আ.লীগকে ফেরাতে জয়-পুতুলকে নেতৃত্বে আনার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন সেতুর ওপরে শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ফাইল ছবি

জুলাই অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে নির্বাহী আদেশে। শেখ হাসিনা নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকে দলটিতে একক আধিপত্য ধরে রেখেছেন এখন পর্যন্ত। তার অবর্তমানে দলের হাল কে ধরবেন, তা নিয়ে কোনো পরিকল্পনার কথাও কখনো বলেননি। জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পর এসে জানা যাচ্ছে, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল– এই দুজনকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি ভূমিকা থাকবে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিরও।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, মূলত ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের রাহুল-প্রিয়াংকার নেতৃত্বের মডেল থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই শেখ হাসিনা তার ছেলে-মেয়েকে নেতৃত্বে নিয়ে আসতে চাইছেন।

এদিকে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা ওবায়দুল কাদেরও দলে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন। বিবিসি বাংলার খবর বলছে, এ অবস্থায় তাকে এড়িয়ে দলের তিন নেতা আসাদুজ্জামান খান কামাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ওপর ভরসা রাখছেন শেখ হাসিনা।

বিবিসি বাংলার খবর বলছে, মাসদুয়েক আগেও দিল্লিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) 'রিজিওনাল ডিরেক্টর' পদে ছিলেন সায়মা ওয়াজেদ, কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্তৃপক্ষ তাকে অনির্দিষ্টকালীন ছুটিতে পাঠানোর পর শেখ হাসিনার কন্যা এখন পুরাদস্তুর রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন।

অন্যদিকে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ এখন মার্কিন নাগরিক ও আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা, তবে মায়ের পর দলের প্রধান মুখ ও মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনিই। দেশ-বিদেশের মিডিয়াকে সাক্ষাৎকারও দিচ্ছেন ঘন ঘন।

কিন্তু সায়মা ওয়াজেদ যেহেতু মায়ের সঙ্গে একই শহরে ও একই টাইম জোনে রয়েছেন, শেখ হাসিনাকে তিনি সরাসরি সাহায্য করতে পারছেন অনেক বেশি। অনলাইনে মায়ের দেওয়া ভাষণের খসড়া তৈরিতে, কর্মসূচির ক্যালেন্ডার স্থির করতেও সাহায্য করছেন।

এমনকি বাইরের দর্শনার্থীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরাসরি দেখা করার ক্ষেত্রে যেহেতু অনেক বিধিনিষেধ আছে। তাই সে কাজটাও এখন অনেকাংশেই সায়মা ওয়াজেদের ওপর বর্তেছে। গত দুমাসে তিনি বেশ কয়েকবার এরকম বৈঠকও করেছেন।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে, তবে তারা নাম প্রকাশ করতে চাননি। ফলে বলা যেতেই পারে, শেখ হাসিনা এখন ধীরে ধীরে অনেক দায়িত্বই ছেলেমেয়ের ওপরে ছেড়ে দিয়েছেন বা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

আওয়ামী লীগ এ বিষয়ে কী বলছে?

শেখ হাসিনার এই তথাকথিত 'সাকসেসন প্ল্যান' নিয়ে বিবিসি বাংলা ভারতে ও ভারতের বাইরে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে। তারা অনেকেই দলীয় নেতৃত্বে এই 'রাহুল-প্রিয়াঙ্কা' মডেল অনুসরণ করার বিষয়টি নিয়ে অবহিত, এবং বিবিসির কাছে সেটি নিশ্চিতও করেছেন। তবে বিষয়টি আওয়ামী লীগের ভেতরে এতটাই স্পর্শকাতর একটি ইস্যু যে তারা কেউই এটি নিয়ে 'অন রেকর্ড' মুখ খুলতে চাননি।

তবে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরাফাত দাবি করছেন, এ বিষয়টি নিয়ে দলের ভেতরে এখনও কোনো আলোচনাই হয়নি।

আরাফাত বিবিসি বাংলাকে বলেন, সত্যি কথা বলতে, আপনি যে সাকসেসন প্ল্যানের কথা বলছেন সেটা এখন আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যেই পড়ে না। কে কী পদ-পদবী পেলেন, সেটা এখন ভাবারই সময় নয়। দলের মধ্যেও আমরা এটা নিয়ে এখন কথাবার্তা বলছি না। আপনারা জানেন, আমাদের এখন প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা, সেই লক্ষ্যেই সব চেষ্টা নিয়োজিত করা হচ্ছে।

