
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ডাকে দেশের জনগণ কোনোদিনই সাড়া দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, এ দেশের জনগণ তাদের (বিএনপি) চেনে। জনগণ এসব ডাকে কোনোদিনই রিয়েকশন (সাড়া) দেয়নি। আমার মনে হয় আমাদের জনগণ নির্বাচনটি সঠিকভাবেই করবেন। তারা সময়মতো ভোট দেবেন। একটা সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের উপহার দিতে পারবে কমিশন।
বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের ডাকের বিষয়ে বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলটি আজ থেকে সরকারকে ‘সবক্ষেত্রে’ অসহযোগিতা করার জন্য জনগণকে অনুরোধ করেছে।
এ ছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারকে সব প্রকার কর, খাজনা, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়া স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে যখন ভোটের আমেজ চলে এসেছে, তখন তারা অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে, যারা অসহযোগ আন্দোলন করছেন, তাদের বাসা থেকে যদি বিদ্যুৎ চলে যায়, পানি বন্ধ হয়ে যায়- উনারাই চাচ্ছেন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাবে, পানি বন্ধ হয়ে যাবে, সরকার অচল হয়ে যাবে। তাহলে কী হবে? তারা কি সেটি বুঝতে পারছেন?
তিনি বলেন, গ্যাস বিল না দিলে, বিদ্যুৎ বিল না দিলে, পানির বিল না দিলে- ওয়াসা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ যা অন্য গ্রাহকের ক্ষেত্রে করে, তাদের (বিএনপির নেতাকর্মী) জন্যও সেগুলো করবে। সেটি তাদের চিন্তার মধ্যে নিয়ে আসা উচিত।

বিএনপির ডাকে দেশের জনগণ কোনোদিনই সাড়া দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, এ দেশের জনগণ তাদের (বিএনপি) চেনে। জনগণ এসব ডাকে কোনোদিনই রিয়েকশন (সাড়া) দেয়নি। আমার মনে হয় আমাদের জনগণ নির্বাচনটি সঠিকভাবেই করবেন। তারা সময়মতো ভোট দেবেন। একটা সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন আমাদের উপহার দিতে পারবে কমিশন।
বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের ডাকের বিষয়ে বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলটি আজ থেকে সরকারকে ‘সবক্ষেত্রে’ অসহযোগিতা করার জন্য জনগণকে অনুরোধ করেছে।
এ ছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারকে সব প্রকার কর, খাজনা, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়া স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে যখন ভোটের আমেজ চলে এসেছে, তখন তারা অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে, যারা অসহযোগ আন্দোলন করছেন, তাদের বাসা থেকে যদি বিদ্যুৎ চলে যায়, পানি বন্ধ হয়ে যায়- উনারাই চাচ্ছেন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাবে, পানি বন্ধ হয়ে যাবে, সরকার অচল হয়ে যাবে। তাহলে কী হবে? তারা কি সেটি বুঝতে পারছেন?
তিনি বলেন, গ্যাস বিল না দিলে, বিদ্যুৎ বিল না দিলে, পানির বিল না দিলে- ওয়াসা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ যা অন্য গ্রাহকের ক্ষেত্রে করে, তাদের (বিএনপির নেতাকর্মী) জন্যও সেগুলো করবে। সেটি তাদের চিন্তার মধ্যে নিয়ে আসা উচিত।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে