে না। আমি মনে করি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিটি কর্মী বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীরা দলের প্রতি সব সময় অবিচল থাকে। তাদের দলের নীতির প্রতি, নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা বোধ থাকে। আস্থা ও সম্মান দলের প্রতি থাকলে নিজেকে প্রস্তুত করা যায়। আর নিজেকে প্রস্তুত করলে আপনারা নিজে, দল ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা গর্বিত হয়। আর এতে করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ম আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সহ সভাপতি মজিবর রহমান স্বপন, আব্দুল আলীম বেপারী, কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, খায়রুল হাসান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সায়েম, কৃষিবিদ আ ফ ম মাহবুবুল হাসান, প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বিটু, দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইসহাক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাঈম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে