
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৪৮টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনলেন ১৫৪৯ জন। এতে দলটির আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫ ০ হাজার টাকা। এবার ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪৮টি।
বৃহস্পতিবার বিকেল বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
গত মঙ্গলবার থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ, যা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায়।
শেষ দিন সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ২১৭টি, তাতে দলটি আয় করেছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় দিন গত বুধবার ৫২২ জন ফরম কিনেছেন।
এতে দলটির আয় হয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। প্রথম দিন ফরম বিক্রি হয় ৮১০টি, যাতে আয় হয় ৪ কোটি টাকা ৫ লাখ টাকা।
তিন দিনে ফরম সংগ্রহ করাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীসহ সহ অন্যান্য সংগঠনের পদধারীরা রয়েছেন। এই তালিকায় মন্ত্রী-এমপিদের স্ত্রী, আইনজীবী, অভিনেত্রী, এনজিও কর্মকর্তা, হিজড়াসহ বিভিন্ন পেশার নারীরা আছেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থাপিত প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হচ্ছে। দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন ফরম মিলছে। আর সব বিভাগের মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায়।
এবার সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিটি মনোনয়ন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা, যা একাদশ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে ছিল ৩০ হাজার টাকা। ফলে গতবারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে।
গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ একটা বড় দল সবাই মনোনয়ন চাইতে পারে। কিন্তু সবাইকে তো আর মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব না। মনোনয়ন দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংরক্ষিত আসনে তাদেরই মূল্যয়ান করা হবে যারা, ত্যাগী-যোগ্য এবং দলের জন্য কাজ করেছেন। আমাদের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনের পর থেকেই পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কাজ শুরু করে দেন। জেলা সফরে গিয়েও যোগ্য কাউকে দেখলে তার নাম লিখে রাখেন। সময়মতো সেটা কাজে লাগান।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৪৮টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনলেন ১৫৪৯ জন। এতে দলটির আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫ ০ হাজার টাকা। এবার ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ৪৮টি।
বৃহস্পতিবার বিকেল বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
গত মঙ্গলবার থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ, যা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায়।
শেষ দিন সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ২১৭টি, তাতে দলটি আয় করেছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় দিন গত বুধবার ৫২২ জন ফরম কিনেছেন।
এতে দলটির আয় হয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। প্রথম দিন ফরম বিক্রি হয় ৮১০টি, যাতে আয় হয় ৪ কোটি টাকা ৫ লাখ টাকা।
তিন দিনে ফরম সংগ্রহ করাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীসহ সহ অন্যান্য সংগঠনের পদধারীরা রয়েছেন। এই তালিকায় মন্ত্রী-এমপিদের স্ত্রী, আইনজীবী, অভিনেত্রী, এনজিও কর্মকর্তা, হিজড়াসহ বিভিন্ন পেশার নারীরা আছেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থাপিত প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হচ্ছে। দ্বিতীয় তলায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৃতীয় তলায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন ফরম মিলছে। আর সব বিভাগের মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায়।
এবার সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিটি মনোনয়ন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা, যা একাদশ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে ছিল ৩০ হাজার টাকা। ফলে গতবারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে।
গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ একটা বড় দল সবাই মনোনয়ন চাইতে পারে। কিন্তু সবাইকে তো আর মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব না। মনোনয়ন দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংরক্ষিত আসনে তাদেরই মূল্যয়ান করা হবে যারা, ত্যাগী-যোগ্য এবং দলের জন্য কাজ করেছেন। আমাদের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনের পর থেকেই পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কাজ শুরু করে দেন। জেলা সফরে গিয়েও যোগ্য কাউকে দেখলে তার নাম লিখে রাখেন। সময়মতো সেটা কাজে লাগান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
১৮ ঘণ্টা আগে