আরাফাত আরও বলেন, এটুকু বলতে পারি– সভানেত্রীর পরিবারের সব সদস্য যেমন, তেমনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী যে যেখানে আছেন সবাই এই একটা লক্ষ্যেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

আরাফাতের কথায়ও ইঙ্গিত ছিল, সজীব ওয়াজেদ তো আগে থেকেই ছিলেন, এখন সায়মা ওয়াজেদও আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকান্ডের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন।

বিবিসি বাংলা বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) তাকে ছুটিতে পাঠানোর পর শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের কাছে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া ছাড়া আর কোনো অপশন ছিল না।

গত মাসেই পুতুল নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে রাজনৈতিক পোস্ট করতে শুরু করেছেন, যেগুলো ছিল তার নিজস্ব কিছু মন্তব্যসহ একটি খালাতো বোন টিউলিপ সিদ্দিকের ও অন্যটি বড় ভাই সজীব ওয়াজেদের করা পোস্টের রিটুইট।

কংগ্রেসে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা মডেলটা কতটা ঠিক?

বিবিসি বাংলা বলছে, বয়সজনিত কারণে ও শারীরিক অসুস্থতার জন্য সোনিয়া গান্ধী যতই সক্রিয় রাজনীতি থেকে আড়ালে চলে যাচ্ছেন, ততই কংগ্রেসের নেতৃত্বর হাল ধরছেন তার ছেলে-মেয়ে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

সোনিয়া গান্ধী অবশ্য এখনো রাজ্যসভার এমপি, পার্লামেন্টেও নিয়মিতই আসেন বা বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাকে দেখা যায়। কিন্তু দলের গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন, ধরণা বা সাংবাদিক বৈঠকে এখন প্রধান মুখ অবশ্যই রাহুল গান্ধী। প্রিয়াঙ্কা রয়েছেন তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীর ভূমিকায়, কিন্তু তিনি বড় ভাইকে কখনো ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেননি।

বস্তুত ভারতে গত বছরের সাধারণ নির্বাচনে অনেক চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নিজে কোনো আসন থেকে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তখন একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটা রাহুল গান্ধীর নির্বাচন। এই লাইমলাইট ওর ওপর থেকে এক চুলও সরে যাক, এটা আমি কখনোই চাইব না।

সেই নির্বাচনে রাহুল গান্ধী দুটি আসনেই জিতলে পরে তার ছেড়ে দেওয়া কেরালার ওয়েনাড থেকে উপনির্বাচনে জিতে লোকসভায় আসেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু সেখানেও বিরোধী দলনেতার আসনে রাহুলই আছেন, প্রিয়াঙ্কা দলের একজন সাধারণ 'ফার্স্ট টাইম এমপি'।

অথচ বড় ভাইয়ের অনেক আগে থেকেই প্রিয়াঙ্কা রাজনীতিতে এসেছেন, সেই ১৯৯৯ থেকেই তিনি উত্তরপ্রদেশে মায়ের হয়ে নির্বাচনি প্রচারে যুক্ত থেকেছেন। কিন্তু নির্বাচন মিটে গেলেই তিনি আবার প্রকাশ্য রাজনীতি থেকে দূরে সরে যেতেন।

আর রাহুল গান্ধী রাজনীতিতে প্রথম পা রাখেন ২০০৪ সালে, যখন আমেঠি আসন থেকে জিতে তিনি প্রথমবার লোকসভার এমপি হন। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এরও বছর তিনেক পরে।

এই মুহূর্তে রাহুল গান্ধীকে একেবারে সামনে ও প্রিয়াঙ্কাকে ঠিক তার পেছনে রেখে যেভাবে ভারতের প্রধান বিরোধী দলটি পরিচালিত হচ্ছে, শেখ হাসিনা সেই 'মডেল'টাই আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করতে চাইছেন বলে তার ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

শেখ হাসিনা ও গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠতা

বিগত এক দশকে নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার মধ্যে একটা 'পার্সোনাল কেমিস্ট্রি' গড়ে উঠলেও গান্ধী পরিবারের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেত্রীর সম্পর্ক অনেক বেশি পুরনো ও অনেক 'পারিবারিক'। সোনিয়া গান্ধী ও তিনি প্রায় সমবয়সীও, শেখ হাসিনা মাত্রই ন'দশ মাসের ছোট।

