
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ঘোড়ায় চড়ে গণসংযোগ ও মিছিল করেছেন ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে এ গণসংযোগ ও মিছিল শুরু হয়।
কর্মসূচির শুরুতেই সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়েন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট চান। মিছিলটি সূত্রাপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় হাতি, ঘোড়ার গাড়ি, বাদ্যযন্ত্র নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ এই বর্ণাঢ্য মিছিলে দলীয় হাজারো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। তারা নৌকা প্রতীক এবং সাঈদ খোকনের পক্ষে স্লোগান দেন। ৭ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
পরে মিছিলটি বংশালের ইংলিশ রোড হয়ে নর্থ-সাউথ রোডে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবেন। আর আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে জনগণের সুখে-দুঃখের কথা জাতীয় সংসদে তুলে ধরার মাধ্যমে নাগরিকদের খেদমত করব, ইনশাআল্লাহ।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি আমরা নিজেরা ভোট দেব, আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাব। ওইদিন বিকেলে আল্লাহ যদি সহায় হোন, তাহলে আমরা নেত্রীর হাতে বিজয় তুলে দেব, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক এই মেয়র বলেন, দীর্ঘ একমাস কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন আমার দলের নেতাকর্মীরা। তারা প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার লক্ষে প্রতিটি বাড়িতে, প্রতিটি মহল্লায় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন, মানুষের দোয়া কামনা করেছেন। আমি আপনাদের সবাইকে হৃদয়ের গভীর থেকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের এই পরিশ্রম বৃথা যাবে না। আগামী ৭ জানুয়ারি জনগণ বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করব।
তিনি বলেন, আপনাদের দোয়া-সমর্থন নিয়ে এবং আপনাদের ভোটে জয়ী হতে পারলে আপনাদের সুখে-দুঃখের কথা মহান সংসদে গিয়ে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। যেভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকা অবস্থায় আপনাদের পাশে ছিলাম, সঙ্গে ছিলাম। ভবিষ্যতে থাকব, ইনশাআল্লাহ।

পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ঘোড়ায় চড়ে গণসংযোগ ও মিছিল করেছেন ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে এ গণসংযোগ ও মিছিল শুরু হয়।
কর্মসূচির শুরুতেই সুসজ্জিত ঘোড়ায় চড়েন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট চান। মিছিলটি সূত্রাপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় হাতি, ঘোড়ার গাড়ি, বাদ্যযন্ত্র নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ এই বর্ণাঢ্য মিছিলে দলীয় হাজারো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। তারা নৌকা প্রতীক এবং সাঈদ খোকনের পক্ষে স্লোগান দেন। ৭ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
পরে মিছিলটি বংশালের ইংলিশ রোড হয়ে নর্থ-সাউথ রোডে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেন, প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবেন। আর আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে জনগণের সুখে-দুঃখের কথা জাতীয় সংসদে তুলে ধরার মাধ্যমে নাগরিকদের খেদমত করব, ইনশাআল্লাহ।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি আমরা নিজেরা ভোট দেব, আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাব। ওইদিন বিকেলে আল্লাহ যদি সহায় হোন, তাহলে আমরা নেত্রীর হাতে বিজয় তুলে দেব, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক এই মেয়র বলেন, দীর্ঘ একমাস কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন আমার দলের নেতাকর্মীরা। তারা প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার লক্ষে প্রতিটি বাড়িতে, প্রতিটি মহল্লায় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন, মানুষের দোয়া কামনা করেছেন। আমি আপনাদের সবাইকে হৃদয়ের গভীর থেকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের এই পরিশ্রম বৃথা যাবে না। আগামী ৭ জানুয়ারি জনগণ বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করব।
তিনি বলেন, আপনাদের দোয়া-সমর্থন নিয়ে এবং আপনাদের ভোটে জয়ী হতে পারলে আপনাদের সুখে-দুঃখের কথা মহান সংসদে গিয়ে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। যেভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকা অবস্থায় আপনাদের পাশে ছিলাম, সঙ্গে ছিলাম। ভবিষ্যতে থাকব, ইনশাআল্লাহ।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
১ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১ দিন আগে