
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকাকে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য মো. খসরু চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ঢাকা-১৮ এর আওয়াতাধীন এলাকায় সব ধরনের চাঁদাবাজি, ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন, গণমাধ্যম, রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনের আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। আমার এলাকার সব ফুটপাতকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে চাই। এজন্য স্থানীয় কাউন্সিলর এবং প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হয়ে আমাকে সহযোগিতা করার দাবি জানাচ্ছি।
আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।
খসরু চৌধুরী বলেন, রামজান মাসে ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্গত কোনো মার্কেট বা বাজারে কারসাজি করে কোনো নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো যাবে না। কেউ কোনো পণ্য অতিরিক্ত মজুদ করে, কিংবা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ কারসাজি করলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা ননবো। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন মার্কেট কমিটিকে জবাবদিহিতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, উত্তরা, উত্তরখান এবং দক্ষিণখানসহ আমার সংসদীয় আসন ঢাকা-১৮ এর বিভিন্ন স্থানে চলছে নিরব চাঁদাবাজি। ফুটপাত দখল করে দোকান বা ভ্যান বসিয়ে অনেকে চাদা তুলছেন। আবার কেউ ব্যস্ত রিকশা বা অটো থেকে চাঁদা তুলতে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই- এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজরা যে দলেরই হোক, তাদের প্রতিহত করতে হবে। এরইমধ্যে আমি এসব চাঁদাবাজি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি। তবে পুরোপুরিভাবে এসব চাঁদাবাজি বন্ধে আমি কাউন্সিলর এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। একইসাথে এই এলাকায় রেললাইনের পাশের সরকারি জমিতে কিংবা রাজউকের অনেক জায়গায় অবৈধ মার্কেট বা স্থাপনা করে দখল করে রেখেছে স্বার্থান্বেষী মহল। দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা জরুরি। এ বিষয়ে আমি রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।
সংসদ সদস্য মো. খসরু চৌধুরী বলেন, আপনারা জানেন ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় নতুন আতংকের নাম কিশোর গ্যাং। কিছু গডফাদার এবং অসাধুচক্র এদেরকে মাদক বিক্রিসহ নিজেদের নানা স্বার্থে ব্যবহার করছে। কিশোর গ্যাং এর উৎপাতে অতিষ্ট সাধারণ জনগণ। তাই এদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য মাদক, সন্ত্রাস এবং কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরো জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

ঢাকাকে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য মো. খসরু চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ঢাকা-১৮ এর আওয়াতাধীন এলাকায় সব ধরনের চাঁদাবাজি, ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন, গণমাধ্যম, রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনের আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। আমার এলাকার সব ফুটপাতকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে চাই। এজন্য স্থানীয় কাউন্সিলর এবং প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হয়ে আমাকে সহযোগিতা করার দাবি জানাচ্ছি।
আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।
খসরু চৌধুরী বলেন, রামজান মাসে ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্গত কোনো মার্কেট বা বাজারে কারসাজি করে কোনো নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো যাবে না। কেউ কোনো পণ্য অতিরিক্ত মজুদ করে, কিংবা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ কারসাজি করলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা ননবো। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন মার্কেট কমিটিকে জবাবদিহিতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, উত্তরা, উত্তরখান এবং দক্ষিণখানসহ আমার সংসদীয় আসন ঢাকা-১৮ এর বিভিন্ন স্থানে চলছে নিরব চাঁদাবাজি। ফুটপাত দখল করে দোকান বা ভ্যান বসিয়ে অনেকে চাদা তুলছেন। আবার কেউ ব্যস্ত রিকশা বা অটো থেকে চাঁদা তুলতে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই- এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজরা যে দলেরই হোক, তাদের প্রতিহত করতে হবে। এরইমধ্যে আমি এসব চাঁদাবাজি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি। তবে পুরোপুরিভাবে এসব চাঁদাবাজি বন্ধে আমি কাউন্সিলর এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। একইসাথে এই এলাকায় রেললাইনের পাশের সরকারি জমিতে কিংবা রাজউকের অনেক জায়গায় অবৈধ মার্কেট বা স্থাপনা করে দখল করে রেখেছে স্বার্থান্বেষী মহল। দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা জরুরি। এ বিষয়ে আমি রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।
সংসদ সদস্য মো. খসরু চৌধুরী বলেন, আপনারা জানেন ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় নতুন আতংকের নাম কিশোর গ্যাং। কিছু গডফাদার এবং অসাধুচক্র এদেরকে মাদক বিক্রিসহ নিজেদের নানা স্বার্থে ব্যবহার করছে। কিশোর গ্যাং এর উৎপাতে অতিষ্ট সাধারণ জনগণ। তাই এদের প্রতিহত করতে হবে। এজন্য মাদক, সন্ত্রাস এবং কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরো জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুয়া) উদ্যোগে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য দারুস-সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ১২ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিমসহ জোটের একাধিক শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারে আগামী ২৪ জানুয়ারি কুমিল্লায় আসছেন। তারেক রহমানের আগমন কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়াবে।
১৬ ঘণ্টা আগে