গত এক দশকে বিজেপি আমলেও শেখ হাসিনা যখনই ভারতে কোনো সরকারি সফরে গিয়েছেন, বিরোধী দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী বা তার ছেলেমেয়ের সঙ্গে দেখা করতে শেখ হাসিনা কখনোই ভোলেননি।

বস্তুত রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনৈতিক জার্নিকে শেখ হাসিনা 'ফলো' করছেন দীর্ঘদিন ধরেই, আর এখন আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও সেই একই ধরনের ফর্মুলাই প্রয়োগ করার চেষ্টা করছেন।

দিল্লিতে প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিনোদ শর্মা মনে করেন, আওয়ামী লীগের জন্য এটাই আসলে 'ন্যাচারাল চয়েস' বা স্বাভাবিক পছন্দ।

তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, ভারতে কংগ্রেসের মতোই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগও চিরাচরিতভাবে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল, আর সেই 'ফার্স্ট ফ্যামিলি' থেকেই এই দলগুলো নেতৃত্ব তুলে আনতে চাইবে এর মধ্যে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বিজেপির সঙ্গে ইদানীং শেখ হাসিনার যতই সুসম্পর্ক থাকুক, বিজেপি-র মডেল আসলে আওয়ামী লীগের জন্য নয়।

কোণঠাসা ওবায়দুল কাদের, গুরুত্ব পাচ্ছেন তিন নেতা

নিজের ছেলেমেয়েকে অঘোষিতভাবে দলের নেতৃত্বে একেবারে সামনের সারিতে নিয়ে আসার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ পরিচালনার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি নিজে এই মুহূর্তে ভারতের মাটিতে, দলের শীর্ষ নেতাদেরও অনেকেই এ দেশে। ফলে আওয়ামী লীগের 'নিউক্লিয়াস' এখন কার্যত প্রতিবেশী দেশের মাটিতেই।

শেখ হাসিনা, সায়মা ওয়াজেদ দিল্লিতে (বা দিল্লির উপকণ্ঠে), সজীব ওয়াজেদ আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় এবং দলের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতা কলকাতায়– এভাবেই একটি ত্রিভুজাকার যৌথ নেতৃত্বর মধ্যে দিয়ে এই মুহূর্তে দলটির দৈনন্দিন কাজকর্ম চলছে।

কিন্তু কাগজে-কলমে এখনো যিনি আওয়ামী লগের সাধারণ সম্পাদকের পদে আছেন, সেই ওবায়দুল কাদের দলের এই নতুন কাঠামোতে একেবারেই উপেক্ষিত। প্রায় ১০ মাস আগে ভারতে চলে এলেও তিনি এখনো দলীয় সভাপতির দেখাই পাননি বলে বিবিসি নিশ্চিত হতে পেরেছে।

শেখ হাসিনা বরং বেশি ভরসা রাখছেন দলের তিনজন নেতার ওপর, যারা প্রত্যেকেই আপাতত কলকাতায়।

এরা হলেন বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও একদা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম এবং আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক এমপি জাহাঙ্গীর কবির নানক।

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানাচ্ছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতে তাদের সশরীরে দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে। তবে আপাতত তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা ও অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করার কাজটি করছেন সায়মা ওয়াজেদ।

অন্যদিকে সজীব ওয়াজেদের নেতৃত্বে আমেরিকায় আর একটি টিম কাজ করছেন দলের অনুকূলে 'ন্যারেটিভ নির্মাণ' (বয়ান তৈরি) এবং বিদেশের সংবাদমাধ্যমে আওয়ামী লীগের বক্তব্য তুলে ধরতে।

৭৬ বছরেরও বেশি পুরনো এই রাজনৈতিক দলটি ইতিহাসে সম্ভবত তাদের সবচেয়ে সংকটময় সময় পার করে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন লড়াই‌ করছে। তবে নেতৃত্বের রাশ থাকছে যথারীতি দলটির 'ফার্স্ট ফ্যামিলি'র হাতেই।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’, প্রতিহতের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর

৪ দিন আগে

বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন— জবাবে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।

৪ দিন আগে

‘জিয়াউর রহমান আর ১০ বছর বাঁচলে বাংলাদেশ অনন্য দেশ হতো’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না

৬ দিন আগে

সরকার স্বস্তি দিতে চায়, বিরোধীদল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

৭ দিন আগে